সেলাইয়ের মতো ভবন সাজান যে শিল্পী | অন্বেষণ | DW | 08.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

সেলাইয়ের মতো ভবন সাজান যে শিল্পী

বাড়িঘর, দোকানপাটের সাজসজ্জার নানা দৃষ্টান্ত দেখে আমরা মুগ্ধ হই৷ স্পেনের এক শিল্পী গ্রিডের উপর সেলাইয়ের কায়দায় অভিনব শিল্পসৃষ্টি করে সবার নজর কাড়ছেন৷ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তাঁর ডাক পড়ছে৷

ভিডিও দেখুন 03:15

রঙিন সুতোয় মোড়া বড় ক্যানভাস

সুইজারল্যান্ডের এস্টাভইয়ে ল্য লাক শহরে একটি বাড়ির কিছু অংশ গোলাপের সাজে ঢেকে গেছে৷ আসল ফুল নয়, ক্রস স্টিচ কায়দায় মোটা দড়ি গ্রিডের উপর বসানো হয়েছে৷ স্পেনের শিল্পী রাকেল রদরিগো ও তাঁর ৪ সহযোগী ২০ দিন ধরে গোলাপের এই বিন্যাস সৃষ্টি করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘সাধারণত ক্রস স্টিচ বলতে এমন সব বয়স্ক নারীদের কথা মনে আসে, যাঁরা চাদর বা রুমাল আকর্ষণীয় করে তুলতে সেলাই করেন৷ আমি এই শিল্পকে চার দেওয়ালের গণ্ডী থেকে বার করে আজ, এখানে, রাজপথে আনতে চাই৷ ক্রস স্টিচ ব্যবহার করে রাজপথে ছবি সৃষ্টি করতে চাই৷''

দু'জন করে মানুষ আটটি গ্রিডে সব মিলিয়ে ৩০ বর্গমিটার আকারের সৃষ্টিকর্ম বসানোর কাজ করেন৷ রাকেল অবশ্য কম্পিউটারের পর্দায় নিখুঁতভাবে সবকিছু ডিজাইন করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘সবার আগে আমি বাড়ির বাইরের অংশের ছবি ও মাপজোক সংগ্রহ করি৷ তারপর ভাবতে হয়, কীভাবে জানালাগুলির মাঝে গ্রিড বসাতে পারি৷ সেটা জানতে পারলেই ফটোশপের মাধ্যমে ছবির অংশগুলি আলাদা করে সৃষ্টি করি এবং সেগুলির সমন্বয়ে সব সম্ভাব্য কম্পোজিশন পরখ করে দেখি৷ এ হলো পিক্সেল নিয়ে খেলা৷''

শিল্প নিয়ে উচ্চশিক্ষার পর রাকেল সেট ডিজাইনার ও ইন্টিরিয়ার ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন৷ ২০১১ সালে তিনি একটি দোকানের শোকেস সাজাতে গিয়ে প্রথমবার ক্রসস্টিচ পদ্ধতি কাজে লাগান৷ তারপর থেকে এমন সজ্জা তাঁর বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ স্পেনের শহরগুলির কেন্দ্রস্থলে হোটেল, রেস্তোরাঁ, দোকান ও ভবনের বাইরের অংশে তাঁর তৈরি সাজসজ্জা দেখা যায়৷

এখনো পর্যন্ত তাঁর সবচেয়ে বড় শিল্পকর্মে ব্যাপ্তি ছিল প্রায় ৭৭ বর্গমিটার৷ স্পেনের এক বিয়ার প্রস্তুতকারক কোম্পানির বিজ্ঞাপন অভিযানের জন্য তিনি সেটি সৃষ্টি করেছিলেন৷ তাঁর সৃষ্টিকর্মের স্থায়িত্ব আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে৷ ৫ বছর পর্যন্ত দড়িগুলি অক্ষত থেকে৷ যেমনটা স্পেনের ভালেন্সিয়া শহরে এক গয়নার দোকানে শোভা পাচ্ছে৷ রাকেল বলেন, ‘‘বছর দুয়েক আগে আমি এই কাজটি করেছিলাম৷ ভালেন্সিয়া শহরে প্রায় সবসময় রোদ থাকে বলে কোনো এক সময় রং ফিকে হয়ে যায়৷ তবে উপকরণ অক্ষত থাকে৷''

সুইজারল্যন্ডে পাঠানোর প্রস্তুতি হিসেবে রাকেল রদরিগো গ্রিডগুলি গালিচার মতো গুটিয়ে রাখেন৷ সেখানে ‘আর্টিচোক'  শিল্প উৎসবের সময় এস্টাভইয়ে ল্য লাক শহরের বাড়ির গোলাপসজ্জা চোখ কাড়ার মতো হবে বলে তাঁর আশা৷

ক্রিস্টিয়ান ভাইবেসান/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন