শরণার্থী ইস্যুতে অনড় ম্যার্কেল | বিশ্ব | DW | 29.02.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

শরণার্থী ইস্যুতে অনড় ম্যার্কেল

শরণার্থী ইস্যুতে জার্মানিতে তাঁর জনপ্রিয়তায় অনেকটা ভাটার টান৷ তারপরও মানবতার পক্ষেই কথা বলছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ জার্মান চ্যান্সেলর জানিয়েছেন, শরণার্থী সংকট সমাধানে নিজের অবস্থান বদলাবেন না৷

ম্যার্কেলের ভাষায়, ‘‘(শরণার্থী ইস্যুতে) আমার কোনো প্ল্যান ‘বি' নেই৷'' জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল এআরডি-কে ঠিক এই কথাই বলেছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ চ্যানেলটিকে গত পাঁচ মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎকার দিলেন বিশ্ব রাজনীতিতে ‘লৌহমানবী' হিসেবে পরিচিতি পাওয়া জার্মান নেত্রী৷ এ সময়ে আরেক জার্মান চ্যানেল জেডডিএফ-এর সঙ্গেই শুধু একবার সবিস্তারে কথা বলেছেন তিনি৷

আগের দু'টি সাক্ষাৎকারের মতো রবিবার এআরডে-র আনে ভিলকে দেয়া সাক্ষাৎকারেও চলমান শরণার্থী সংকটই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে৷ ম্যার্কেলের বক্তব্যেও আসেনি তেমন কোনো পরিবর্তন৷ মানছেন, শরণার্থীর স্রোত প্রবল ঢেউ হয়ে জার্মানি এবং ইউরোপের রাজনীতিকেও নাড়িয়ে দিয়েছে৷ তা মেনে নিয়েই জানিয়েছেন, শরণার্থীর আগমন রোখার জন্য ইউরোপের সব দেশের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়াকেই সংকট নিরসনের সর্বোত্তম উপায় বলে তিনি মনে করেন না৷

তাঁর মতে, শরণার্থীদের কারণে অবশ্যই ‘পথ দুর্গম' হয়েছে, তবে জার্মানির জন্য ‘এটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এক ঐতিহাসিক ক্ষণ৷' ম্যার্কেল মনে করেন, এ পরিস্থিতিতে জার্মানির উচিত ‘ইউরোপকে একীভূত রেখে মানবতার পক্ষে অবস্থানটা ধরে রাখা৷'

গত কয়েকমাসে জার্মানিতে শরণার্থীদের ওপর আক্রমণ বেড়েছে৷ আবার নববর্ষ উদযাপনের রাতে কোলনসহ কয়েকটি শহরে নারীদের ওপর নজিরবিহীন নিপীড়নের ঘটনাও ঘটেছে, যার সঙ্গে উত্তর আফ্রিকা থেকে আসা শরণার্থীরাই যে বেশি জড়িত ছিলেন তা মোটামুটি নিশ্চিত৷ এ প্রসঙ্গে অবশ্য আইনকে সমুন্নত রেখে নাগরিক অধিকার সুরক্ষার প্রয়োজনীতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ত দিচ্ছেন ম্যার্কেল৷ এআরডিকে তিনি বলেছেন, ‘‘শরণার্থীদের কাছে প্রথম থেকেই আইনের দিকটি স্পষ্ট করতে হবে৷ মনে রাখতে হবে, সমাজে তাদের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়াটি শুধুই স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ নয়৷''

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি, রয়টার্স, এআরডি )

আঙ্গেলা ম্যার্কেল মনে করেন, সবকিছুর পরও শরণার্থী ইস্যুতে জার্মানির উচিত ইউরোপকে একীভূত রেখে মানবতার পক্ষে অবস্থান ধরে রাখা৷ আপনিও কি তা-ই মনে করেন? প্রিয় পাঠক, নীচে আপনার মতামত জানান৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন