বাড়তি কর চাপানোর প্রস্তাবে উত্তপ্ত জার্মানির নির্বাচনি আঙিনা | বিশ্ব | DW | 15.06.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

বাড়তি কর চাপানোর প্রস্তাবে উত্তপ্ত জার্মানির নির্বাচনি আঙিনা

পেট্রল-ডিজেলের উপর বাড়তি কর, উচ্চবিত্তদের উপর বাড়তি করের বোঝার মতো প্রস্তাবের ফলে চাপের মুখে পড়ছে জার্মানির সবুজ ও এসপিডি দল৷ অন্যদিকে ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবির বাড়তি করের বিরুদ্ধে৷

জার্মানির সাধারণ নির্বাচনের প্রায় তিন মাস আগে রাজনৈতিক দলগুলি ইশতেহার প্রকাশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে৷ একদিকে পরিবেশ সংরক্ষণ আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি শোনা যাচ্ছে৷ অন্যদিকে সেটা সম্ভব করতে বাড়তি কর চাপানোর প্রস্তাবও শোনা যাচ্ছে৷ পেট্রল-ডিজেলের উপর বাড়তি বিক্রয়কর চাপানোর মতো প্রস্তাবের উল্লেখ করে জনপ্রিয়তার দৌড়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে সবুজ দল৷ প্রতিবেশী দেশ সুইজারল্যান্ডে গত সপ্তাহান্তের গণভোটে পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এমন প্রস্তাবের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন ভোটাররা৷ ফলে জার্মানির রাজনৈতিক দলগুলিও বিশেষ করে করোনা সংকটের শেষে জনসাধারণের উপর বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপানোর বিষয়ে সতর্ক হয়ে উঠছে৷

জার্মানির রক্ষণশীল সিডিইউ দল এখনো দলীয় ইশতাহার প্রকাশ করে নি৷ আগামী সোমবার সিডিইউ ও বাভেরিয়ার সিএসইউ দলের ইউনিয়ন শিবির সেটি প্রকাশ করবে৷ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সেই ইশতেহারের খসড়া উদ্ধৃত করে কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছে৷ দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর পর চ্যান্সলর হিসেবে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের বিদায়ের পর আবার ক্ষমতার শীর্ষে ফিরতে পারলে সেই শিবির সব রকম কর বাড়ানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে৷ এমন স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে ইউনিয়ন শিবির জনমত সমীক্ষায় সবুজ দলকে আরও পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করছে৷ নির্বাচনের পর সম্ভব হলে উদারপন্থি এফডিপি দলের সঙ্গে জোট গঠন করে সেই লক্ষ্য পূরণ করতে চায় ইউনিয়ন শিবির৷

এমন প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মনে সংশয় রয়েছে৷ সবুজ দল ও সামাজিক গণতন্ত্রী দল বিশেষ করে ধনীদের উপর করের বোঝা সামান্য বাড়িয়ে মধ্যবিত্তদের উপর সেই বোঝা কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে৷ তাছাড়া সম্পদের উপর আবার কর চালু করার প্রস্তাব রেখেছে এই দুই দল৷ তাছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হলে বাড়তি অর্থের জোগানের প্রয়োজন হবে বলে দুই দল মনে করে৷ কর না বাড়িয়ে ইউনিয়ন শিবির কোথা থেকে সেই অর্থ জোগাড় করবে, নির্বাচনি প্রচারে সেই চ্যালেঞ্জ তুলে ধরতে চায় সবুজ ও সামাজিক গণতন্ত্রী শিবির৷ সিডিইউ দলের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী ও বর্তমান অর্থমন্ত্রী ওলাফ শলৎস বলেন, ইউনিয়ন শিবির আগামী সরকারের নেতৃত্ব দিলে জার্মানিতে সমৃদ্ধি কমে যাবে৷

করোনি সংকটের কারণে জার্মানিকে প্রথা ভেঙে এমনিতেই বিশাল অংকের বাড়তি ঋণ নিতে হয়েছে৷ ফলে বছরের পর বছর ধরে চলে আসা ঘাটতিহীন বাজেট আপাতত আর সম্ভব নয়৷ ক্ষমতায় এলে ২০২৩ সালের মধ্যে শলৎস আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবার লক্ষ্য স্থির করেছেন৷ রক্ষণশীল শিবির বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণ করার লক্ষ্য স্থির করছে৷

এসবি/কেএম (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন