গাজীপুরে প্রজাপতি গবেষণা পার্কের উদ্বোধন | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 05.06.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞান পরিবেশ

গাজীপুরে প্রজাপতি গবেষণা পার্কের উদ্বোধন

‘‘প্রজাপতি, প্রজাপতি... কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা,’’ প্রজাপতির সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই গানখানা লিখেছিলেন৷ তবে শুধু সৌন্দর্য দিয়েই নয়, প্রজাপতি তার চলনবলন দিয়েও মানুষকে নানানভাবে সহায়তা করতে পারে৷

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আজকাল অনেক কথা হচ্ছে৷ তার প্রভাবে বাংলাদেশের মানুষ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তা থেকে মুক্তির উপায় কী, এসব নিয়ে নীতিনির্ধারকরা বেশ চিন্তিত৷ চিন্তিত পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ'ও৷ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ মেরুর বরফ গলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় সেটা বিশ্বব্যাপী কতটা প্রভাব ফেলবে সে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তিনি সম্প্রতি অ্যান্টার্কটিকা সফর করে এসেছেন৷ আর শুক্রবার তিনি গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে প্রজাপতি গবেষণা পার্ক এর উদ্বোধন করলেন৷ সেখানে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরূপণে জীববৈচিত্র্যের নির্দেশক হিসেবে প্রজাপতি গুরুত্বপূর্ণ

ভূমিকা পালন করে৷

পার্কের প্রতিষ্ঠাতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ বাশারও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানব অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে পড়েছে৷ আর প্রজাপতি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন নির্দেশক৷ তাই এ হুমকি মোকাবেলায় প্রজাপতি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম৷

ড. বাশার বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ছয়শো প্রজাতির প্রজাপতি রয়েছে৷ তবে পার্কে দু'শো থেকে আড়াইশো প্রজাতির প্রজাপতি থাকবে৷ কেননা এটা একটা উন্মুক্ত পার্ক৷ সেখানে কোনো জাল টাঙানো হয়নি৷ তাই প্রজাপতি আসবে, যাবে৷ তিনি বলেন, ‘‘পার্কের আবহাওয়া কেমন থাকবে সেটার উপরও নির্ভর করবে প্রজাপতির উপস্থিতি৷''

তিনি বলেন, এটা একটা গবেষণা পার্ক৷ তাই আপাতত যারা বিজ্ঞানী এবং যাঁরা প্রজাপতি নিয়ে গবেষণা করতে চান তাঁরা প্রতি শুক্রবার পার্কে যেতে পারবেন৷ আর জনসাধারণের জন্য পার্ক খুলে দেয়ার সময়সীমা এখনো ঠিক হয়নি বলে জানান এই অধ্যাপক৷

২০০৭ সাল থেকে পার্ক প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন ড. বাশার৷ বন বিভাগ এজন্য ভাওয়াল উদ্যানে ১০ একর জায়গা বরাদ্দ দেয়৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন