1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শেঙেন বাঁচাতে ইইউ মন্ত্রীদের চেষ্টা

ইউরোপের ২৬টি দেশে বসবাসকারী অধিবাসীরা ভিসামুক্তভাবে অন্য দেশে যেতে পারেন৷ ‘শেঙেন চুক্তি'-র আওতায় এই সুবিধা পান তাঁরা৷ তবে শরণার্থী সংকটের কারণে এই সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে৷

২০১৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ১০ লক্ষেরও বেশি শরণার্থী প্রবেশ করেছে৷ এখনও প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার করে শরণার্থী ঢুকছে৷ এর একটি বড় অংশ তুরস্ক থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে ঢুকছে৷ তারপর অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ছে৷

তবে এক্ষেত্রে গ্রিসের ভূমিকায় ইইউর অন্য দেশগুলো সন্তুষ্ট নয়৷ তাদের মতে, গ্রিসের উচিত তাদের সীমান্তে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা যেন শরণার্থীরা তুরস্ক থেকে ইইউতে প্রবেশই করতে না পারে৷

সোমবার থেকে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে ইইউর স্বরাষ্ট্র ও বিচার মন্ত্রীদের যে দুদিনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়েছে সেখানে গ্রিসকে শক্তহাতে তার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে চাপ দেয়া হবে৷

বৈঠক শুরুর আগে অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহানা মিকেল-লাইটনার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ইউরোপের বহির্সীমান্ত (তুরস্ক-গ্রিসের মধ্যে সমুদ্র সীমান্ত) রক্ষার মতো সামর্থ্য আছে গ্রিসের৷ ইউরোপের অন্যতম বড় নৌ-বাহিনী আছে তাদের৷''

সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে গ্রিসের উপর চাপ বাড়াতে দেশটিকে শেঙেন থেকে ‘সাময়িকভাবে বহিষ্কার' করা হতে পারে বলেও এর আগে মন্তব্য করেন লাইটনার৷

আমস্টারডামের বৈঠকে ইইউ-র বহির্সীমান্ত রক্ষায় কোস্টগার্ড মোতায়েন সহ অন্যান্য উপায় বের করার চেষ্টা করা হবে৷ ইইউ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক কদিন আগে সতর্ক করে বলেন, সমাধান বের করা না গেলে দুই মাসের মধ্যে শেঙেন ভেঙে পড়তে পারে

অস্ট্রিয়া সহ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে নিজেদের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে৷ শেঙেন চুক্তি অনুযায়ী, কোনো সদস্যরাষ্ট্র চাইলে ৩০ দিন পর্যন্ত এমন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করতে পারে৷ আমস্টারডামের বৈঠকে এই দিনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়