1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
আসাম
ছবি: Biju Boro/AFP/Getty Images

ভয়াবহ বন্যা উত্তর-পূর্ব ভারতে, আসামে মৃত ৭১

২০ জুন ২০২২

গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ বন্যা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি। আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে।

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B9-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4-%E0%A7%AD%E0%A7%A7/a-62187019

রাস্তায় ধস নেমে বন্ধ অরুণাচলের একাধিক পাহাড়ি রাস্তা। ত্রিপুরার একাধিক অঞ্চলে রাস্তায় নৌকা চলছে। বন্যা এবং ধসে বিধ্বস্ত মেঘালয়। বন্যা পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের তিনটি জেলায়। দার্জিলিং-কালিম্পংয়ের রাস্তায় ধস। তবে এখনো পর্যন্ত বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে আসামে। গত ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশু-সহ নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এবছর আসামের বন্যায় মোট মৃতের সংখ্যা ৭১ এ পৌঁছেছে। তবে চলতি বন্যায় এখনো পর্যন্ত মৃত্যু ৩৭ জনের। বহু মানুষ নিখোঁজ। ঘরছাড়া লাখ লাখ মানুষ।

আসাম
ছবি: Biju Boro/AFP/Getty Images

আসামের কাছার, হায়লাকান্দি, বরপেটা, কামরুপ, করিমগঞ্জ-সহ মোট ৩৩টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ। রোববার কাছারে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ধসের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। আসাম সরকারের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, এখনো পর্যন্ত বন্যা এবং ধসে প্রায় ৪২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বহু মানুষ বাড়িছাড়া। তাদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। রোববার চারজন নিখোঁজ হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

আসামের পাঁচ হাজার ১৩৭টি গ্রাম আপাতত জলের তলায় বলে প্রশাসন জানিয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বরপেটা জেলার। সেখানে ১২ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ বন্যার কারণে ঘরছাড়া। দারাং এবং নওগাঁওয়ের অবস্থাও ভয়াবহ। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় বেশকিছু গ্রাম কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছে। চর এলাকাতেও পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। কাজিরাঙা অভয়ারণ্যের ভিতরে বন্যার জল ঢুকেছে বলে জানা গেছে। প্লাবিত জঙ্গলসংলগ্ন একাধিক গ্রাম।

পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি

উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে একের পর এক ধস নামছে। ধস নেমে সমতল থেকে পাহাড়ে যাওয়ার মূল সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে গেছিল। উত্তরবঙ্গের তিনটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। আলিপুরদুয়ারে কোনো কোনো অঞ্চলে জল ঢুকতে শুরু করেছে বলে স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন। বক্সা এবং জয়ন্তীতে বন্যা শুরু হওয়ায় কিছু পর্যটক আটকে পড়েছেন।

আসাম
ছবি: Dasarath Deka/ZUMA Press/picture alliance

জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিপদসংকেত জারি হয়েছে। গজলডোবায় তিস্তা ব্যারেজের জল ছাড়া হচ্ছে। জল ছাড়া না হলে ব্যারেজ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা আছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে বন্যার আশঙ্কা আরো বেড়েছে। তারই মধ্যে আবহওয়া দপ্তর গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টির কমলা সংকেত জারি করেছে। যার ফলে পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে। কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Bangladesch | Dhaka Karwan Market

মূল্যস্ফীতির আরো চাপে সাধারণ মানুষ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান