‘কুকুর ভোট দিতে পারে না′ | বিশ্ব | DW | 21.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

‘কুকুর ভোট দিতে পারে না'

আত্মসমালোচনার মাধ্যমে সদস্যদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন এসপিডি নেতারা৷ নতুন নির্বাচন হলে বিপর্যয়ের আশঙ্কায় সদস্যরা কোয়ালিশন চুক্তির পক্ষে ভোট দেবেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

ভোটাভুটি শুরু হয়ে গেছে৷ সেইসঙ্গে চলছে প্রচার অভিযান৷ দলের নেতৃত্ব কোয়ালিশন চুক্তি অনুমোদনের পক্ষে সওয়াল করছেন৷ যুব শাখাসহ দলের একাংশ সরকারে যোগ দেবার বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে৷ দলীয় গণতন্ত্রের এমন দৃষ্টান্ত অত্যন্ত বিরল ঘটনা৷ জার্মানির জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড সংবাদপত্র ‘বিল্ড' ৩ বছর বয়সি একটি কুকুরকে সম্প্রতি এসপিডি সদস্য হিসেবে নথিভুক্ত করে দাবি করেছে, সে-ও আগামী সরকার গঠনের সিদ্ধান্তে অংশ নিতে পারে৷ এসপিডি নেতৃত্ব অবশ্য সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বিল্ড-এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা করেছে৷

প্রচার অভিযানে সদস্যদের মন জয় করতে এসপিডি নেতারা খোলাখুলি নিজেদের ভুলত্রুটি স্বীকার করে নিচ্ছেন৷ মার্টিন শুলৎসকে আগেভাগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার পরিকল্পনা যে গোটা নেতৃত্বের ভুল ছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছেন এক নেতা৷ আরেক নেতা বলেছেন, সামাজিক গণতন্ত্রী নেতৃত্ব বারবার ভুল বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিয়েছে৷ তবে ভবিষ্যতে এমন ভুল এড়িয়ে চলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তাঁরা৷ কোয়ালিশন চুক্তি নিয়ে ভোটাভুটির পর দলকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উপরেও জোর দিচ্ছেন অনেকে৷

সর্বশেষ জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী এসপিডি দলের প্রতি জনসমর্থন তলানিতে এসে ঠেকেছে৷ তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এর ফলে শাপে বর হতে পারে৷ নতুন নির্বাচন হলে আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কায় এসপিডি দলের সদস্যদের একটা বড় অংশ মনেপ্রাণে না চাইলেও শেষ পর্যন্ত কোয়ালিশন চুক্তির পক্ষে ভোট দেবেন৷ সরকার গঠনের উদ্যোগ বিফল হলে ভোটাররা এসপিডি দলের উপর আরও ক্ষুব্ধ হতে পারেন৷

এসপিডি দলের মনোনীত শীর্ষ নেত্রী আন্দ্রেয়া নালেস বার্লিনে দলের মধ্যে চলমান বিতর্ককে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মতপার্থক্য সত্ত্বেও সবাই একে অপরের যুক্তি মন দিয়ে শুনলে আখেরে দলেরই লাভ হবে৷ তাঁর আশা, সংশয় সত্ত্বেও বেশিরভাগ সদস্য মহাজোট সরকারে যোগ দেবার পক্ষে সমর্থন জানাবেন৷ কোয়ালিশন চুক্তির মধ্যে এসপিডি দলের এত বিষয় স্থান পাওয়ার কারণে সেই সাফল্যের স্বীকৃতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ আগামী বছরগুলিতে সেইসব নীতি কার্যকর করতে পারলে এসপিডি দল আবার মানুষের সমর্থন ফিরে পাবে বলে দলের নেতৃত্ব আশা করছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন