লুকাশেঙ্কোর জন্মদিনে লাখো লোকের বিক্ষোভ | বিশ্ব | DW | 31.08.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বেলারুশ

লুকাশেঙ্কোর জন্মদিনে লাখো লোকের বিক্ষোভ

বেলারুশে প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কোর জন্মদিনেও বিশাল বিক্ষোভ হলো। বিক্ষোভের অনুমতি ছিল না। তা সত্ত্বেও পথে নামলেন এক লাখ মানুষ।

পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। তা সত্ত্বেও প্রায় লাখখানেক মানুষ পথে নামলেন রাজধানী মিনস্কের রাস্তায়। রোববার লুকাশোঙ্কো ৬৬ বছরে পা দিলেন। তাই বিক্ষোভকারীদের রাস্তায় নামার বাড়তি তাগিদ ছিল। প্রেসিডেন্টের জন্মদিনে তাঁর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করে তাঁরা বুঝিয়ে দিলেন, কিছুতেই সদ্যসমাপ্ত ভোটের ফল মানতে তাঁরা রাজি নন।

পুলিশ জানিয়েছে, ১২৫ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারণ, এই বিক্ষোভ ছিল বেআইনি। সমাবেশ বা মিছিলের কোনো অনুমতি দেয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা পথে নেমেছিলেন বলে ১২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  বিক্ষোভকারীরাও লুকাশেঙ্কোকে নিয়ে স্লোগান দিয়েছে, 'ওহে ইঁদুর, শুভ জন্মদিন'। তাঁরা লুকাশেঙ্কোর গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। 

গোড়া থেকেই লুকাশেঙ্কোর পাশে আছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন। তিনি ফোন করে লুকাশেঙ্কোকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন। অদূর ভবিষ্যতে লুকাশেঙ্কো রাশিয়া যাবেন বলেও ঠিক হয়েছে।

ভিডিও দেখুন 02:13

দেশ ছাড়লেন ‘ইউরোপের শেষ স্বৈরশাসকের’ প্রতিদ্বন্দ্বী

পুলিশ অবশ্য সেন্ট্রাল ইন্ডিপেন্ডেন্স স্কোয়ার ঘিরে রেখেছিল। বিক্ষোভকারীরা সেখানে যাওয়ার পরেই তাঁদের গাড়িতে করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা তখন 'শেম শেম' বলে চিৎকার করছিলেন। 

বিক্ষোভকারীরা লুকাশেঙ্কোকে ডাকেন ইউরোপের 'শেষ স্বৈরাচারী' বলে। গত দুই রোববারই হাজার হাজার মানুষ পথে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। বিক্ষোভের আকার ছিল রীতিমতো বড়।  পুলিশ কখনো খুব কড়া হাতে বিক্ষোভ দমন করার চেষ্টা করেছে। কখনো তারা কিছুটা নরম থেকেছে। তবে এই রোববার যে ভাবে বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে, সরকার আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারছে না। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী হুমকি দিয়ে বলেছেন, বেআইনি বিক্ষোভে অংশ নিলে বিক্ষোভকারীদের ফল ভুগতে হবে।

লুকাশেঙ্কো ১৯৯৪ সাল থেকে ক্ষমতায় আছেন। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ৮০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন। ইইউএই নির্বাচনকে মানেনি। ফলে ইইউ-র সঙ্গে লুকাশেঙ্কোর সংঘাত শুরু হয়েছে। রাশিয়া তাঁর পক্ষে আছে। আর বিক্ষোভ প্রবল হওয়া সত্ত্বেও লুকাশেঙ্কো গদি ছাড়তে নারাজ।

জিএইচ/এসজি(ডিপিএ, রয়টার্স, ইন্টারফ্যাক্স)

বিজ্ঞাপন