মুগাবে-পরবর্তী জিম্বাবোয়ে নিয়ে অনিশ্চয়তা | বিশ্ব | DW | 16.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জিম্বাবোয়ে

মুগাবে-পরবর্তী জিম্বাবোয়ে নিয়ে অনিশ্চয়তা

সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর জিম্বাবোয়ের পরিস্থিতি এখনো অস্পষ্ট৷ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আন্তর্জাতিক তৎপরতা বাড়ছে৷ রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে একাধিক শক্তি চেষ্টা চালাচ্ছে৷

সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর জিম্বাবোয়ের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে৷ প্রতিশ্রুতি মেনে সৈন্যরা আবার পিছিয়ে এলেও ক্ষমতাকেন্দ্রে প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে ও তাঁর স্ত্রী গ্রেস কতটা আধিপত্য বজায় রাখতে পারবেন, তা বলা কঠিন৷

১৯৮০ সালে স্বাধীনতার পর থেকে জিম্বাবোয়ের একাধিক প্রজন্ম রবার্ট মুগাবেকেই দেশের শীর্ষ নেতা হিসেবে দেখে এসেছে৷ তাঁকে ছাড়া দেশ কীভাবে চলবে, তার কোনো দৃষ্টান্ত তাদের কাছে নেই৷ তবে মুগাবে পরিবারের কর্তৃত্ব শিথিল হলে দেশের চরম অর্থনৈতিক দুর্দশা কমে যাবে বলে অনেকে আশা করছেন৷ রাজধানী হারারেতে মানুষ সৈন্যদের উপস্থিতি সত্ত্বেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চালু রেখেছেন৷ 

জিম্বাবোয়ের বর্তমান পরিস্থিতির ফলে আন্তর্জাতিক স্তরেও অনেক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে৷ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট জেকব জুমা দুই মন্ত্রীকে সে দেশে পাঠিয়ে দু'পক্ষের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছেন৷ আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন জোট এসএডিসি বৃহস্পতিবার বৎসোয়ানায় মিলিত হয়ে জিম্বাবোয়ের নাটকীয় পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবে৷ আফ্রিকান ইউনিয়ন এক কড়া বিবৃতি প্রকাশ করেছে৷ এইউ-এর মতে, জিম্বাবোয়ের পরিস্থিতি সামরিক অভ্যুত্থানের মতো৷ সামরিক বাহিনীর উদ্দেশ্যে হস্তক্ষেপ বন্ধ করে সংবিধান মেনে চলার ডাক দিয়েছে এই রাষ্ট্রজোট৷

সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ব্রিটেন পরিস্থিতি শান্ত রেখে অনির্বাচিত কোনো নেতার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ডাক দিয়েছে৷

দেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে নানা রকম সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে৷ সামরিক বাহিনীর সঙ্গে রফা করে ক্ষমতা ছেড়ে মুগাবে পরিবার বিদেশে নির্বাসনে চলে যাবে, এমনটা মনে করছেন কিছু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ৷ ৯৩ বছর বয়স্ক রবার্ট মুগাবের মৃত্যুর পর স্ত্রী গ্রেসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য৷

জিম্বাবোয়ের ক্ষমতাকেন্দ্রে শূন্যতার সুযোগ নিয়ে কে দেশের হাল ধরার চেষ্টা করবে, সে বিষয়েও নানা জল্পনাকল্পনা চলছে৷ গত সপ্তাহে মুগাবে আচমকা ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়াকে বরখাস্ত করার পর তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় পালিয়ে যান৷ তিনি এক দীর্ঘ বিবৃতিতে মুগাবের নেতৃত্ব ও তাঁর স্ত্রী গ্রেসের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার নিন্দা করেছেন৷ নানগাগওয়া প্রেসিডেন্ট হবার চেষ্টা করতে পারেন৷ সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল কনস্টানটিনো চিভেঙ্গাও এই পদের দাবিদার হতে পারেন৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স , এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন