‘দল নয়, দেশের কথা ভাবতে হবে′ | বিশ্ব | DW | 15.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

‘দল নয়, দেশের কথা ভাবতে হবে'

‘অ্যাশ ওয়েডনেসডে' উপলক্ষ্যে বুধবার জার্মানির রাজনৈতিক দলের নেতারা দল ও দেশের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন৷ সিডিইউ নেত্রী দলীয় স্বার্থের বদলে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবার ডাক দিয়েছেন৷

জার্মানির কিছু অংশে কার্নিভাল মরসুম শেষ হলো বুধবার৷ এবার প্রতীকী উপবাসের পালা৷ ঐতিহ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলি এদিন খোলামেলা পরিবেশে নেতাদের ভাষণের ব্যবস্থা করেছিল৷ তাঁরাও মন খুলে একে অপরকে খোঁচা দিয়ে বক্তব্য রেখেছেন৷ বলা বাহুল্য, এ বছর সরকার গড়ার কঠিন প্রচেষ্টার মাঝে দিনটি বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে৷ প্রস্তাবিত মহাজোটের শরিক দলগুলি অবশ্য একে অপরকে তেমন আক্রমণ করেনি৷ অন্যদিকে বিরোধী দলগুলি বড় দলগুলিকে সমালোচনার তিরে বিদ্ধ করতে ছাড়েনি৷

গত কয়েক মাসের অচলাবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সিডিইউ নেত্রী আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন, ‘‘আমরা যেভাবে লাগাতার নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি, তার বদলে জার্মানির মানুষ এবার স্থিতিশীল সরকার চায়৷''  তাঁর মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সব দলকে আত্মসমালোচনা করতে হবে৷ তাছাড়া দলের বদলে দেশের স্বার্থের কথা বেশি করে ভাবতে হবে৷ এসপিডি দলকে ছাড় দেবার প্রশ্নে দলের মধ্যে সমালোচনাও উড়িয়ে দেন তিনি৷ ম্যার্কেল বলেন, কোয়োলিশন চুক্তির মধ্যে সিডিইউ দলের নীতিগুলির যথেষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে৷ যেমন নতুন করে সরকারি ঋণ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত৷ এসপিডি দলের কোনো নেতা অর্থমন্ত্রী হলেও তাঁকে সেই নীতি মেনে চলতে হবে৷ তাঁর আচরণের প্রতি কড়া নজর রাখা হবে৷

কোণঠাসা এসপিডি দলের মনোনীত শীর্ষ নেত্রী আন্দ্রেয়া নালেস সরাসরি ম্যার্কেলের আধিপত্য খর্ব করার কথা বলেন৷ তাঁর মতে, ম্যার্কেলকে চ্যালেঞ্জ করতে এসপিডি দলের প্রয়োজন৷ এই অবস্থায় নতুন করে আত্মপ্রকাশ করতে পারলে এসপিডি দল আবার প্রথম স্থান পেতে পারে৷ তবে তার জন্য দলের মধ্যে ঐক্যের প্রয়োজনের উপর জোর দেন তিনি৷ উল্লেখ্য, আগামী এপ্রিল মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন৷

বাভেরিয়ায় সিএসইউ দল গত নির্বাচনে বেশ কিছুটা সমর্থন হারানোর পর আগামী রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার শক্তিশালী হয়ে উঠতে চাইছে৷ রাজ্যের আগামী মুখ্যমন্ত্রী মার্কুস স্যোডারসহ দলের নেতারা জ্বালাময়ী ভাষণে নিজেদের রক্ষণশীল চরিত্র তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়েছেন৷ বিশেষ করে এএফডি দলের বাড়বাড়ন্ত কমিয়ে তাদের সমর্থকদের আবার দলে টানতে চান তাঁরা৷

বিরোধী এফডিপি, এএফডি, সবুজ ও বাম দলের নেতারা সরকার গড়ার বর্তমান প্রচেষ্টার নানা দিকের সমালোচনা করেন৷ বিশেষ করে দেশের নেত্রী হিসেবে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের কড়া সমালোচনা করেন অনেকে৷ এএফডি নেতা ক্রিস্টিয়ান লিন্ডনার ১২ বছর পর ম্যার্কেল জমানার সমাপ্তির ডাক দেন৷

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন