কিশোরী হত্যাকারী শরণার্থীর সাড়ে আট বছরের জেল | বিশ্ব | DW | 03.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

কিশোরী হত্যাকারী শরণার্থীর সাড়ে আট বছরের জেল

এক জার্মান কিশোরীকে হত্যার দায়ে জার্মানিতে এক অভিবাসনপ্রত্যাশীর সাড়ে আট বছরের কারাদণ্ড হয়েছে৷ এই রায়ের ফলে নতুন অভিবাসন নীতি নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক৷

দক্ষিণ-পশ্চিম জার্মানির লানডাউ শহরের আদালত আবদুল ডি. নামের এক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে এ দণ্ড দিয়েছে৷ গত বছর কানডেল শহরের এক কিশোরীকে হত্যার দায়ে তাকে এ দণ্ড দেয়া হলো৷ আবদুলের পূর্ণ পরিচয় নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ধারণা করা হয় তিনি আফগানিস্তান থেকে এসেছেন৷

এই মামলা জার্মানিতে সবার আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল৷ রায় ঘোষণার সময় মিডিয়াকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়৷ চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের অভিবাসন নীতির বিরোধীরা স্বভাবতই এই সুযোগ লুফে নিয়েছে৷

আবদুল ডি'র আইনজীবী মাক্সিমিলিয়ান এনডের সাংবাদিকদের জানান, আদালতের রায় সঠিক হয়েছে, তাঁর মক্কেলও রায় ‘মেনে নিয়েছেন'৷

তবে এই রায়ে খুশি হননি অনেকেই৷ ৫৩ বছর বয়সি মার্টিন ম্যুলার ডয়চে ভেলেকে জানান, রেডিওতে রায়ের খবর শুনে তিনি ‘স্বতস্ফূর্তভাবেই' আদালতের সামনে হাজির হয়েছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনি জানেন কোন অপরাধের কী শাস্তি হওয়া উচিত৷ সাড়ে আট বছর যথেষ্ট না৷''

ক্রিস্টোফ হ্যুকস্ট্যাড্ট নামের আরেকজন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমি এটা ঠিক মনে করি না৷ তাকে অন্তত ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া উচিত ছিল৷ এটা একটা খুন৷''

ঈর্ষান্বিত হয়ে হত্যা

১৫ বছরের মিয়া ভি-কে এক ড্রাগস্টোরে তাঁর তখনকার বয়ফ্রেন্ড আবদুল ডি কুপিয়ে হত্যা করে৷ ২০ সেন্টিমিটার লম্বা ধারালো ছুরি দিয়ে মিয়া-কে সাত বার কোপ দেয়া হয়৷

কয়েক মাসের সম্পর্কের পর গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়৷ কিন্তু আবদুল এ বিচ্ছেদ মেনে নিতে পারেননি৷ বিচ্ছেদের পরপরই মিয়া এবং তাঁর বাবা-মা পুলিশকে জানান, আবদুল নানাভাবে তাঁদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে৷ তদন্তকারীদের ধারণা, সম্পর্ক ভেঙে ফেলায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন আবদুল৷

২০১৬ সালের বসন্তে জার্মানিতে প্রবেশ করেন আবদুল এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে নিবন্ধন করান৷ কর্তৃপক্ষের ধারণা, হত্যাকাণ্ডের সময়ও আবদুল অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন৷ জার্মানিতে হত্যার দায়ে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের জেল৷

অবশ্য আবদুলের বয়স আরো বেশি বলে মনে করেন তদন্তকারীরা৷ আবদুল নিজের বয়স ১৫ বছর দাবি করলেও, বিশেষজ্ঞ মেডিকেল রিপোর্ট বলছে, তার বয়স ১৭ থেকে ২০ বছরের মাঝামাঝি৷ তবে শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবেই ধরে নিয়েছে আদালত৷

রেবেকা স্টাউডেনমায়ার/এডিকে

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন