‘বাংলাদেশে সরকারকে ক্ষিপ্ত না করে সাংবাদিকতা হয়′ | বিশ্ব | DW | 06.05.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

‘বাংলাদেশে সরকারকে ক্ষিপ্ত না করে সাংবাদিকতা হয়'

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিষয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল মনে করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাংবাদিকরা ততটুকুই প্রতিবাদ করেন, যতটুকু পর্যন্ত সরকার ক্ষিপ্ত হবে না৷ বিএনপি আমলে হলে বিষয়টি ভিন্ন হতো৷

‘ডয়চে ভেলে খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' ইউটিউব টকশোতে এ মন্তব্য করেন তিনি৷ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনার বিষয় ছিল ‘সাংবাদিকতার পুকুরে কুমির কারা'৷ অনুষ্ঠানটিতে এছাড়াও ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল৷ সঞ্চালনা করেন ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীন৷

আসিফ নজরুল বলেন, ‘‘যে পরিমাণ নিষ্ঠুরতা সাংবাদিকদের সাথে করা হয়েছে, তার প্রতিবাদ সেভাবে করা হয়নি৷ আজকে এটা বিএনপি আমলে হলে বিষয়টি ভিন্ন হতো৷''

তিনি যোগ করেন, ‘‘২০১৩ সাল পর্যন্ত সাংবাদিকরা ‘পুতুপুতু' আন্দোলন করত না৷ আজকে সরকারের সহনীয় পর্যায়ে সাংবাদিকরা প্রতিবাদ করে, যতটুকু পর্যন্ত করলে সরকার ক্ষিপ্ত হবে না৷'' তবে বিএনপির আমলেও সাংবাদিকদের কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি৷

এই বিষয়ে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল জানান, সাংবাদিকতা কখনো কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না৷ সাংবাদিকদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভক্তির জন্য বিএনপি আমলের কথা উল্লেখ করেন৷

‘‘আমরা একতাবদ্ধ ছিলাম৷ রাজনৈতিক বিভক্তির জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করেন,'' বলেন তিনি৷

বর্তমান সরকার প্রধান সাংবাদিকবান্ধব কি না, দর্শকের কাছ থেকে নিয়ে এ প্রশ্ন করেন খালেদ মুহিউদ্দীন৷ জবাবে বুলবুল বলেন, ‘‘এটা আগের কোন সরকারপ্রধানের কাছ থেকেও পাই নাই৷''

তবে বর্তমান সরকারপ্রধান সাংবাদিকদের সহায়তা করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি৷ আর বর্তমান সরকার প্রধান সমালোচনা করে প্রশ্ন সহ্য করতে পারেন কি না এ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান তিনি৷ তবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘‘দর্শক যে প্রশ্ন করেছে তার উত্তর দেয়ার সাহস বুলবুল ভাই বা আমার কারোরই নাই৷''

দুই অতিথিই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কঠোর সমালোচনা করেন৷ আসিফ নজরুল বলেন, ‘‘বিএনপি আমলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ছিল না৷ এখন সেই আইনও আছে৷ তাই এখন অবস্থা আরো গুরুতর৷''

আর বুলবুল বলেন, ‘‘আইনটির বিরুদ্ধে আন্দোলনও করতে হবে, আবার সাংবাদিকদেরও এমনভাবে কাজ করতে হবে যেন এ আইনে তাদের ধরা না যায়৷''

এআই/জেডএ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়