‘মাহমুদুর রহমান ধর্মীয় উস্কানি দিয়েছেন’ | বিশ্ব | DW | 11.04.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

‘মাহমুদুর রহমান ধর্মীয় উস্কানি দিয়েছেন’

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক না কেন, যথা সময়ে জাতীয় নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ৷ তাঁর আশা, প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেবে৷

আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে কারওয়ান বাজারের কার্যালয় থেকে গ্রেফতার করা হয় বৃহস্পতিবার সকালে৷ গ্রেফতারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি৷ তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হয়েছে৷ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু জানিয়েছেন, মাহমুদুর রহমান ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন এবং ধর্মীয় উসকানি দিয়েছেন৷ মাহমুদুর রহমানের পত্রিকা আমার দেশেই ব্লগারদের কথিত ধর্ম অবমাননার প্রতিবেদন ছাপা হয়৷

Dhaka, BANGLADESH: Executive Chairman of Bangladesh's Board of Investment (BoI) Mahmudur Rahman listens to unseen Thailand's Energy Minister Viset Choopiban during a meeting in Dhaka, 14 September 2006. Bangladesh's state-owned oil and gas company Petrobangla signed a deal with Thai company PTT Exploration and Production (PTTEP) to explore oil and gas in the highly prospective Bay of Bengal, Thai energy minister said. AFP PHOTO/ Farjana K. GODHULY (Photo credit should read FARJANA K. GODHULY/AFP/Getty Images)

আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান

মাহমুদুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া৷ এদিকে তাঁকে মুক্তি না দিলে লাগাতার হরতালের ঘোষণা দিয়েছেন নেজামে ইসলামীর চেয়ারম্যান এবং হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী৷ গণজাগরণ মঞ্চ এই গ্রেফতারে সন্তোষ প্রকাশ করেছে৷

বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের পর মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার বিরোধী দলকে দমন-পীড়ন কিনা, ডয়চে ভেলের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে৷ তাই পুলিশই মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে ভালো বলতে পারবে৷ কিন্তু তিনি ধর্মীয় উসকানি এবং রাষ্ট্রদোহিতার মত অপরাধ করেছেন৷ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা ভাঙচুর এবং নাশকতায় যে জড়িত, তার প্রমাণ আছে৷ তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তার কর্মীদের প্রকাশ্যেই বলেছেন, সংবাদ মাধ্যমের গাড়ি. অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এবং ওষুধের গাড়িতে হামলা চালানো যাবেনা৷ তাঁর এই বক্তব্যই প্রমাণ করে, এর বাইরে সবখানে হামলার অনুমোদন দিয়েছেন তিনি৷

নির্বাচন প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্তমান সংবিধানের অধীনে যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ আর এই নির্বাচন বা অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে সব সময় আলোচনার জন্য প্রস্তুত আছে সরকার৷ এই আলোচনা সংসদ বা সংসদের বাইরে হতে পারে৷

তিনি মনে করেন, নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত হবে৷ তাঁর মতে বিএনপি এখন আসলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করছেনা৷ তারা যুদ্ধাপরাধী এবং জামায়াত শিবিরকে রক্ষায় আন্দোলন করছে৷ নির্বাচনের আগেই কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি হয়ে গেলে আন্দোলনও থেমে যাবে৷ বিএনপি তখন আন্দোলন ছেড়ে নির্বাচনে অংশ নেবে বলে মনে করেন হানিফ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন