শিশুদের ‘ডে কেয়ার সেন্টারের′ ফি বাতিল করেছে বার্লিন | বিশ্ব | DW | 05.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

শিশুদের ‘ডে কেয়ার সেন্টারের' ফি বাতিল করেছে বার্লিন

জার্মানির বার্লিনে বসবাসরত অভিভাবকদের জন্য সুখবর৷ আগস্ট মাস থেকে শিশুকে ‘ডে কেয়ার' বা ‘চাইল্ড কেয়ার' সেন্টারে পাঠানোর জন্য বাড়তি কোন টাকা গুনতে হবে না৷ জার্মানির আরো কয়েকটি রাজ্য একই পথ অনুসরণ করতে যাচ্ছে৷

বার্লিনের আঞ্চলিক সরকার গত সোমবার জানিয়েছে যে, আগস্ট মাস থেকে বার্লিনের অভিভাবকরা শিশুর বয়স এক বছরের কম হলেও মিউনিসিপ্যাল ডে কেয়ার সেন্টারে তাদের দেয়ার জন্য কোন ফি দিতে হবে না৷ ২০০৭ সাল থেকে বিভিন্ন বয়সসীমার শিশুদের জন্য ডে কেয়ারের ফি বাতিল করতে শুরু করে বার্লিন কর্তৃপক্ষ৷ সর্বশেষ ফি বাতিলের মাধ্যমে সব বয়সসীমার শিশুই এখন বিনা খরচায় ডে কেয়ার সেন্টার সময় কাটাতে পারবে৷

তবে ডে কেয়ার সেন্টারে শিশুদের খাবারের বিল এখনো অভিভাবকদের দিতে হবে৷ টাকার অংক অবশ্য সেটা খুব বেশি নয়৷

বার্লিনের শিক্ষা, তরুণ এবং পরিবার বিষয়ক সিনেটর সান্দ্রা শেরেস এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘বার্লিনের অনেক পরিবারের কাছে ডে কেয়ার সেন্টারে ফি দিতে হবে নাকি হবে না তা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে৷ তাই বিনা খরচায় শিশুকে ডে কেয়ার সেন্টারে দিতে পারলে অনেক পরিবার হালকা বোধ করবেন৷''

‘‘ডে কেয়ার সেন্টারগুলো হচ্ছে শিক্ষামূলক ইন্সটিটিউশন, আর শিক্ষা অবশ্যই বিনামূল্যে হতে হবে,'' বলেন তিনি৷

জার্মানির কেন্দ্রীয় পরিবার বিষয়ক মন্ত্রী ফ্রাৎসিসকা গিফে চান জার্মানির অন্যান্য রাজ্যের ডে কেয়ার সেন্টারগুলোও ক্রমশ ফি তুলে দিক৷ এ জন্য শিশুযত্ন খাতে আগামী চার বছরে সাড়ে তিন বিলিয়ন ইউরোর মতো খরচ করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার৷

নতুন এই আইন বার্লিনকে জার্মানির প্রথম রাজ্যে পরিনত করেছে, যেখানে মিউনিসিপ্যাল ডে কেয়ার সেন্টার পুরোপুরি ফ্রি৷ আর এর সুবিধা পাবে এক বছরের কম বয়সি ১৮,৫০০ শিশু৷

উল্লেখ্য, জার্মানির এক-তৃতীয় রাজ্যের অভিভাবকদের এখনো সন্তানকে ডে কেয়ার সেন্টারে দিতে পুরো অর্থ গুনতে হয়৷ তবে অন্যান্য রাজ্যে হয় সরকার কিছুটা ভর্তুকি দিচ্ছে অথবা বয়সভেদে ফি-র তারতম্য রয়েছে৷ শিশুর জন্য সবচেয়ে বেশি ফি দিতে স্লেশভিগ-হলস্টাইন রাজ্যে৷ সেখানে একটি পরিবারের আয়ের নয় শতাংশ শিশুর ডে কেয়ার সেন্টারের খরচ হিসেবে দিতে হয়৷

আপনার কোনো মতামত থাকলে লিখুন নীচে মন্তব্যের ঘরে৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ, কেএনএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন