বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে ছয় মাসে তিন শতাধিক শ্রমিক নিহত: জরিপ | বাংলাদেশ | DW | 01.07.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে ছয় মাসে তিন শতাধিক শ্রমিক নিহত: জরিপ

কর্মক্ষেত্রে ২৪১টি দুর্ঘটনায় গত ছয় মাসে বাংলাদেশে মোট ৩৩৩ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন৷ এরমধ্যে সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনায় নিহত ৪৯ জন৷ বেসরকারি সংস্থা এসআরএস -এর করা এক জরিপের প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে৷

জুনে সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং স্টেশন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে মারা যান প্রায় অর্ধশত

জুনে সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং স্টেশন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে মারা যান প্রায় অর্ধশত

ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে বেসরকারি সংস্থা সেইফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি (এসআরএস) এ জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে৷

গত বছরও একই সময়ে এমন একটি জরিপ প্রকাশ করেছিল তারা৷ তাতে ২২০টি কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ৩০৬ জন শ্রমিক নিহতের তথ্য দেওয়া হয়েছিল৷ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এবছরের জরিপের প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পরিবহণ খাতে সবচেয়ে বেশি ১৩৮ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন৷

সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিহত হয়েছেন ১০০ জন৷ এছাড়া নির্মাণ খাতে ৪৮ জন, কারখানা ও অন্যান্য উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে ২৬ জন এবং কৃষি খাতে ২১ শ্রমিক নিহত হয়েছেন৷

রানা প্লাজা দুর্ঘটনা কি পোশাক খাতে পরিবর্তন এনেছে?

শুধু সড়ক দুর্ঘটনাই ১৫৩ জন শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ ছিল৷ এছাড়া আগুনে পুড়ে ৫৭ জন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২৫ জন, শক্ত বা ভারি কোনো বস্তুর আঘাতে বা তার নিচে চাপা পড়ে ২৩ জন, উপর থেকে পড়ে গিয়ে ১৯ জন, বজ্রপাতে ১৫ জন, বয়লার বিস্ফোরণে ১৫ জন, রাসায়নিক দ্রব্য বা সেপটিক ট্যাঙ্ক বা পানির ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নয় জন মারা যান৷ পাহাড়, মাটি, ব্রিজ, ভবন, স্থান বা দেয়াল ধসে নয় জন এবং পানিতে ডুবে আট  শ্রমিক নিহত হন৷

জরিপের তথ্য প্রকাশকালে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক সেকেন্দার আলী মিনা বলেন, ‘‘পরিবহন খাতকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরো নজরদারি বাড়াতে হবে৷ তা না হলে, দুর্ঘটনা বাড়তেই থাকবে৷”

কারখানায় অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা না থাকা, কেমিক্যাল সংরক্ষণে অদক্ষতা ও অবহেলা, কারখানা ভবনে জরুরি বহির্গমন পথ না থাকা, কারখানা নির্মাণে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অনুমতি না নেওয়া, নিরাপত্তা বিষয়ে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ না দেওয়া সাম্প্রতিকালে অগ্নিদুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ বলে জরিপে উঠে আসে৷

এনএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

গত বছরের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন