1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ট্রাম্পের পর পুটিনের চীন সফর

১৯ মে ২০২৬

ডনাল্ড ট্রাম্পকে আতিথ্য দেওয়ার কয়েক দিন পরই ভ্লাদিমির পুটিনকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং৷

https://p.dw.com/p/5DyLH
ভ্লাদিমির পুটিন ও শি জিনপিং (ফাইল ফটো)
ধারণা করা হচ্ছে, শি জিনপিং এবং ভ্লাদিমির পুটিনের আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে৷ছবি: Alexander Kazakov/Sputnik/REUTERS

চলতি সপ্তাহেই বেইজিং সফরে যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন৷ এ সফরে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক হবে তার৷ ‘চীন-রাশিয়া সুপ্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তি' হয়েছিল ২০০১ সালে৷ সেই চুক্তির ২৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বেইজিং যাচ্ছেন পুটিন

তবে সফরের সময়টা অন্য কারণেও প্রণিধানযোগ্য৷ কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরের কয়েক দিনের মধ্যেই বেইজিংয়ে পা রাখতে চলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট৷

ধারণা করা হচ্ছে, শি জিনপিং এবং ভ্লাদিমির পুটিনের আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে৷

ইউক্রেনে আগ্রাসনের জেরে মস্কো যখন পশ্চিমা বিশ্ব থেকে ‘একঘরে', ঠিক সেই সময়েই রাশিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে চীন৷ রাশিয়া যেসব পণ্য আমদানি করে, তার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এখন চীন সরবরাহ করে৷ অন্যদিকে রাশিয়ার মোট রপ্তানির এক-চতুর্থাংশের বেশি পণ্যই কিনে নেয় চীন৷

বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ শি জিনপিং ও ডনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরের কয়েক দিনের মধ্যেই বেইজিংয়ে পা রাখতে চলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট৷ছবি: Mark Schiefelbein/AP Photo/picture alliance

তবে বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অংশীদারিত্বের এক ধরনের সামরিক মাত্রাও রয়েছে৷ ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, চীনা কোম্পানিগুলো শেল কোম্পানি, অর্থাৎ ছদ্ম-প্রতিষ্ঠানের আড়ালে রুশ অস্ত্র উৎপাদনকারীদের কাছে ড্রোন ইঞ্জিন পাঠিয়েছে৷ তবে বেইজিং বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে৷

জার্মানির মার্কেটর ইনস্টিটিউট ফর চায়না স্টাডিজ (এমইআরইসিএস)-এর গবেষক ক্লাউস সুং মনে করেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেইজিং বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে৷ ডিডাব্লিউকে তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া - দুই দেশেরই চীনকে প্রয়োজন, তবে তাদের প্রয়োজনের ধরন সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী৷ ওয়াশিংটন যেখানে চীনকে একটি ‘কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী' হিসেবে দেখতে চায়, সেখানে মস্কো চায় এমন একজন অংশীদার, যার ক্ষেত্রে ভূ-রাজনৈতিক ও জ্বালানি স্বার্থগুলো পরস্পরের পরিপূরক৷

ক্লাউস সুং মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে বেইজিংয়ের আলাদা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা, কিংবা রাশিয়া ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যকার উত্তেজনার বলয় থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই৷

জিন লিন/ এসিবি