যুদ্ধকালীন ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার জোলি | বিশ্ব | DW | 23.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

যুদ্ধকালীন ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার জোলি

তারকা অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস ধর্ষণকে যুদ্ধকৌশল হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন৷

মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে যৌথভাবে জোলি ও মাস একটি মতামত লিখেছেন৷ সেখানে তাঁরা যৌন নিপীড়নের শিকারদের প্রতি সহযোগিতার মাত্রা বাড়ানো এবং যুদ্ধে ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারকারীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷

তাঁদের এই বিবৃতি এলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকের ঠিক আগে৷ জার্মানি চাইছে এ বিষয়ে তাদের প্রস্তাব গৃহীত হোক৷ কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাবে ভেটো দেয়ার হুমকি দিয়েছে৷

অভিনেত্রী জোলি যুক্তরাজ্যের প্রিভেন্টিং সেক্সচুয়াল ভায়োলেন্স ইন কনফ্লিক্ট ইনিশিয়েটিভ-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা৷ তিনি জার্মানির এই উদ্যোগের একজন সমর্থক৷

মাস ও জোলি যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, তা হলো:

- সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ধর্ষণকে ‘এখনো বিচারের আওতায় আনা হয় না'৷

- যারা এ অপরাধ করছে, তাদের ওপর ‘সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব' করেছে জার্মানি৷

- এসব ‘অপরাধের সাক্ষ্য-প্রমাণ জোগাড় করতে' তদারকি আরো বাড়াতে হবে৷

- যারা যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন, তাঁদের প্রতি ‘সহযোগিতা বাড়াতে হবে'৷

- অপরাধের শিকাররা ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও আর্থিক সহায়তার দাবি রাখেন, যেন তাঁরা ‘সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকতে পারেন'৷

- এই প্রস্তাব পাশ হবার মধ্য দিয়ে যারা অপরাধ করছে, তাদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে যাবে যে, এখানে ‘ইমপিউনিটি'র আর কোনো সুযোগ নেই৷

জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএ কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছে যে, আনুষ্ঠানিকভাবে অপরাধ তদারকি করবার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি আছে চীন, যু্ক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার৷ তাই এ অংশটি বাদ দেয়া হয়েছে৷ এছাড়া নারীর যৌন ও মাতৃস্বাস্থ্য বিষয়ক কিছু অংশের বিবরণ ও শব্দের ব্যবহার নিয়ে আপত্তি আছে যুক্তরাষ্ট্রের৷

জেডএ/এসিবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন