বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা জটিলতা নিয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূত যা বললেন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 01.09.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা জটিলতা নিয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূত যা বললেন

জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরও ভিসা পেতে দেরি নিয়ে গত কয়েকমাস ধরে অভিযোগ করছেন অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী৷ এ সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত আখিম ট্র্যোস্টার৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

০১. শিক্ষার্থী ভিসার ক্ষেত্রে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে কেন?

শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে দূতাবাসের যে সামর্থ্য, ভিসার চাহিদা তার চেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে৷ আবেদনের সংখ্যা আরো বাড়ছে৷ তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার জন্য ‘অপেক্ষার' (waiting) সময় বাড়াতে হচ্ছে৷ করোনা মহামারির কারণে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে৷

০২. শিক্ষার্থী ভিসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার ‘অপেক্ষার' সময় কত দিন?

২০২০ সালের শুরুর দিকে এ সময় এক বছরের বেশি ছিল৷ অনলাইনে আবেদন পূরণের সময় এই তথ্য দেয়া হয়েছে৷ সব আবেদনকারীকে জানানো হয়েছিল, পরীক্ষা কিংবা ভর্তির সময়সীমা শেষের দিকে থাকলেও অপেক্ষার সময় কমানো সম্ভব নয়৷

০৩. অপেক্ষার সময় দ্রুত কমানোর কোনো উপায় কি আছে?

দুর্ভাগ্যবশত না - ভিসা সেকশনের কাজ নতুন করে সাজানোর অবাস্তব পরামর্শ সত্ত্বেও নয়৷

ভিসা সেকশন যতটুকু সম্ভব আবেদন গ্রহণ ও তা নিয়ে কাজ করছে৷ করোনা মহামারির কারণে আমাদের ক্লায়েন্ট ও কর্মীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভাবতে হচ্ছে৷ সবসময় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে৷ আরো ডকুমেন্ট গ্রহণ সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় গতি আনবে না৷ ভিসার আবেদন নিষ্পত্তির বিষয়টি শুধু কাউন্টারের সংখ্যার উপর নয়, কোনো একজন কর্মীর দক্ষতার উপরও নির্ভর করে৷ ইতিমধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন পাওয়া গেছে এবং সেই সংখ্যা আরো বাড়ছে৷ অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, অপেক্ষার সময় কমানোর জন্য অ্যাডহক ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া যুক্তিসঙ্গত নয়৷ বরং এতে সমস্যা বাড়ে, এমনকি কাজ স্থগিতও রাখতে হয়৷

০৪. শিক্ষার্থী ভিসা নিষ্পত্তির জন্য কি ‘নতুন টিম’ এসেছে?

না৷ জার্মান দূতাবাস জার্মানি থেকে দুজন নতুন সহকর্মীকে স্বাগত জানিয়েছে৷ তারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়া সহকর্মীদের জায়গায় এসেছেন৷ দুর্ভাগ্যবশত, তারা অতিরিক্ত কর্মী হিসেবে আসেননি৷ ফলে তাদের আসার কারণে শিক্ষার্থী ভিসা নিষ্পত্তি করতে দূতাবাসের সামর্থ্য বাড়েনি৷ অতীতের মতোই আমাদের সব সহকর্মী কঠিন পরিস্থিতিতে চাপ নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করছেন৷ এমন অসন্তোষজনক পরিবেশে তারাও সমানভাবে ভুগছেন, কিন্তু তারা তাদের সেরাটা করার চেষ্টা করছেন৷

০৫. এই পরিস্থিতিতে ভিসা সেকশন কি শুধু শিক্ষার্থী ভিসা নিয়ে কাজ করতে পারতো না?

আইনগত কারণে ভিসা সেকশন শুধু শিক্ষার্থী ভিসা নিয়ে কাজ করতে পারে না৷ তাছাড়া ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসা আবেদনের মতো অনেক জরুরি ও বৈধ ভিসা আবেদনও আছে, যেগুলো বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট৷ সে কারণে অন্য সব ভিসা আবেদনের চেয়ে শিক্ষার্থী ভিসাকে অগ্রাধিকারে নেয়া ঠিক নয়৷

০৬. দূতাবাস কি এটা নিশ্চিত করতে পারবে যে, শিক্ষার্থীরা জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক উপস্থিতির সময়সীমা মিসড করবে না?

ওয়েবসাইটে আবেদন করার সময়ই দূতাবাস সব আবেদনকারীকে জানিয়ে দিয়েছিল যে, পরীক্ষা ও ভর্তির সময়সীমা বিবেচনা করা সম্ভব নয়৷

জেডএইচ/এসিবি (সূত্র: জার্মান দূতাবাস ঢাকা)

দেখুন ২০২০ সালে ছবিঘর...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়