মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যের শিকার নারী শিক্ষার্থীরা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 03.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জাপান

মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যের শিকার নারী শিক্ষার্থীরা

জাপানের টোকিও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নারী প্রার্থীরা লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ৷ পরীক্ষায় কৌশলে মেয়েদের নম্বর কমিয়ে দিয়ে ছেলেদের ভর্তির জন্য বিবেচনা করছে কর্তৃপক্ষ৷

কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, নারী ডাক্তাররা তাঁদের পরিবারিক জীবন শুরু করার পর আর কর্মক্ষেত্রে যোগদান করেন না, যা পরবর্তিতে হাসপাতালগুলোকে সংকটে ফেলে৷ অভাব দেখা যায় ডাক্তারদের৷ এ আশঙ্কা থেকেই নাকি কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য মেয়ে প্রার্থীদের চেয়ে ছেলে প্রার্থীদের বেশি যোগ্য বলে বিবেচনা করছে৷

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মেয়ে প্রার্থীদের মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে ১০ ভাগ কেটে নিয়ে ছেলে প্রার্থীদের ভর্তির সুযোগ করে দিচ্ছে৷ জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএইচকে, কিউডো নিউজ'সহ বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে এ খবর উঠে এসেছে৷ এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷

সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, টোকিও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় মেয়ে প্রার্থীদের সাফল্যের হার ছেলে প্রার্থীদের চেয়ে বেশি৷ ২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল শতকরা ৩৮ ভাগ৷ তবে আবার, সেই সংখ্যা ৩০ ভাগে নামিয়ে আনতে চাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অভিযোগ সংবাদমাধ্যমগুলোর৷

জাপানে চাকরি ও ব্যাক্তি জীবনে নারীদের লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার হওয়ার বিষয়টি নতুন নয়৷ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পরও নারীদের নিয়োগ বৈষম্য, পুরুষ সহকর্মীদের চেয়ে তুলনামূলক কম বেতন সহ নানা ধরনের বৈষম্যে শিকার হতে হয়৷ তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে নারীদের জন্য একটি বৈষম্যহীন ও সহেযাগীতামূলক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন৷

         

কর্তৃপক্ষের অস্বীকার

মেয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যমূলক এ আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মুখপাত্র অভিযোগের বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এ বিষয়টি তারা তদন্ত করে দেখছেন৷

বৈষম্যের এ বিষয়টিকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ইয়শিমাসা হায়াশি৷ এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছন তিনি৷ এদিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় পাঠকদের মধ্যে৷

নারীরা যেন শুধুমাত্র সন্তান জন্মদানের মেশিন৷ আর কোনো নারী সন্তানের জন্ম দিতে না চাইলে, তাদের বন্ধ্যা বলে উপহাস করা হয়৷' – এভাবেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মন্তব্য করেন এক জাপানি নারী৷  

আরআর/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন