করোনা সংকট মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 28.04.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

করোনা সংকট মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি

মঙ্গলবার থেকে দুই দিনের পরিবেশ সম্মেলনের প্রাক্কালে জার্মানিসহ একাধিক দেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার উপর জোর দিচ্ছে৷ করোনা সংকটের পর অর্থনীতি চাঙ্গা করার ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দাবি বাড়ছে৷

করোনা সংকটের মাঝে জলবায়ু পরিবর্তনের কুপ্রভাব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় কার আছে? আসলে এই সংকটের ফলে বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতি চাঙ্গা করার প্রশ্নেই পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির বিষয়টি উঠে আসছে৷ বিজ্ঞানীরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে স্থির করা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার জন্য হাতে বেশি সময় নেই৷ বিশেষ করে করোনা সংকটের কারণে জাতিসংঘের কপ২৬ পরিবেশ সম্মেলন ২০২১ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে দেবার ফলে এই আশঙ্কা আরো বাড়ছে৷ পরিবেশবাদীরাও শিল্পক্ষেত্রে দূষণের মাত্রা সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছেন৷ তাঁদের মতে, এমন সব কোম্পানি সরকারি আর্থিক সহায়তা নিতে এগিয়ে আসছে, যেগুলি অতিরিক্ত দূষণের জন্য কুখ্যাত৷ গ্রিনপিস সংগঠনের মতে, পেট্রোলিয়াম, বেসামরিক বিমান চলাচল ইত্যাদি শিল্প করদাতাদের অর্থ কাজে লাগিয়ে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে চাইছে৷

মঙ্গলবার ‘পিটার্সবার্গ ক্লাইমেট ডায়ালগ' নামে পরিচিত ৩০টি দেশের পরিবেশমন্ত্রীদের ভারচুয়াল সম্মেলনের প্রাক্কালে জার্মানির মতো কিছু দেশ ‘গ্রিন রিকভারি' বা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ভিত্তিতে অর্থনীতি চাঙ্গা করার প্রস্তাব দিয়েছে৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস-ও এই সম্মেলনে অংশ নেবেন৷

সম্মেলনের প্রাক্কালে জার্মানির পরিবেশমন্ত্রী স্ভেনিয়া শুলৎসে সংবাদ সংস্থা এপি-কে বলেছেন, আগের অবস্থায় ফিরে না গিয়ে করোনা-সংকট পরবর্তী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে আগামী কয়েক বছরে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত৷ ভবিষ্যতে এমন ‘ফিউচার প্রুফ' কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা উচিত বলে তিনি মনে করেন৷ গাড়ি শিল্পকে চাঙ্গা করে তুলতে অর্থনৈতিক প্রণোদনার অর্থ ব্যয় করে ইলেকট্রিক গাড়ি কেনায় উৎসাহ দেবার পক্ষে সওয়াল করেন শুলৎসে৷

 

জার্মান পরিবেশমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দেন, করোনা ভাইরাসের টিকা এখনো আবিষ্কার করা সম্ভব না হলেও জলবায়ু সংকটের প্রতিষেধক কী, তা সবাই জানে৷ তাঁর মতে, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎচালিত যানের ভিত্তিতে পরিবহণ, রিসাইক্লিং এবং বাসস্থানে জ্বলানি সাশ্রয়ের মতো পদক্ষেপের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের কুপ্রভাব মোকাবিলা করা সম্ভব৷

দুই দিনের সম্মেলনের সহ-আয়োজক ব্রিটেনের পরিবেশমন্ত্রী অলোক শর্মা বলেন, করোনা মহামারির মোকাবিলা করতে গোটা বিশ্বকে একযোগে কাজ করতে হবে৷ তাঁর মতে, এমন পুনরুদ্ধার কর্মসূচির প্রয়োজন, যা হবে পরিবেশবান্ধব এবং মজবুত এবং তাতে সবাইকে শামিল করতে হবে৷

 

বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে৷ সোমবার ৬৮টি কোম্পানি এক যৌথ বিবৃতিতে করোনা সংকট কাটাতে অর্থনৈতিক প্রণোদনার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বিষয়টি যুক্ত করার উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে৷

এসবি/এসিবি (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন