রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্বের অধিকার দেয়ার আহ্বান জাতিসংঘের | বিশ্ব | DW | 25.12.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্বের অধিকার দেয়ার আহ্বান জাতিসংঘের

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর সেনাবাহিনীর নীপিড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে৷ বিষয়টি দেখভালের জন্য একজন বিশেষ দূত নিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে প্রস্তাবে৷

রবিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অরগ্যানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন বা ওআইসি-এর একটি খসড়া প্রস্তাবটি পাস হয় ১২২-১০ ভোটে, ২৪ জন ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিলেন৷ চীন, রাশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওস, ফিলিপাইন্স, ভিয়েতনাম মিয়ানমারের পক্ষে ভোট দিয়েছে৷ এছাড়া মিয়ানমার সরকারকে ত্রাণ কর্মীদের প্রবেশে অনুমতি দেয়া এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরে আসার পরিবেশ তৈরি করা ও তাদের পূর্ণ নাগরিকত্বে অধিকার দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ঐ প্রস্তাবে৷ এই প্রস্তাবে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে মিয়ানমারে বিশেষ একজন দূত নিয়োগ দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে৷ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বাজেট কমিটি এর আগে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়ার জন্য ফান্ড দেয়ার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেয়৷

গত সপ্তাহে মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ইয়াংঘি লি জানিয়েছিলেন, মিয়ানমার সরকার তার সঙ্গে সবধরণের সম্পর্ক ছিন্ন করে তার মিয়ানমার যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে৷

এদিকে আগামী বছর মাল্টি ন্যাশনাল সেনা মহড়ায় অংশ নিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং থাইল্যান্ড৷

পেন্টাগনের মুখপাত্র ক্রিস্টোফার লোগান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘‘থাইল্যান্ডের বার্ষিক কোবরা গোল্ড মহড়ায় অংশ নিতে মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যেখানে হাজারো মার্কিন এবং থাই সেনা ও এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে আসা সেনারা অংশ নেবে৷''

তিনি জানান, মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, মানবিক ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় কীভাবে মানুষকে সাহায্য করতে হয় সেটা পর্যবেক্ষণ করতে৷ রয়্যাল থাই আর্মড ফোর্সেস-এর জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানান, ‘‘তারা এখনো জানেন না মিয়ানমার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে কিনা৷ কিন্তু থাইল্যান্ড চাইছে যাতে তারা এতে যোগ দেয়৷'' রোহিঙ্গাদের উপর সেনাবাহিনীর অত্যাচারের প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘আমরা ঐ বিষয়টি সরিয়ে রেখে আলোচনা করেছি৷ আমাদের ফোকাস হল প্রশিক্ষণ, শিক্ষা এবং সামরিক সহযোগিতার উপর৷ রোহিঙ্গা ইস্যু রাজনৈতিক ব্যাপার আর আমরা সেনা৷ আর এটা সামরিক মহড়া৷''

তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলেও কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন