বিজেপি সাংসদের বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল | বিশ্ব | DW | 08.09.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

বিজেপি সাংসদের বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

বুধবার সকালে ভাটপাড়ায় বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি। পরপর তিনটি বোমা মারা হয়।

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

সকাল সাড়ে ছয়টাতে ভাটপাড়া-জগদ্দল এলাকায় অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে বোমা পড়ল। অর্জুন একসময় তৃণমূলের বাহুবলী নেতা ছিলেন। গত লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি-তে যোগ দেন। সেই দাপুটে সাংসদকে ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে তাই সবসময় সিআইএসএফের জওয়ানরা প্রহরার কাজে বহাল থাকেন। অর্জুন অবশ্য বোমাবাজির সময় সেখানে ছিলেন না। তিনি দিল্লি এসেছিলেন। বুধবারই তিনি কলকাতায় ফিরছেন।

কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও বুধবার সকালে অর্জুনের বাড়ির কাছে জড়ো হন কয়েকজন যুবক। তারপর বাইকে করে জনা কয়েক যুবক এসে পরপর তিনটি বোমা তার বাড়ি লক্ষ্য করে মারে। প্রহরারত সিআইএসএফ কর্মীদের কাছেই বোমা ফাটে। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।

সিবিআই এখন আদালতের নির্দেশে ভোট পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে তদন্ত করছে। সেই সময়ও দেখা যাচ্ছে, রাজ্যে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা অব্যাহত। 

তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ''তৃণমূলের কর্মীরাই বোমা ফাটিয়েছে।'' দিলীপের দাবি, ''অর্জুন সিং ও তার পরিবারকে ভয় দেখাতেই তৃণমূল কাজ করেছে। অর্জুন সিংয়ের মতো নেতার মাথা নত করা যাচ্ছে না। তাই এই বোমা বিস্ফোরণ। এটা এখন রুটিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকার মানুষই এর জবাব দেবেন।''

রাজ্যপালের টুইট

ঘটনা ঘটার পরেই রাজ্যপাল টুইট করেন। তিনি বলেছেন, ''পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতা অব্যাহত। সাংসদের বাড়িতে বোমা মারা হয়েছে। এর থেকে ভয়ংকর ঘটনা আর কিছু হতে পারে না। আশা করছি, পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।''

কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে এইভাবে বোমা বিস্ফোরণের পর কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীরা। তার বাড়ির সামনে ১০-১৫ জন যুবক জমায়েত হয়েছে দেখেও কেন প্রহরারত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা কিছু বলল না? বোমা মারার পরেও তারা কেন কাউকে ধরতে পারল না? তারা কেন এত অপ্রস্তুত অবস্থায় থাকবে?

জিএইচ/এসজি (পিটিআই, হিন্দুস্তান টাইমস)