1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: কে এগিয়ে?

প্রকাশিত ১৩ এপ্রিল ২০২৬শেষ আপডেট ৪ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: কে এগিয়ে?, ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো বাংলাদেশ সরকার, জার্মানি থেকে পাঁচ হাজারেরও বেশি সেনা প্রত্যাহার করা হবে বলে জানালেন ট্রাম্প... আরো খবর এখানে।

https://p.dw.com/p/5C4Qc
ভোট দিতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুয, হাতে ভোটার কার্ড
২৯৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি এখন পর্যন্ত ১৭৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে, ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৮৫টি আসনে৷ ছবি: Sudipta Das/NurPhoto/picture alliance
স্কিপ নেক্সট সেকশন আপনার যা জানা দরকার

আপনার যা জানা দরকার

  • পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: কে এগিয়ে?
  • ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো বাংলাদেশ সরকার
  • জার্মানি থেকে কয়েক হাজার সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
  • ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী
  • হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর প্রাণ গেল
  • ইরানকে ‘আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে : ম্যার্ৎস
স্কিপ নেক্সট সেকশন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: কে এগিয়ে?
৪ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: কে এগিয়ে?

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে মোদীর মুখোশ পরা পথ বিক্রেতারা
ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ভারতীয় জনতা পার্টি বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে৷ছবি: Debajyoti Chakraborty/NurPhoto/picture alliance

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ভারতীয় জনতা পার্টি বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে৷

ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২৯৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি এখন পর্যন্ত ১৭৩টি আসনেএগিয়ে রয়েছে, ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৮৫টি আসনে৷ তবে আনন্দবাজার পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী বিজেপি ১৭৯টি এবং তৃণমূল কংগ্রেস ১০৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে৷ সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৪৮টি আসন৷

এছাড়া বোরো গণতান্ত্রিক পার্টি অফ মেঘালয় এবং অজয় উপজাতি পার্টি একটি করে আসনে এগিয়ে রয়েছে৷ সিপিআই(এম)-ও এগিয়ে রয়েছে একটি আসনে৷

এখন পর্যন্ত কোনো আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হয়নি৷ গণনা চলছে৷

এসএসজি/জেডএইচ

https://p.dw.com/p/5DCYN
স্কিপ নেক্সট সেকশন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বাধ্যতামূলক অবসর
৩ মে ২০২৬

১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বাধ্যতামূলক অবসর

নিরাপত্তা সরঞ্জাম নিয়ে সারিবদ্ধ দাঁড়ানো পুলিশ সদস্যরা
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে৷ছবি: picture alliance/NurPhoto

বাংলাদেশ পুলিশের ১৫ জন ডিআইজিসহ মোট ১৭ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার৷

রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে৷ প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী৷

এতে বলা হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে৷

এই কর্মকর্তারা হলেন: এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, ঢাকা হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, ঢাকা সিআইডির ডিআইজি মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের (টিআর) ডিআইজি সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ, পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, নোয়াখালী পিটিসির কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মো. হায়দার আলী খান, খুলনা পিটিসির কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মো. মাহবুবুর রহমান ভূইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি মো. রুহুল আমিন, ঢাকা হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. রফিকুল হাসান গনি।

এ তালিকায় আরো আছেন: ঢাকা নৌ-পুলিশের ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ডিআইজি, সিআইডি হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত) মো. মজিদ আলী,  ঢাকা পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী জিয়া উদ্দিন, ঢাকা রেল পুলিশের ডিআইজি মো. গোলাম রউফ খান, রংপুর পিটিসির কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) শেখ মোহাম্মদ রেজাউল হায়দার, ঢাকা হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রখফার সুলতানা খানম ও রেল পুলিশের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) ফারহাত আহমেদ।

অবসরে পাঠানো এই কর্মকর্তারা আইন অনুযায়ী অবসরজনিত সরকারি সুবিধা পাবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে৷

টিএম/এফএস (দ্য ডেইলি স্টার)

https://p.dw.com/p/5DBax
স্কিপ নেক্সট সেকশন জার্মানি থেকে আরো সেনা প্রত্যাহার করা হবে: ট্রাম্প
প্রকাশিত ৩ মে ২০২৬শেষ আপডেট ৩ মে ২০২৬

জার্মানি থেকে আরো সেনা প্রত্যাহার করা হবে: ট্রাম্প

জার্মানির রামস্টাইন বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর কয়েকটি উড়োজাহাজ
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি সেনা উপস্থিতি এবং বিমান বাহিনীর সবচেয়ে বড় ঘাঁটিছবি: Boris Roessler/dpa/picture alliance

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দেশটি জার্মানি থেকে ‘আরো অনেক' মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করবে৷ এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ইউরোপের দেশটি থেকে পাঁচ হাজার অ্যামেরিকান সেনা সরানোর ঘোষণা দিয়েছে৷

ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলের সমালোচনা করে সম্প্রতি জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের দেয়া এক বক্তব্যের পরই ডনাল্ড ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে দেশটি থেকে সেনা কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান৷ 

এদিকে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস শনিবার এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, আংশিক সেনা প্রত্যাহার প্রত্যাশিতই ছিল৷ ইউরোপকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি৷

বিস্তারিত পড়ুন এই প্রতিবেদনে: জার্মানি থেকে আরো সেনা প্রত্যাহার হবে, জানালেন ট্রাম্প

এফএস/টিএম

https://p.dw.com/p/5DB73
স্কিপ নেক্সট সেকশন ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী
২ মে ২০২৬

১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান৷ ফাইল ফটো
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান৷ ফাইল ফটোছবি: Anis Mahmud/AP Photo/picture alliance

সারাদেশে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে সরকার এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান৷

শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন৷

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, শহরের মানুষ কিছুটা চিকিৎসা সুবিধা পেলেও গ্রামের অধিকাংশ জায়গায় এখনো ভালোভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছায়নি৷

তিনি বলেন,  ‘‘দেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি৷ এই ১ লাখের মধ্যে ৮০ শতাংশ থাকবে নারী স্বাস্থ্যকর্মী৷ এই মানুষগুলোর দায়িত্ব হবে গ্রামে গ্রামে, ঘরে ঘরে যাওয়া৷ শহরেও তারা থাকবে৷ তবে আমরা জোর দেব, গ্রামের মানুষের ওপরে বেশি৷ তারা বিশেষ করে পরিবারের নারীদের কাছে গিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা চালাবে৷’’

শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী৷

আরআর/এসএসজি (প্রথম আলো)
 

https://p.dw.com/p/5DAAh
স্কিপ নেক্সট সেকশন হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর প্রাণ গেল
২ মে ২০২৬

হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর প্রাণ গেল

ফাইল ফটো
গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ২৩৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে৷ ফাইল ফটোছবি: Mahmud Hossain Opu/AP Photo/picture alliance

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) দেশে আরও চার শিশু মারা গেছে৷ 

এই শিশুদের ঢাকায় মারা গেছে৷

উল্লেখিত সময়ে সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর৷ 

এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭২ শিশু৷

আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে৷

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ২৩৫ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে৷ এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৪৯ শিশু৷

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৩৯ হাজার ৩২৫ শিশুর৷

আরআর/এসএসজি  (প্রথম আলো)

https://p.dw.com/p/5DA8m
স্কিপ নেক্সট সেকশন জার্মানি থেকে কয়েক হাজার সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
২ মে ২০২৬

জার্মানি থেকে কয়েক হাজার সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপের দেশ জার্মানি থেকে পাঁচ হাজার সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ শুক্রবার পেন্টাগন এই তথ্য জানায়৷ 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হাগসেথ জার্মানি থেকে পাঁচ হাজার সেনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন৷ 
   
পেন্টাগনের মুখপাত্র সিন পারনেল এক বিবৃতিতে জানান, আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে৷ 

এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে জার্মানিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনা সদস্যদের সংখ্যা ১৪% কমে আসবে৷ 

জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সংখ্যা কমিয়ে আনার বিষয়ে  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির ঠিক পরই এমন নির্দেশ দেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷ ইরান যুদ্ধ নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের এক মন্তব্যের পর সেনা সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলন ডনাল্ড ট্রাম্প৷

তার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপদস্ত হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছিলেন ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস৷

নিক মার্টিন, শ্রিনিভাস মজুমদারু (আরআর)

https://p.dw.com/p/5D9ss
স্কিপ নেক্সট সেকশন ইরান যুদ্ধ অনুমোদন: কংগ্রেসে ভোট ইস্যুতে বিভক্ত রিপাবলিকানরা
১ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধ অনুমোদন: কংগ্রেসে ভোট ইস্যুতে বিভক্ত রিপাবলিকানরা

ওয়াশিংটন, ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২৬ | ডনাল্ড ট্রাম্প এবং পিট হেগসেথের বৈঠক
ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেছেন, যুদ্ধবিরতির ফলে কংগ্রেসের অনুমোদনের শর্ত আর প্রযোজন্য নয়। ছবি: এভলিন হোকস্টাইনছবি: Evelyn Hockstein/REUTERS

ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন নেয়ার সময়সীমা শুক্রবার শেষ হতে চলেছে৷ শুক্রবারের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ারও কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না৷

মার্কিন যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাব (ওয়ার পাওয়ারস রেসোল্যুশন) এর অধীনে কোনো যুদ্ধ বা সংঘাত শুরুর ৬০ দিনের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সেটা শেষ করতে হবে, অথবা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমতি নিতে হবে৷ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে সেটা জানিয়েছেন ২ মার্চ৷ ফলে সেদিন থেকে শুরু হওয়া ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে ১ মে৷

এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির অনেক নেতাও কংগ্রেসে এই ইস্যুতে ভোট আয়োজনের কথা তুলছেন৷

সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা জন থুন অবশ্য এই ইস্যুতে কোনো ভোট অনুষ্ঠিত হবে না বলে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, ‘‘আমি আমাদের দলের সদস্যরা কী বলছেন তা মনোযোগ দিয়ে শুনছি, এবং এই মুহূর্তে আমি তেমন কিছু দেখছি না৷’’

ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি হচ্ছে ৭ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শত্রুতা ‘শেষ’ হয়ে গেছে৷ ফলে এই শর্তটি এক্ষেত্রে আর প্রযোজ্য নয়৷

কিছু রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন৷ সিনেটর কেভিন ক্রেমার বলেছেন, অনুরোধ করা হলে তিনি অনুমোদনের পক্ষে থাকবেন৷ অন্যদিকে যারা প্রাথমিকভাবে সীমিত হামলার পক্ষে ছিলেন, তারা এখন অভিযান সম্প্রসারিত হলে কংগ্রেসের সম্পৃক্ততা চান৷

উটাহ স্টেটের সিনেটর জন কার্টিস অনুমোদন ছাড়া অর্থায়ন অব্যাহত রাখার বিরোধিতা করে বলেছেন, ‘‘এখন প্রশাসন এবং কংগ্রেস উভয়ের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এবং তা একে অপরের সাথে সমন্বয় করে হতে পারে, সংঘাতের মাধ্যমে নয়৷’’

বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর যুদ্ধের আরও স্পষ্ট সীমা নির্ধারণ এবং তদারকির জন্য চাপ দিচ্ছেন৷ আলাস্কার লিসা মুরকোস্কি বলেছেন, হোয়াইট হাউস যদি একটি ‘বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা’ জানাতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি আরও সীমিত পরিসরের একটি অনুমোদন প্রস্তাব আনতে পারেন৷

তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি মনে করি না যে সুস্পষ্ট জবাবদিহিতা ছাড়া আমাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক পদক্ষেপে জড়িত হওয়া উচিত... কংগ্রেসের একটি ভূমিকা রয়েছে৷’’

মেইনের সিনেটর সুসান কলিন্স এর আগে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার একটি ডেমোক্র্যাটিক প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছিলেন৷ তিনি এর আইনি গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘‘৬০ দিনের সময়সীমা কোনো পরামর্শ নয়, এটি একটি আবশ্যিক শর্ত... সর্বাধিনায়ক হিসেবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার কোনো সীমা নেই৷’’

ইরানে চলমান সংঘাত এবং এর খরচ ক্রমশ অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে৷ আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের জন্য রাজনৈতিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি৷

এডিকে/জেডএইচ

https://p.dw.com/p/5D7vW
স্কিপ নেক্সট সেকশন স্পেন ও ইটালি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের
১ মে ২০২৬

স্পেন ও ইটালি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের

স্পেনের মরন এয়ার বেসে ইউএস বোয়িং কেসি-১৩৫ স্ট্রাটোট্যাঙ্কার বিমান
ইউরোপে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো মার্কিন সামরিক বাহিনীকে অন্যান্য স্থানের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের নৈকট্য প্রদান করে।ছবি: Marcelo del Pozo/REUTERS

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সমালোচনা করায় স্পেন ও ইটালি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প৷

এমন কোনো পদক্ষেপ বিবেচনায় আছে কিনা, ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘‘হ্যাঁ, সম্ভবত৷ আমি সম্ভবত তাই করব৷ কেন করব না!’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘ইটালি আমাদের কোনো সাহায্য করেনি এবং স্পেনের আচরণ ভয়াবহ, একেবারে ভয়াবহ৷’’

জার্মানিতে মার্কিন সেনার সংখ্যা ‘হ্রাসের সম্ভাব্যতা ওয়াশিংটন খতিয়ে দেখছে ও পর্যালোচনা করছে’ বলার একদিন পর এই মন্তব্য করলেন ট্রাম্প৷

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযানে সাহায্য না করায় এবং হরমুজ প্রণালী খোলার জন্য নৌবাহিনী না পাঠানোয় ন্যাটো মিত্রদের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান এই প্রণালীটি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে৷

গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব মিত্র সহযোগিতা করছে না, তাদের ‘শাস্তি দেওয়ার জন্য’ সম্ভাব্য বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক জোট থেকে স্পেনকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে৷

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জার্মানিতে প্রায় ৩৬ হাজার ৪০০ জন, ইতালিতে ১২ হাজার ৬৬২ জন এবং স্পেনে তিন হাজার ৮১৪ জন মার্কিন সৈন্য মোতায়েন ছিল৷

এডিকে/জেডএইচ

https://p.dw.com/p/5D7Tb
স্কিপ নেক্সট সেকশন ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে : ম্যার্ৎস
প্রকাশিত ৩০ এপ্রিল ২০২৬শেষ আপডেট ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে : ম্যার্ৎস

ম্যুনস্টারের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সামরিক পোশাকে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস
জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে একটি সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস আরো বলেন, ‘‘ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে৷ ইসরায়েল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না৷’’ছবি: Fabian Bimmer/REUTERS

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস বলেছেন, ‘‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে৷ সময়ক্ষেপণ বন্ধ করতে হবে তাদের৷ তারা আর পুরো অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য), এমনকি পুরো বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে পারে না৷’’ 
আজ বৃহস্পতিবার জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইলের সঙ্গে একটি সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি আরো বলেন, ‘‘ইরানের সামরিক কর্মসূচির অবসান হতেই হবে৷ ইসরায়েল বা আমাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা চলতে পারে না৷’’
এ সময়হরমুজ প্রণালীতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ম্যর্ৎস বলেন, ‘‘প্রাসঙ্গিক শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য জার্মানি সামরিকভাবে অবদান রাখতে প্রস্তুত৷’’
সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিজের নাম লেখা সামরিক পোশাক পরে কথা বলার সময় জার্মানির চ্যান্সেলর জানান, সাইপ্রাসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বৈঠকে তিনি ‘‘ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর’’ তদবির করেছেন, কারণ, হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা সকলের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণ হবে৷
তার সরকার এসব বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে, ‘‘বিশেষ করে ওয়াশিংটনে’’ নিবিড় যোগাযোগ রাখছে বলেও উল্লেখ করেন ম্যার্ৎস৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা তা করছি সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থে৷ পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কাজের ন্যায্য বিভাজন বজায় রেখে তা করছি আমরা৷ এবং এক্ষেত্রে, বিশেষ করে এই উত্তাল সময়ে আমরা একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা অনুসরণ করছি: এই দিকনির্দেশনা একটি শক্তিশালী ন্যাটো এবং একটি নির্ভরযোগ্য ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারিত্বের দিকেই নির্দেশিত থাকে৷’’
এর আগে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যার্ৎস৷ ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প৷ তারপরই ইরান এবং হরমুজ নিয়ে এসব মন্তব্য করলেন ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস৷
এসিবি/ জেডএইচ (এপি, এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

https://p.dw.com/p/5D5PQ
স্কিপ নেক্সট সেকশন সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না, বললেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত ৩০ এপ্রিল ২০২৬শেষ আপডেট ৩০ এপ্রিল ২০২৬

সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না, বললেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (ফাইল ফটো)
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘‘প্রতিটি নাগরিক যে যার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায়-স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার৷ দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তি এবং নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, তেমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর৷’’ছবি: Mohammad Ponir Hossain/REUTERS

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান৷ তিনি আরো বলেন, ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না, অতীতেও আমরা তা করিনি৷
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিকে উদ্ধৃত করে এ তথ্য জানিয়েছে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার দ্য ডেইলি স্টার৷
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন হলে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার৷ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি৷’’ 
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘‘প্রতিটি নাগরিক যে যার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায়-স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার৷ দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তি এবং নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, তেমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর৷’’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’৷ বাংলাদেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে, একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সকল বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে৷’’
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ‘‘আপনারা কেউ নিজেদেরকে কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না৷ রাষ্ট্র আমার আপনার আমাদের সবার পরিচয়৷ আমরা প্রত্যেকে, প্রত্যেক নাগরিক, সকলে ‘আমরা বাংলাদেশি’৷’’
তারেক রহমান বলেন, ‘‘রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যদি নিজ নিজ ধর্মের শিক্ষা সঠিকভাবে মেনে চলেন, তাহলে আমরা সবাই মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণ করতে পারব৷’’
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বীর মুক্তিযোদ্ধারা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষায় স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন৷
তিনি বলেন, ‘‘মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম৷ মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী, এটি কারও জিজ্ঞাসা ছিল না৷ তাই এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার-আমার, আমাদের সকলের৷’’ 
এসিবি/ জেডএইচ (দ্য ডেইলি স্টার)

https://p.dw.com/p/5D4VU
স্কিপ নেক্সট সেকশন আইভীর দুই হত্যা মামলা ও ইমির সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিন
৩০ এপ্রিল ২০২৬

আইভীর দুই হত্যা মামলা ও ইমির সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিন

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তারের মুহূর্ত (ফাইল ফটো)
জামিন চেয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ জামিনের এ আদেশ দেন৷ছবি: Shadhin Hossain/DW

হত্যার অভিযোগে করা দুই মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন৷ ৭ মার্চ-এর ভাষণ বাজানোর পর গ্রেপ্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ (ইমি)-ও অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায়৷ 
২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী৷ পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি৷
ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার প্রথম আলো জানায়, জামিন চেয়ে আইভীর করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার রুলসহ জামিনের এ আদেশ দেন৷
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন ওই দুই মামলা দায়ের করা হয়৷ এই দুই মামলার একটিতে ২ মার্চ ও অন্যটিতে ১২ এপ্রিল তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়৷
এর আগে ১০ মামলায় জামিনের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওই দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন আইভী৷ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২৬ এপ্রিল রুলসহ আদেশ দেন৷ সর্বশেষ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পৃথক দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো (শোন্য অ্যারেস্ট) কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়৷
আরেক খবরে প্রথম আলো জানায়, জামিন চেয়ে ইমির করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আদেশ দেন৷
গত ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ বাজানো কর্মসূচি ঘোষণা করেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন৷ রিকশায় করে মাইকে ভাষণ বাজানোর সময় ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দল তাতে বাধা দেয়৷
একপর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজ ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান৷ এ সময় থানার ভেতরেই আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধর করা হয়৷ পরে পুলিশ তাদের আটক করে রাখে৷ পরদিন আটক তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে শাহবাগ থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়৷ এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে৷
ঘটনার বিষয়ে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শাহবাগ থানার বিপরীত পাশে জাতীয় জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে আবদুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়ো হয়৷ সে সময় শাহবাগ থানা মসজিদে তারাবিহর নামাজ চলছিল৷ তারা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউড স্পিকারে উসকানিমূলক স্লোগান দেন৷ সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের উদ্দেশে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সচলের চেষ্টা করেন৷ তারা পুলিশের কাজেও বাধা দিয়ে থানা হেফাজতে আটক থাকা আসিফ আহমেদ সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন৷ এ সময় ডাকসু প্রতিনিধি এ বি জুবায়ের ও মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী তাদের আটক করে পুলিশে দেয়৷
এসিবি/ জেডএইচ (প্রথম আলো)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি (ফাইল ফটো)
জামিন চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ (ইমি)-র করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আদেশ দেন৷ছবি: Samir/DW
https://p.dw.com/p/5D31s
স্কিপ নেক্সট সেকশন বাংলাদেশে হামে ২১৭ জন শিশুর মৃত্যু
প্রকাশিত ২৯ এপ্রিল ২০২৬শেষ আপডেট ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে হামে ২১৭ জন শিশুর মৃত্যু

ফাইল ফটো
কয়েক দশকের মধ্যে হামের অন্যতম ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২২৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে৷ হামের লক্ষণ আছে এমন রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজারে পৌঁছেছে৷ছবি: Mahmud Hossain Opu/AP Photo/picture alliance

বাংলাদেশে কয়েক দশকের মধ্যে হামের অন্যতম ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত ২২৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে৷ হামের লক্ষণ আছে এমন রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজারে পৌঁছেছে৷ সরকারি তথ্য উদ্ধৃত করে এ খবর জানিয়েছে এএফপি৷
সবচেয়ে বেশি হামের কবলে পড়া এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এবং মিয়ানমার সীমান্তের কাছের কুরুকপাতা৷ এই গ্রামীণ জনপদের শিশুরা অনেক সময়ই টিকাদান কর্মসূচির আওতার বাইরে থেকে যায়৷ সেখানকার কিছু পরিবার ভয়ে টিকাদান কর্মসূচি এড়িয়েও চলে৷ জেলা স্বাস্থ্য প্রধান শেখ ফজলে রাব্বি এএফপিকে বলেন, ‘‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হলো কুরুকপাতা৷ এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্যন্ত অঞ্চল৷’’ তিনি আরো জানান, সেখানে ৮০ জনেরও বেশি শিশুকে হামের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে৷
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-র তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম সংক্রামক রোগ হাম৷ এ রোগ কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে ছড়ায়৷
যে-কোনো বয়সের মানুষই হামে আক্রান্ত হতে পারে৷ তবে শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি৷ হামের কারণে মস্তিষ্কের প্রদাহ ও গুরুতর শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে৷ 
গত ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৯৮০ জন, যাদের অধিকাংশের বয়স ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে৷
এসিবি/ জেডএইচ (এএফপি)

https://p.dw.com/p/5D1BB
স্কিপ নেক্সট সেকশন যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টে ট্রাম্পের ছবি
প্রকাশিত ২৯ এপ্রিল ২০২৬শেষ আপডেট ২৯ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টে ট্রাম্পের ছবি

পররাষ্ট্র দপ্তরের সরবরাহ করা নকশায় পাসপোর্টের ভেতরের একটি পৃষ্ঠায় ১৭৭৬ সালের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের ছবির বিপরীতে ট্রাম্পের ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে এই পাসপোর্টগুলো প্রকাশ করা হবে৷ ছবি: U.S. State Department/Handout/REUTERS

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিকৃতি সম্বলিত পাসপোর্ট তৈরি করা হবে – এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক ঘোষণায়৷ তবে স্মারক হিসেবে সীমিত সংখ্যক পাসপোর্ট এভাবে তৈরি করা হবে৷
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে এই পাসপোর্টগুলো প্রকাশ করা হবে৷ বিবৃতিতে অবশ্য পাসপোর্টগুলোতে ট্রাম্পের ছবি থাকার উল্লেখ নেই৷ কিন্তু পররাষ্ট্র দপ্তরের সরবরাহ করা নকশায় পাসপোর্টের ভেতরের একটি পৃষ্ঠায় ১৭৭৬ সালের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের ছবির বিপরীতে ট্রাম্পের ছবি দেখা গেছে৷
এসিবি জেডএইচ (এপি, এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

https://p.dw.com/p/5D09C
স্কিপ নেক্সট সেকশন উগান্ডায় পাকিস্তানি, ভারতীয়, বাংলাদেশিসহ ২৩১ জন বিদেশি আটক
প্রকাশিত ২৯ এপ্রিল ২০২৬শেষ আপডেট ২৯ এপ্রিল ২০২৬

উগান্ডায় পাকিস্তানি, ভারতীয়, বাংলাদেশিসহ ২৩১ জন বিদেশি আটক

মানচিত্রে উগান্ডা (প্রতীকী ছবি)
একটি অভিযানের লক্ষ্য ছিল উগান্ডার উত্তরাঞ্চলে বসবাসরত একদল নাইজেরীয়৷ একই সময়ে রাজধানী কাম্পালার একটি অঞ্চলেও চলে অভিযান৷ সেখান থেকে আটকদের মধ্যে পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, ঘানা, মিয়ানমার, ইথিওপিয়া, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া এবং মালয়েশিয়ার নাগরিকরা রয়েছেন৷ ছবি: DW

উগান্ডার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন রোধে চালানো অভিযানে অন্তত ২৩১ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে৷ 
মঙ্গলবার সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার থেকে চালানো একটি অভিযানের লক্ষ্য ছিল দেশের উত্তরাঞ্চলে বসবাসরত একদল নাইজেরীয়৷ একই সময়ে রাজধানী কাম্পালার একটি অঞ্চলেও চলে অভিযান৷ সেখানে একসঙ্গে বাস করছিলেন আরেকদল বিদেশি৷
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানায়, দ্বিতীয় অভিযানে আটকদের মধ্যে পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, ঘানা, মিয়ানমার, ইথিওপিয়া, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া এবং মালয়েশিয়ার নাগরিকরা রয়েছেন৷ 

এসিবি/ জেডএইচ (এপি)

https://p.dw.com/p/5CzsC
স্কিপ নেক্সট সেকশন সাভারে সাংবাদিক হেনস্তা ও ‘অপহরণচেষ্টার’ প্রতিবাদ
২৯ এপ্রিল ২০২৬

সাভারে সাংবাদিক হেনস্তা ও ‘অপহরণচেষ্টার’ প্রতিবাদ

সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে সাংবাদিককে শারীরিক হেনস্তা ও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের স্থানীয় সাংবাদিকরা৷
বেসরকারি টেলিভিশন দেশ টিভির সাভার প্রতিনিধি দেওয়ান ইমনকে হেনস্তা ও তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ এক সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে৷ এর প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাভার মডেল থানার সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয় বলে জানিয়েছে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার দ্য ডেইলি স্টার৷ 
মানববন্ধন থেকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেনকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয়সহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সাংবাদিকরা৷ মানববন্ধন শেষে সাভার মডেল থানার ভেতরে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন তারা৷
সাভার প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা বলেন, ‘‘একজন গণমাধ্যমকর্মীর কাজ তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ প্রকাশ করা৷ প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে প্রতিবাদ জানানোসহ উপযুক্ত মাধ্যমে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে৷’’
‘‘কিন্তু অনুসন্ধান করার কারণে কিংবা সংবাদ প্রকাশ করার কারণে সন্ত্রাসী স্টাইলে একজন সরকারি কর্মকর্তা একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলা করবেন, তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবেন—এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়; বরং এমন কর্মকাণ্ড স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টার শামিল,’’ বলেন তিনি৷
হামলার পর গতকালই অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত মামলা রেকর্ড না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন নাজমুল হুদা৷
যোগাযোগ করলে ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস, ট্রাফিক) মো. জাহাঙ্গীর আলম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘‘এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে৷ অভিযোগের মেরিট বিবেচনায় সিনিয়র অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷’’
এসিবি/ জেডএইচ (দ্য ডেইলি স্টার)

https://p.dw.com/p/5Cznw
আরো পোস্ট দেখান