নতুন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর অর্থ কোথা থেকে আসবে?
১৬ এপ্রিল ২০২৬
এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কত অর্থ প্রয়োজন হতে পারে তা আগামী বাজেটে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর৷ ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি যেগুলো ইতিমধ্যে চালু আছে সরকার সেগুলোর অপচয় রোধ ও সংস্কার করবে৷ সেখান থেকে অনেক অর্থ আসবে৷ একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেও সম্পদ সংগ্রহ করা হবে৷ আগামী বাজেটে এটা স্পষ্ট করা হবে৷ এটা নিয়ে কাজ চলছে৷''
যেসব কর্মসূচি চালু করেছে বিএনপি
- ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান৷ প্রথম পর্যায়ে সারাদেশে ৩৪ হাজার ৫৬৪ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হয়েছে৷ আগামী অর্থবছরে (২০২৬-২৭) আরো ৪০ লাখ পরিবারের নারীপ্রধানকে এই কার্ড দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার৷ এতে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে৷ এই টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আধা সরকারি (ডিও) পত্র দিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন৷ পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লাখ পরিবারকে এই কার্ড দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার৷ প্রতি কার্ডধারী মাসে পাবেন নগদ দুই হাজার ৫০০ টাকা৷
- ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ১০ জেলার ১১ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্ধোধন করা হয়েছে৷ কার্ড পাওয়া কৃষকেরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন৷ এগুলো হলো- ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ; ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা; সহজ শর্তে কৃষিঋণ; স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি; সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা; মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য; কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ; ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ; কৃষি বিমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা পাবেন কৃষকেরা৷ এছাড়া তারা বছরে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন৷ অর্থ উপদেষ্টা জানিয়েছেন আগামী চার বছরে দুই লাখ ৫০ হাজার কৃষক এই কার্ড পাবেন৷
- এর আগে সরকার ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে৷ সুদসহ যার পরিমাণ এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা৷
- খাল খনন কর্মসূচিও শুরু হয়েছে৷ আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করতে চায় সরকার৷ প্রতি কিলোমিটার খাল খননের খরচ ২০ লাখ টাকা ধরেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড৷
- ৩০ মার্চ ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেয় সরকার৷ মোট ৫০০ ক্রীড়াবিদকে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে৷ তারা প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে ভাতা পাবেন৷
- স্বাস্থ্য কার্ড ও স্বাস্থ্য বিমা নিয়েও কাজ করছে সরকার৷
- ১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান নিয়েও কাজ করছে বিএনপি সরকার৷
অর্থনীতিবিদরা যা বলছেন
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিস (বিস)-এর গবেষণা পরিচালক অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবীর বলেন, ‘‘বিএনপি তার নির্বাচনি ইশতেহারে ওই প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছে৷ তারা বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজও শুরু করেছে৷ কিন্তু পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, অর্থ কোথা থেকে আসবে সেটাই বড় প্রশ্ন৷ অর্থ তো অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করতে হবে৷ তাহলে কর আদায় বাড়াতে হবে৷ এজন্য আগামী বাজেটে করের বোঝা আরো বাড়বে৷ তা আবার মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে৷ সেটা নতুন আরেকটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে৷ আমি এখনো সরকারি কোনো ডকুমেন্টে এ নিয়ে বিস্তারিত কোনো পরিকল্পনা দেখিনি৷ উদ্যোগগুলো ভালো৷ কিন্তু কতটা বাস্তবায়ন করা যাবে সেটাই প্রশ্ন৷''
তিনি বলেন, ‘‘শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, শেষ পর্যন্ত কিন্তু এক কোটি ৬৫ লাখ কৃষককে কার্ডের আওতায় আনতে হবে৷ খাল খননে প্রচুর অর্থ লাগবে৷ স্বাস্থ্য কার্ড একটা বিরাট প্রকল্প৷ এখানে অনেক টাকা লাগবে৷ আমাদের রাজস্ব সংগ্রহের যে অবস্থা তাতে মনে হয় না যে খুব বেশি কিছু করা যাবে৷ এরমধ্যে জ্বালানি তেলের সংকট৷ এখানে প্রচুর ভর্তুকি দিতে হচ্ছে৷ সরকারের দায় আছে ২৩ লাখ কোটি টাকা৷ যা বিশ্ব পরিস্থিতি তাতে অর্থনীতি কোন দিকে যায় বলা যাচ্ছে না৷ বিশ্বব্যাংক বলছে আমাদের প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৯ শতাংশ৷ এডিবি, আইএমএফ সামান্য বেশি বলছে৷ কিন্তু সবার মধ্যে একটি আশঙ্কা যে আগামীতে বিশ্ব অর্থনীতি চাপে থাকবে৷ বাংলাদেশের অর্থনীতিও চাপে থাকবে৷ ফলে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিও বড় চাপে পড়বে৷ এখানে অপচয়, দুর্নীতির কথা বলা হলেও তার হিসাব তো এখনো করা হয়নি৷''
‘‘সরকার চাইলেই কিন্তু কোনো প্রকল্প থেকে কাউকে বাদ দিতে পারবে না৷ আবার কোনো প্রকল্প বন্ধও করতে পারবে না৷ কারণ সামনে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আছে,'' বলেন ড. মাহফুজ কবীর৷
আগামী বাজেটে (২০২৬-২৭) সরকার তার সামাজিক নিরাপত্তার নতুন কর্মসূচি স্পষ্ট করবে৷ অর্থনীতিবিদরা বলছেন, তখন বোঝা যাবে সরকার তার কর্মসূচিগুলো কীভাবে, কোন উপায়ে বাস্তবায়ন করতে চায়৷ অর্থ সংগ্রহ করবে কীভাবে৷ এই কারণেই হয়তবা সরকার অনেক বড় বাজেটের পরিকল্পনা করছে৷ আগামী অর্থ বছরের বাজেট হতে পারে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার, যা চলতি বাজেটের চেয়ে আকারে ২৫ শতাংশ বড় হতে পারে৷
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, ‘‘বাজেট বড় করার পক্ষে আমিও৷ কিন্তু সেটা বাস্তবায়নযোগ্য কি না দেখতে হবে৷ একমাত্র রেমিটেন্স ছাড়া অর্থনীতির সব সূচক এখন নিম্নমুখী৷ রাজস্ব আদায় কখনোই টার্গেট পূরণ করতে পারে না৷ সরকার ব্যাংক থেকে ধার করছে৷ ২০০ কোটি ডলার ঋণ নেয়ার চেষ্টা করছে দেশের বাইরে থেকে৷ আর যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে৷ ফলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের চাপে আছে৷ সরকার সেটা বুঝতে পেরেই অর্থনীতিবিদদের নিয়ে একটি কৌশল প্রণয়ন কমিটি গঠন করেছে৷'' ৩৬ সদস্যের ওই কমিটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ৷
‘‘সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় শতাধিক ধরনের প্রকল্প ও ভাতা চলমান আছে৷ আর প্রত্যেক বছরই উপকারভোগী এবং বরাদ্দ বড়ছে৷ এখন সেটা যখন চলছে সেখানে সরকার নতুন করে যে প্রকল্পগুলো চালু করছে সেগুলো করার আগে পুরনোগুলো মূল্যায়ন করা দরকার ছিলো৷ নতুন কর্মসূচিগুলো ধরে নিলাম ভালো৷ কিন্তু এর অর্থ কোথা থেকে আসবে? আর এটা কী ফল দেবে তাও আমার কাছে স্পষ্ট নয়৷ বাজেটে হয়তো আমরা জানতে পারবো,'' বলেন ড. আইনুল ইসলাম৷
বাজেটে প্রকাশ করা হবে
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘‘আমরা একটা বৈরি পরিস্থিতিতে এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কাজগুলো হাতে নিয়েছি৷ আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পেয়েছি৷ এরসঙ্গে আছে বৈরী ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি৷ এর সঙ্গে প্রলম্বিত মূল্যস্ফীতি এবং গত তিন বছরে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে৷ তারপরও সরকার তার ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে৷''
‘‘অতীতের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোতে প্রচুর অপচয় হয়েছে৷ রাজনৈতিক বিবেচনায় সুবিধাভোগী নির্ধারণ করা হয়েছে৷ ফলে যাদের সুবিধা পাওয়ার দরকার ছিলো তারা পায়নি৷ তাই সরকার সংস্কার করতে চায়৷ সেটা নিয়ে কাজ চলছে৷ এই অপচয় রোধ করে অনেক অর্থ পাওয়া যাবে৷ আবার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেও অর্থ সংগ্রহ করা হবে৷ এর মাধ্যমেই নতুন প্রকল্পের অর্থ সংগ্রহ করা হবে৷ প্রকৃত যাদের সহায়তা প্রয়োজন তারাই যাতে পায় সেজন্যও নানা ধরনের জরিপ করা হচ্ছে,'' বলেন তিনি৷
কত অর্থ লাগতে পারে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ‘‘আগামী বাজেটে আমরা এই বিষয়ে সংস্কার কর্মসূচি প্রকাশ করব৷ আমরা নানা নামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কর্মসূচিগুলোতে সংস্কার করে সেখান থেকে অনেক অর্থ পাবো৷ আরো অর্থ সংগ্রহ করা হবে৷''
যেসব কর্মসূচি এখনো চলমান
দেশে ১০০-১৪০ ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু আছে৷ ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে সামাজিক নিরাপত্তার ৯৫টি খাতে বাজেটে মোট এক লাখ ২৬ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়, যা ওই বছরের মোট বাজেটের ১৬.০৪ শতাংশ৷ তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বয়স্ক ভাতায়৷ এই খাতে বরাদ্দ দেয়া হয় চার হাজার ১৯৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা৷ প্রতিবন্ধী এবং শিক্ষা উপবৃত্তি খাতে তিন হাজার ৮৪৫ কোটি চার লাখ টাকা৷ বিধবা ভাতা দুই হাজার ২৭৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা৷ সামাজিক নিরাপত্তার শীর্ষ খাত এই তিনটি৷
২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মোট বরাদ্দ ছিলো এক লাখ ৩৬ হাজার ২৬ কোটি টাকা৷
বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে চালু হয়৷ দরিদ্র এবং আয় ক্ষমতা হারানো বৃদ্ধদের সামাজিক সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এটি চালু হয়েছিল৷ বয়স্ক ভাতা কার্যক্রমের উপকারভোগীর সংখ্যা এখন ৬২ লাখ৷ এর মধ্যে ৫৯ লাখ ৯৫ হাজার বয়স্ক ব্যক্তি মাসিক ভাতা ৭০০ টাকা এবং ৯০ বছর ঊর্ধ্ব দুই লাখ পাঁচ হাজার বয়স্ক ব্যক্তি মাসিক এক হাজার টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন৷
২৯ লাখ বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতার মধ্যে ২৮ লাখ ৭৫ হাজার জন ৭০০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন৷ ৯০ বছর ঊর্ধ্ব ২৫ হাজার বিধবা ও স্বামী নিগৃহীত পাচ্ছেন মাসিক এক হাজার টাকা হারে৷
প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রমের উপকারভোগী মোট ৩৬ লাখ৷ প্রতিবন্ধীর মধ্যে ৩৫ লাখ ৮১ হাজার ৯০০ জন মাসিক ৯০০ টাকা হারে এবং ১৮ হাজার ১০০ জন মাসিক এক হাজার টাকা হারে প্রতিবন্ধী ভাতা পান৷
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও মেধাবৃত্তির মাসিক হার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চতর স্তরে যথাক্রমে ৯৫০ টাকা, এক হাজার টাকা, এক হাজার ১০০ টাকা এবং এক হাজার ৩৫০ টাকা৷
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৷ মাসিক ভাতার হার ৭০০ টাকা ৷
অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও মেধাবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫ হাজার ৩৩৮ জন৷ এ ক্ষেত্রে বৃত্তি ও মেধাবৃত্তির মাসিক হার প্রাথমিক স্তরে ৭০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৮০০ টাকা, উচ্চমাধ্যমিক স্তরে এক হাজার টাকা এবং উচ্চতর স্তরে এক হাজার ২০০ টাকা ৷
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ৬৫ হাজার ৷ তাদের এককালীন সহায়তার পরিমাণ এখন এক লাখ টাকা৷
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ২০০ জন৷ এই কর্মসূচির আওতায় একজন মা মাসিক ৮৫০ টাকা হারে ভাতা পান৷
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে সুবিধাভোগী পরিবারের সংখ্যা ৬০ লাখ৷ এ কর্মসূচির আওতায় প্রতি পরিবার কেজি প্রতি ১৫ টাকা দরে মাসে ৩০ কেজি করে মোট ছয় মাস খাদ্য সহায়তা পেয়ে থাকে৷ এর বাইরে আরো অনেক প্রকল্প আছে৷
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, ‘‘সরকার আগের সে সামাজিক নিরাপত্তার খাতগুলো আছে সেগুলো সংস্কার করবে৷ কারণ এখানে রাজনৈতিক বিবেচনায় উপকারভোগীদের নির্ধারণ করা হয়েছে৷ ফলে যারা প্রয়োজন নেই সে সুরক্ষা পেয়েছে৷ যার প্রয়োজন সে পায়নি৷ প্রচুর অপচয় হচ্ছে৷ এগুলো ঠিক করা হচ্ছে৷''