‘কূটনীতি কাকে বলে ডাচদের শিখিয়ে দেব′ | বিশ্ব | DW | 13.03.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইউরোপ

‘কূটনীতি কাকে বলে ডাচদের শিখিয়ে দেব'

নেদারল্যান্ডসের ‘দেখে নেবেন' বলে হুমকি দিয়েছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী৷ জার্মানির পর সে দেশকেও নাৎসি ও ফ্যাসিস্ট তকমা দিয়েছেন তিনি৷ গোটা ইউরোপে তুর্কি মন্ত্রীদের নির্বাচনি প্রচার নিয়ে বিতর্ক চলছে৷

ন্যাটোর এক সদস্য দেশ অন্য এক সদস্য দেশের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা চাপানোর ডাক দিচ্ছে, এমনটা সত্যি অভূতপূর্ব ঘটনা৷ কিন্তু তুরস্ক নেদারল্যান্ডসের উপর চারিদিক থেকে চাপ বাড়াতে এমনটাই করছে৷ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান এই মুহূর্তে পশ্চিম ইউরোপের একাধিক দেশের প্রতি ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন৷ কারণ তাঁর মন্ত্রীরা সে সব দেশে বসবাসরত তুর্কি নাগরিকদের সামনে আসন্ন গণভোটের প্রচার করতে গিয়ে বার বার বাধার মুখে পড়ছেন৷ কখনো নানা সাংগঠনিক, নিরাপত্তাজনিত বা প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে প্রচারসভা বাতিল করা হচ্ছে, কখনো কূটনৈতিক পথে মন্ত্রীদের সফর কঠিন করে তোলার চেষ্টা হচ্ছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

তবে সপ্তাহান্তে নেদারল্যান্ডসে যা ঘটলো, তা বাকি ঘটনাগুলিকে ম্লান করে দেয়৷ তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভল্যুট চাভুশোলু রটারডাম শহরে একটি জনসমাবেশে ভাষণ দিতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু তাঁর বিমান অবতরণেরই অনুমতি পায়নি৷ আরেক মন্ত্রী জার্মানি থেকে স্থলপথে নেদারল্যান্ডসে প্রবেশ করেছিলেন৷ কিন্তু সে দেশের পুলিশ তাঁকে আবার জার্মানি সীমান্তে ফেরত পাঠিয়ে দেয়৷ উল্লেখ্য, নেদারল্যান্ডসে আগামী বুধবার সাধারণ নির্বাচন৷ বিষয়টি ভোটারদের মনে প্রভাব ফেলবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ চরম দক্ষিণপন্থি প্রার্থী গেয়ার্ট (বানানভেদে খেয়ার্ট) ভিল্ডার্স তুরস্কের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন৷ এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সরকারও অস্বাভাবিক কড়া অবস্থান নিতে কতকটা বাধ্য হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন৷

অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও তুর্কি মন্ত্রীদের বেশ কয়েকটি নির্বাচনি প্রচারসভা বাতিল করা হয়েছে৷ সুইজারল্যান্ডের পুলিশ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে৷ অস্ট্রিয়ায় বই প্রকাশের অনুষ্ঠানের আড়ালে রাজনৈতিক মঞ্চের পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ বাতিল করে দিয়েছে৷ তবে ফ্রান্সের মেৎস শহরে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাভুশোলু এক জনসভায় ভাষণ দিতে পেরেছেন৷ ডেনমার্ক তুর্কি প্রধানমন্ত্রীর সফর পিছিয়ে দিয়েছে৷

সংবিধান সংশোধন করে প্রেসিডেন্ট পদের হাতে আরও ক্ষমতা তুলে দিতে বদ্ধপরিকর এর্দোয়ান৷ এই প্রশ্নে আগামী ১৬ই এপ্রিল গণভোট অনুষ্ঠিত হবে৷ বিশেষ করে বিদেশে বসবাসরত সব তুর্কি ভোটারদের মন জয় করতে তিনি কোনো কার্পণ্য করছেন না৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ একাধিক মহল এর্দোয়ানের প্রয়াসকে গণতন্ত্র-বিরোধী হিসেবে সমালোচনা করে চলেছে৷ তবে ইউরোপে তুরস্কের মন্ত্রীদের রাজনৈতিক জনসভা মত প্রকাশের অধিকারের আওতায় পড়ে কিনা, তা নিয়ে ইইউ-র মধ্যেও কম বিতর্ক চলছে না৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন