1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

তুরস্ক

একনায়কতন্ত্রের পথে হাঁটছে তুরস্ক

ইউরোপের সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্ক একনায়কতন্ত্রের পথে হাঁটছে৷ তাই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তুরস্কের সংবিধান সংশোধনের পক্ষে মত দিয়েছেন তাঁরা৷ একটি জার্মান পত্রিকা তাদের মন্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন করেছে৷

জার্মান-তুর্কি সাংবাদিক ডেনিজ ইউচেলের মুক্তি চান তাঁরা

জার্মান-তুর্কি সাংবাদিক ডেনিজ ইউচেলের মুক্তি চান তাঁরা

ভেনিস কমিশন হলো ইউরোপের সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞদের উপদেষ্টা কমিটি৷ এই কমিটির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘তুরস্কের বর্তমান অবস্থা প্রমাণ করে যে দেশটি গণতন্ত্রের পথ থেকে কতটা সরে গেছে বা যাচ্ছে৷’’ বুধবার জার্মান পত্রিকা ‘স্যুড ডয়চে সাইটুং’ তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন করেছে৷ সেখানে তাঁরা বলেছেন, ‘‘তুরস্কে যে সংবিধান প্রণয়নের কথা বলা হচ্ছে, সেটা কার্যকর হলে দেশটিতে স্বৈরশাসন কায়েম হবে৷’’ জানুয়ারিতে তুরস্কের পার্লামেন্ট সংবিধানে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে৷ আর তা অনুমোদন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এর্দোয়ান৷

সংবিধানের এ সব ধারার পরিবর্তনের ফলে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা আরও বাড়ছে৷ বিরোধী দলগুলো এরপর থেকেই বিক্ষোভ শুরু করেছে৷ কেননা সংবিধানের এ ধরনের পরিবর্তনের ফলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হবেন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী৷ যে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার এবং কার্যকর করার ক্ষমতা থাকবে তাঁর হাতে৷ এমনকি তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারবেন, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন যা অবৈধ৷ অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দল হবে রাষ্ট্রের অংশ অথবা স্বয়ং রাষ্ট্র, যা ভয়াবহ ঘটনা বলে মনে করেন তুরস্কের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেনিজ বাইকাল৷

জার্মানিতে সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

জার্মান-তুর্কি সাংবাদিক ডেনিজ ইউচেলকে সন্ত্রাসী সংগঠনের সমর্থনে প্রচারণার অভিযোগে কারাদণ্ড দিয়েছে তুরস্কের আদালত৷ এর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে জার্মানির রাজনীতিবিদরা৷ রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ জানাচ্ছে সাধারণ মানুষ৷ মঙ্গলবার জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ব্যস্ত সময়ে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন শত শত মানুষ৷ তাঁদের হাতে ছিল ব্যানার, আর মুখে উচ্চারিত হচ্ছিল ‘ফ্রি ডেনিজ’ অর্থাৎ ডেনিজকে মুক্ত করো৷ বিক্ষোভ মিছিলটি তুরস্কের দূতাবাসে পৌঁছায়৷ সাংবাদিক ডেনিজকে আটকের ঘটনায় সরাসরি নিন্দা জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল৷ ডেনিজ ইউচেল তুরস্কের কুর্দ অধিবাসীদের প্রতি তুর্কি সরকারের আচরণ সম্পর্কে একাধিক প্রবন্ধ লিখেছেন – যা তাঁকে আংকারার সুনজরে আনেনি বলে ধরে নেওয়া যায়৷

তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে সমন

মঙ্গলবার তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন পরররাষ্ট্রমন্ত্রী৷ তুরস্কে বাকস্বাধীনতার এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনতার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে সতর্ক করে দেন তিনি৷ ডেনিজকে কারাদণ্ডের ঘটনায় দু'দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে জানান তিনি৷ ২০০২ সালের পর এই প্রথম তুরস্কের কোনো জার্মান সাংবাদিকের কারাদণ্ড হলো৷

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর লাখো গ্রেপ্তার

গত বছরের জুলাইতে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর গণমাধ্যম, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মী, শিক্ষক, সেনাবাহিনীর সদস্য, পুলিশসহ লাখো মানুষকে গণগ্রেপ্তার করা হয়৷ এক লাখেরও বেশি মানুষকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হয়৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়