গরু পাচারে বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিজিবির | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 19.07.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

গরু পাচারে বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিজিবির

ভারতের মাটিতে গরু সমাগম ও নদীপথে গরু পাচারে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নিষ্ক্রিয়তায় প্রশ্ন তুলেছে বিজিবি৷ ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদনের সূত্র ধরে এই সংক্রান্ত একটি বিবৃতি দিয়েছে তারা৷

বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি এস এস গুলেরিয়া স্বাক্ষরিত হিন্দি ভাষার এক বিবৃতির বরাত দিয়ে গত ১৩ জুলাই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ভারতের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস৷ ওই প্রতিবেদনে বিএসএফের বিবৃতি থেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ভারত থেকে গরু পাচারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ‘সম্পূর্ণভাবে সমর্থন' দিয়ে যাচ্ছে৷

ওই অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ দাবি করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷ বিজিবি বলছে, ‘‘ভারতীয় গরু পাচারকারীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় বাংলাদেশে এভাবে গরু পাচার করার কাজে অতি উৎসাহী হয়৷ এতে করে দেশীয় খামারিগুলো প্রায়শ ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷’’

এক্ষেত্রে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নীরবতা নিয়ে উলটো প্রশ্ন তুলেছে বিজিবি৷ তারা বলছে, ‘‘প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় চোরাকারবারীদের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় ভারতের মাটিতে গরু সমাগম ও নদীপথে গরু পাচারে বিএসএফের নিষ্ক্রিয়তা/তৎপরতার অভাব নিঃসন্দেহে বিভিন্ন প্রশ্নের অবতারণা করে৷’’

পাচারের কারণে দেশীয় খামারীরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য দেশের সীমান্তে গবাদী পশু চোরাচালান রোধে বিজিবির নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে প্রতিবাদলিপিতে৷ সীমান্ত এলাকায় জনসচেতনতামূলক সভা, রাত্রিকালীন পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷

বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য এক কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০টি পশু রয়েছে৷ গত বছর এক কোটির কিছু বেশি পশু কোরবানি হয়েছিল৷ মহামারির কারণে এ বছর তা আরও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

এফএস/জেডএ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন