চুক্তিহীন ব্রেক্সিট মানে ‘ট্রাম্প-চুক্তি ব্রেক্সিট’: কর্বিন | বিশ্ব | DW | 02.09.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ব্রিটেন

চুক্তিহীন ব্রেক্সিট মানে ‘ট্রাম্প-চুক্তি ব্রেক্সিট’: কর্বিন

ব্রিটেনের লেবার পার্টির নেতা জেরেমি কর্বিন বলেছেন, চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট হলে ব্রিটেনকে ডনাল্ড ট্রাম্প ও বড় বড় মার্কিন কোম্পানির দয়ায় চলতে হবে৷ চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকানোরও অঙ্গীকার করেছেন তিনি৷

লেবার পার্টির নেতা জেরেমি কর্বিন

লেবার পার্টির নেতা জেরেমি কর্বিন

ইংল্যান্ডের সালফোর্ডে এক বক্তব্যে কর্বিন বলেন, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট হলে ব্রিটেনকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি একপক্ষীয় চুক্তিতে যেতে হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে যাবে৷ ‘‘বরিস জনসনের মধ্যে ট্রাম্প একজন অনুগত ব্রিটিশ নেতা পেয়েছেন, যিনি তাঁর কথায় নাচেন,'' বলেন তিনি৷

বরিস জনসনের সংসদ মুলতবি রাখার ঘোষণা ‘গণতন্ত্রের উপর আঘাত' বলেও মন্তব্য করেন কর্বিন৷ অন্যান্য দলের সঙ্গে মিলে লেবার পার্টি দেশকে খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি৷ এরপর ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচন প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন কর্বিন৷

এদিকে, কনজারভেটিভ দলের যে সাংসদরা চুক্তিহীন ব্রেক্সিট সমর্থন করবেন না, তাঁদের পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে না, বলে হুমকি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জনসন৷ এছাড়া সংসদে তাঁদের দলীয় সদস্যপদও বাতিল করা হবে বলে জানান তিনি৷ ফলে তাঁদের স্বতন্ত্র সাংসদ হয়ে যেতে হবে৷

Boris Johnson

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিরোধী কনজারভেটিভ সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকও বাতিল করেছেন জনসন৷

শিক্ষামন্ত্রী গেভিন উইলিয়ামসন বলেছেন, ‘‘ইইউ থেকে ব্রিটেনকে বের করার অঙ্গীকার করে ২০১৭ সালে আমরা নির্বাচিত হয়েছি৷ ফলে কর্বিন ও লেবার পার্টির মতো চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিরোধিতা করার মানে প্রধানমন্ত্রী ও একটি ভালো চুক্তি নিয়ে ব্রিটেনের বের হয়ে আসার ক্ষেত্রে ব্রিটেনের হাতকে দূর্বল করা৷''

উল্লেখ্য, বিরোধী সাংসদরা ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ইইউর সঙ্গে স্বাক্ষরিত হতে পারে এমন একটি নতুন চুক্তি দেখতে চাইছেন কিংবা অক্টোবর ৩১ তারিখের মধ্যে ব্রেক্সিট হওয়ার যে সময়সীমা, সেটি বাড়াতে ইইউর কাছে আবেদন করার দাবি জানিয়েছেন৷

গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর মঙ্গলবার আবারও সংসদ বসতে যাচ্ছে৷ এরপর চার সপ্তাহের জন্য (১৪ অক্টোবর পর্যন্ত) সংসদ স্থগিত হয়ে যাবে৷

সংসদ শুরুর আগে করণীয় ঠিক করতে সোমবার দিনের শেষে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী জনসন৷ তিনি একটি নতুন নির্বাচন ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে৷

জেডএইচ/কেএম (ডিপিএ, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন