কলিনগ্রাদে প্রস্তুত রাশিয়ার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র! | বিশ্ব | DW | 07.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

রাশিয়া

কলিনগ্রাদে প্রস্তুত রাশিয়ার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র!

বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী, রাশিয়ার সর্বপশ্চিম এলাকা কলিনগ্রাদে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র বসানোর খবরটি চাউর হবার পর ক্রেমলিন বলছে, নিজেদের সার্বভৌম অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র বসানোর অধিকার তাদের আছে৷

লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট ও রাশিয়ার এক আইনপ্রণেতা দাবি করেছেন, রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়েছে৷ রাশিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেনি৷ তবে এ বিষয়ে ন্যাটোর তীব্র সমালোচনার মুখে মঙ্গলবার তারা বলেছে যে, নিজস্ব ভূমিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার অধিকার রয়েছে দেশটির৷ 

ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘‘বিষয়টি পুরোপুরি রাশিয়ার সার্বভৌম সিদ্ধান্ত৷'' এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি আরো বলেন, ‘‘রাশিয়া কাউকে কখনো হুমকি দেয় না৷ তাই কারো উদ্বিগ্ন হবার প্রয়োজন নেই৷''

বলা হচ্ছে, ৪১৫ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম ইস্কান্দার-এম লঞ্চারে ব্যালাস্টিক মিসাইলটি বসিয়েছে রাশিয়া৷ দেশটির ইস্টার্ন মিলিটারি ডিস্ট্রিক্টের একটি আর্টিলারি ইউনিটের প্রশিক্ষণের সময় মিসাইলটি বসানো হয়৷

এটি চীন রাশিয়া সীমান্ত থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে পূর্ব রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তী শহর উসুরিস্ক পর্যন্ত আঘাত করতে সক্ষম৷

কলিনগ্রাদ রাজ্যটি পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মাঝামাঝি অবস্থিত৷ ন্যাটোর উদ্বেগের কারণ হলো, ক্ষেপণাস্ত্রটি ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও য় আঘাত হানতে সক্ষম৷

 ক্ষেপণাস্ত্র বসানো নিয়ে সবচেয়ে বেশি শঙ্কা প্রকাশ করেছে লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া৷ লাটভিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এডগার্স রিঙ্কেভিক্স বলেন, ‘‘এর অর্থ, জুলাই মাসে ন্যাটো সম্মেলনে আকাশপথে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে৷ এমন অনেক বিষয় নিয়ে আমাদের আলোচনা করতে হবে যেখানে আমাদের এ অঞ্চল ও বিশেষ করে লাটভিয়ার নিরাপত্তা হুমকিতে পড়ছে৷ আসলে রাশিয়ার আচরণের কারণে আমাদের এভাবে ভাবতে হচ্ছে৷''

লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট ডালিয়া গ্রিবস্কাইট বলেন, ‘‘কলিনগ্রাদে ইস্কান্দার বসানোর অর্থ হলো, অর্ধেক ইউরোপ হুমকির মুখে৷''

এর আগে অনেকবারই ক্রেমলিন বলেছিল যে, পূর্ব ইউরোপ জুড়ে যুক্তরাষ্ট্র যে মিসাইলের ঢাল তৈরি করেছে তাতে কলিনগ্রাদে ইস্কান্দার মিসাইল বসাতে বাধ্য হতে হবে৷ ওয়াশিংটন দাবি করে আসছিল যে, ইরানের কাছ থেকে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আটকাতে পূর্ব ইউরোপে এই ঢাল বানাতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে৷

জেডএ/এসিবি (রয়টার্স, এপি) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন