পুরনো গাড়ি সংগ্রহ তার নেশা ও পেশা | অন্বেষণ | DW | 04.03.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

পুরনো গাড়ি সংগ্রহ তার নেশা ও পেশা

জার্মানির মিশায়েল ফ্র্যোলিশ পুরনো গাড়ি সংগ্রহ করেন৷ কিছু গাড়িকে তিনি নতুন করে ডিজাইনও করেন৷ আবার কিছু গাড়ি আছে যেগুলোকে তিনি ইচ্ছে করেই জঙ্গলে ফেলে রেখেছেন৷ গাড়িগুলোতে যে মরিচা পড়ছে, সেটা দেখতে নাকি তার ভালো লাগে৷

মিশায়েল ফ্র্যোলিশ একজন ক্লাসিক কার ডিলার, কার ডিজাইনার, অভিজাত জীবন পছন্দকারী এবং অনন্য সব গাড়ি সংগ্রাহক৷

বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগামী ইলেক্ট্রিক রেসিং কার ‘ইলেক্ট্রুস’৷ মিশায়েল ফ্র্যোলিশ এর নকশা করেছেন৷

জার্মানির ড্যুসেলডর্ফের কাছে মেটমান এলাকায় মিশায়েল ফ্র্যোলিশের গাড়িগুলো থাকে৷ বিভিন্ন জায়গা থেকে গাড়ি সংগ্রহ করে সেখানেই রাখেন তিনি৷ সেখান থেকেই বিক্রি করেন৷ তিনি বলেন, ‘‘মাঝেমধ্যে নিজেকে বাইবেলে নুহের মতো মনে হয়৷ মনে হয় নুহের আর্কের মতো কিছু করছি৷ মানে হচ্ছে, আমি সবধরনের গাড়ির একটা কপি রাখতে চাই, যেন আমার কাছে দারুণ সব গাড়ির সংগ্রহ থাকে৷’’

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গাড়ি ‘পিল’ও আছে তার সংগ্রহে৷

ভিডিও দেখুন 04:40

পুরনো গাড়িতে মরিচা পড়া দেখতে তার ভালো লাগে

পেশাজীবনে তার প্রথম সফলতা কিন্তু গাড়ি দিয়ে আসেনি৷ ১৯৮০-র দশকে ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে খ্যাতি কুড়িয়েছিলেন মিশায়েল ফ্রোলিশ৷

সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি বছর দশেক আগে একটি ইলেক্ট্রিক কার ডিজাইন করেন৷ ‘‘ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে আমি যেভাবে কাজ করেছি, গাড়ি ডিজাইনের সময়ও সেই পদ্ধতি ব্যবহার করেছি৷ শুরুতে আমি গাড়ির স্কেচ করে নিয়েছিলাম৷ ইলেক্ট্রুস একটা দ্রুতগামী গাড়ি৷ তাই দেখতে তিমি বা হাঙরের মতো হওয়া চাই,’’ বলেন তিনি৷

২০০০ সালে পুরনো গাড়ির স্তূপ বানিয়ে তিনি আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন৷ ড্যুসেলডর্ফের কাছে নিজের মালিকানায় থাকা জঙ্গলে তিনি ৫০টি পুরনো গাড়ি ফেলে রেখেছিলেন৷ নিজের ৫০তম জন্মদিনে এটা তার নিজেকে দেয়া উপহার ছিল৷ তার মতোই গাড়িগুলোও ১৯৫০ সালে তৈরি৷

মিশায়েল ফ্র্যোলিশ বলেন, স্তূপে থাকা গাড়িগুলো যদি সংস্কার করে রাস্তায় চলাচলের উপযোগী করা হতো তাহলে অনেক দাম পাওয়া যেত৷ অনেক মিউজিয়ামেই এমন সব গাড়ির দেখা পাওয়া যাবে৷ তবে এগুলো ব্যবহার করা না হলে প্রকৃতি এগুলোকে প্রাকৃতিক শিল্পকর্মে পরিণত করে, যা দেখতে ভালো লাগে৷

অস্বাভাবিক এই আর্ট ইন্সটলেশনের একটি স্পষ্ট বার্তা আছে৷ সেটা হচ্ছে, ‘‘সবকিছুর একটা পরিণতি আছে, হোক না সেগুলো দারুন সব রেসিং কার,’’ বলেন ফ্রোলিশ৷

গেয়ারহার্ড সনলাইটনার/জেডএইচ

২০১৯ সালের নভেম্বরের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়