বিক্ষোভে মোদীর কনভয় আটকে থাকা নিয়ে তোলপাড় | বিশ্ব | DW | 07.01.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

বিক্ষোভে মোদীর কনভয় আটকে থাকা নিয়ে তোলপাড়

পাঞ্জাবে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কনভয় ২০ মিনিট আটকে থাকা নিয়ে তোলপাড়। সুপ্রিম কোর্টে মামলা। কড়া ব্যবস্থা চান মন্ত্রীরা।

মোদীর কনভয় পাঞ্জাবে বিক্ষোভে আটকে থাকা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।

মোদীর কনভয় পাঞ্জাবে বিক্ষোভে আটকে থাকা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।

দিনচারেক আগে পাঞ্জাবে হুসেইনিওয়ালায় শহিদ স্মারকে মালা দেয়ার পর ফিরোজপুরে জনসভা করতে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। ঠিক ছিল, তিনি ভাটিন্ডা বিমানবন্দরে নেমে হেলিকপ্টারে ফিরোজপুর যাবেন। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার জন্য তিনি হেলিকপ্টারে যেতে পারেননি। গাড়িতেই যান। যাত্রাপথে একটি উড়ালপুলে কৃষক বিক্ষোভের কারণে ১৫-২০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয় প্রধানমন্ত্রীকে। তারপর তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যান। পরে প্রধানমন্ত্রী টুইট করে বলেন, ''বেঁচে ফিরতে পেরেছি, এই যথেষ্ট।''

এরপরই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে জলঘোলা। বিজেপি অভিযোগ করেছে, এটা কংগ্রেসের ষড়যন্ত্র। বিজেপি-র আইটি সেলের প্রধান অমিত মালবীয় বলেছেন, কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীকে এমনিতে হারাতে পারছে না বলে, এভাবে 'এলিমিনেট' করতে চাইছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সব মন্ত্রী দাবি করেছেন, পাঞ্জাব সরকার এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত আইএএস ও আইপিএস অফিসারদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হোক। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং দাবি করেছেন, পাঞ্জাবে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক।

যারা এই দাবি তুলছেন, তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করা যায় না। কিন্তু পাঞ্জাব সরকার প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। ব্যবস্থা নেয়া মানে সংবিধানের ৩৫৫ ধারা অনুযায়ী রাজ্যকে সতর্ক করে দেয়া বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা। সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি বলেছেন, ''রাজ্য সরকারের কোনো গাফিলতি ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে করে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না। এমনিতে তিনি যেখান দিয়ে যাবেন বলে ঠিক ছিল, সেই সব রাস্তা খালি করা হয়েছিল। রাত তিনটে পর্যন্ত রাস্তা খালি করা হয়েছে।'' চান্নির দাবি, ''ফিরোজপুরে সাতশ জন মানুষ বিজেপির কর্মসূচিতে এসেছিলেন। তাই বাহানা করে তা বন্ধ করা হয়েছে। ইচ্ছে থাকলেই ফিরোজপুর পৌঁছানো যেত। অন্য রাস্তা দিয়ে যাওয়া যেত।''

কৃষক নেতারা কী বলছেন?

ভারতীয় কিসান ইউনিয়ন (ক্রান্তিকারি)-এর প্রধান সুরজিৎ সিংহ ফুল জানিয়েছেন, পুলিশ তাদের কাছে এসেছিল। বারবার তাদের পথ অবরোধ তুলে নিতে বলেছিল। তারা জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী এই রাস্তা দিয়ে যাবেন।  ফিরোজপুরের এসএসপি-ও এসেছিলেন। কিন্তু তারা ভেবেছিলেন, পুলিশ মিথ্যা কথা বলে অবরোধ তুলতে চাইছে। তাই তারা অবরোধ তোলেননি। 

সিধু যা বলেছেন

পাঞ্জাবে কংগ্রেসের সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু বলেছেন, ''প্রধানমন্ত্রী সাহেব, আমাদের কৃষকরা দিল্লির সীমানায় এক বছরের উপর ধরে রাস্তায় বসে অপেক্ষা করেছে, তখন তো কিছু হয়নি। আর আপনাকে মাত্র ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে, তাতেই গেল গেল রব তুলতে হচ্ছে?''

সিধু বলেছেন, ''প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিচ্ছেন, সামনে শুধু খালি চেয়ার পড়ে আছে, সেটা কি ভালো হতো? প্রধানমন্ত্রী তো সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের মতো নির্লজ্জ নন। তাই একটাই উপায়। মিডিয়ার নজর অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়া। সেটাই করা হচ্ছে।''

জিএইচ/এসজি (পিটিআই, এএনআই)