‘ধরিত্রী সম্মেলনে রাজনীতিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ প্রয়োজন’ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 03.06.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

‘ধরিত্রী সম্মেলনে রাজনীতিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ প্রয়োজন’

ব্রাজিলের রিও দে জানেরো শহরে চলতি আসে অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘ ধরিত্রী সম্মেলন৷ বাংলাদেশের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত মনে করেন, এই সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে রাজনৈতিক পর্যায়ে যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ জরুরি৷

আগামী ২০ থেকে ২২ জুন ব্রাজিলের রিও দে জানেরোতে অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘ ধরিত্রী সম্মেলন৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন৷ বাংলাদেশের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘আমরা ধারণা করছি বিশ্বের ১২০টি'র বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন৷ ব্রাজিল সরকার সম্ভবত ১৬০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে৷ অর্থাৎ বলা যেতে পারে, পৃথিবীতে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যত রাষ্ট্রপ্রধান জড়িত হন, তার বাইরে সবচেয়ে বড় আয়োজন এটি৷''

রিও দে জানেরো'র এই সম্মেলনের বিষয়ে বাংলাদেশে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন'এর এই চেয়ারম্যান কাজি খলিকুজ্জামান আহমেদ এই কমিটির প্রধান৷ ড. আইনুন নিশাত নিজেও কমিটিতে রয়েছেন৷ এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আমরা একটি নিজস্ব প্রতিবেদন তৈরি করার চেষ্টা করছি যেটা হয়ত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ তৈরি হয়ে যাবে৷ সেখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত আইন, পলিসি, স্ট্র্যাটেজি সবকিছুই করেছে কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছুটা ধীরগতি, কিছুটা অর্থের অভাব, কিছুটা যোগ্যতার অভাব, কিছুটা মনটরিং'এর অভাব রয়েছে''৷

Bangladeschs Flüsse sind hochgradig verschmutzt. Überall in dem riesigen Flussdelta strömen Abwässer in die Flüsse. Auch Tonnen von Müll landen hier jeden Tag. Außerdem werden Flüsse zugeschüttet, um Bauland zu gewinnen. Fische gibt es kaum noch. Nun droht auch das Trinkwassersystem zu kollabieren. Foto: Tom Felix Joehnk, Undatierte Aufnahme, Eingestellt 26.08.2009, Freigabe durch den Fotografen

এভাবে দখলের ফলে নদী শুকিয়ে মরে যাচ্ছে

বলাবাহুল্য, বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ৷ এই দেশ বিভিন্ন পর্যায় থেকে অর্থ সহায়তা পেতে পারে, মনে করেন আইনুন নিশাত৷ এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের টাকার প্রয়োজন আছে, সেটা কেউ অস্বীকার করছে না৷ যারা টাকা দেবে তারাও টাকা দিতে প্রস্তুত৷ কিন্তু নিতে গেলে কিছু প্রক্রিয়ার ব্যাপার আছে৷ অর্থাৎ এই টাকাটা যারা দেবে মানে উন্নত দেশগুলো, তাদেরতো করদাতার টাকা৷ কাজের তারা চাইবে এই টাকা ব্যবহারে অ্যাকাউন্টিবিলিটি, টাকা ব্যবহারে স্বচ্ছতা এবং এর ব্যবহার যাতে যথোপযুক্ত জায়গায় হয় সেটির নিশ্চয়তা৷''

বাংলাদেশ থেকে একটি বড় প্রতিনিধি দল অংশ গ্রহণ করবে রিও+২০ সম্মেলনে৷ তবে এই দলে কারিগরী সদস্যদের সংখ্যাই বেশি৷ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এই সম্মেলনে অংশ নিলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনে অংশ নেবেন কিনা, সেটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায় নি৷

ড. আইনুন নিশাত মনে করেন, এই সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে রাজনীতিক পর্যায়ে যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ জরুরী৷ তিনি বলেন, ‘‘ড. খলিকুজ্জামান এবং তাঁর নেতৃত্বে অন্যান্য যারা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন, তারা হচ্ছেন কারিগরী কর্মকর্তা৷ কিন্তু রাজনীতিক পর্যায়ে যেন আমাদের অংশগ্রহণটা যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে সেই চেষ্টা করা প্রয়োজন৷ কারণ রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া কারিগরী বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ কোনদিনই কাজে আসবে না৷''

সাক্ষাৎকার: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন