কুর্দিদের দখল করা এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে ইরাকি বাহিনী | বিশ্ব | DW | 16.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরাক

কুর্দিদের দখল করা এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে ইরাকি বাহিনী

স্বাধীনতার দাবিতে গতমাসে একটি গণভোটের আয়োজন করেছিল ইরাকি কুর্দিরা৷ তাঁদের এই পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট হয়ে কুর্দিদের দখল করা এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করছে ইরাকি বাহিনী৷

সেই লক্ষ্যে রবিবার রাত থেকে অভিযান শুরু করে দেশটির ‘জয়েন্ট অপারেশনস কম্যান্ড'৷ এটি সরকার সমর্থিত বিভিন্ন বাহিনীর একটি গোষ্ঠী৷ সোমবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা কুর্দিদের কাছ থেকে কির্কুকের একটি সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর ও তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে জানা গেছে৷

কির্কুককে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস এর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করতে ইরাকি বাহিনী সমস্যায় পড়লে তাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছিল কুর্দি পেশমার্গারা৷ সেই সময় কুর্দিরা কির্কুকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশের দখল নিয়েছিল৷ কারণ তাঁরা পরবর্তীতে কুর্দি অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে একটি দেশ গড়তে চায়৷

এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরে একটি গণভোট আয়োজন করেছিল ইরাকি কুর্দিরা৷ তবে ইরাকের সরকার এই গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করেছে৷ তুরস্ক, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রও ঐ গণভোটকে স্বীকৃতি দেয়নি৷

গণভোটের পর কির্কুকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সেনাবাহিনীকে কাজে লাগাতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদিকে অনুমোদন দেয় দেশটির সংসদ৷

এরপরই সরকারি বাহিনী ও কুর্দিদের মধ্যে সংঘাত দেখা দেয়৷

কুর্দিদের হাতে ছয়টি তেলক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ ছিল৷ এগুলো থেকে প্রতিদিন তিন লক্ষ ৪০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়৷ তেলক্ষেএগুলো হচ্ছে, খোরমালা, বে হাসান, হাভানা, বাবা গার্গার, জম্বুর ও খাবাজ৷ এর মধ্যে সোমবার বাবা গার্গার তেলক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে ইরাকি বাহিনী৷

উল্লেখ্য, আইএসএর বিরুদ্ধে লড়তে কুর্দি পেশমার্গা এবং ইরাকি সৈন্যদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র৷ এখন এই দুই গোষ্ঠী একে অপরের সঙ্গে সংঘাত লিপ্ত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ তারা উভয়পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে৷

এদিকে, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে কির্কুকের অন্য তেলক্ষেত্রগুলো বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে কুর্দিস্থান প্রশাসন৷ তবে এমনটা না করতে ঐ প্রশাসনকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন