সোমবার থেকে জার্মান সীমান্তেও কড়াকড়ি | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 15.03.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

সোমবার থেকে জার্মান সীমান্তেও কড়াকড়ি

করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিলেও সীমান্ত বন্ধ করবেন না বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ কিন্তু এই ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যে অবশেষে জার্মানিও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ শুরু করেছে৷

জার্মান সংবাদমাধ্যম বিল্ড জানিয়েছে জার্মান সময় সোমবার সকাল ৮টা থেকে ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রিয়া সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে৷ তবে নিয়মিত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন চালু থাকবে৷ পর্যটনের জন্য বা জরুরি কোনো প্রয়োজন ছাড়া কাউকে এসব সীমান্ত দিয়ে জার্মানিতে ঢুকতে দেয়া হবে না৷

এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোর্স্ট সেহোফার, ফেডারেল স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েনস স্পাহন, বাভারিয়া রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্কুল স্যোডার, বাডেন-ভ্যুর্টেমবের্গের প্রধানমন্ত্রী ভিনফ্রিড ক্রেটশমান, সানল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী টোবিয়াস হান্স এবং রাইনলান্ড-পালাটিনেট রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মালু ড্রেয়ারের সঙ্গে টেলিফোন কনফারেন্সে কথা বলেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷

কেবল করোনা সংক্রমণ নয়, অন্য দেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের কেনাকাটা ঠেকানোও এ সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছে বিল্ড৷ ভবিষ্যতে আরো কড়াকড়ি এমন কি সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার মতো সিদ্ধান্তও আসতে পারে৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর সীমান্তে সাধারণত কোনো কড়াকড়ি থাকে না৷ তবে এরই মধ্যে ইইউ সদস্য বেশ কয়েকটি দেশ নিজেদের সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করেছে৷ জার্মানিও অবশেষে সে পথেই এগুলো৷

এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন প্রতিবেশী তিন দেশের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবে পুলিশ ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা৷ ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত পেরোনোর সময় কাগজ পরীক্ষা করে অনেককেই জার্মানিতে প্রবেশ করতে না দিয়ে ফেরত পাঠানো হবে৷

জার্মান সংবাদমাধ্যম স্পিগেল জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ডয়চে বান বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ট্রেন চলাচলেও কড়াকড়ি আরোপ করছে৷ কমিয়ে আনা হচ্ছে ট্রেন চলাচলের হার, চালু হয়েছে বিশেষ শিডিউল৷ সোমবার থেকে বনসহ বিভিন্ন শহরে বাসে টিকেট বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে৷ চালককে নিরাপদ রাখতে বন্ধ থাকবে বাসের সামনের দরজাও৷ কেবল পেছনের দরজা দিয়ে বাসে উঠতে পারবেন যাত্রীরা৷

এরই মধ্যে করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বিভিন্ন রাজ্য ও শহর নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নিয়েছে৷ এর মধ্যে রয়েছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া, সুইমিং পুল, ব্যায়ামাগারসহ নানা গণজমায়েতের স্থান বন্ধ করে দেয়া৷ অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে৷

এডিকে/এফএস (স্পিগেল, বিল্ড) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়