কর্মীদের সঙ্গে মন্ত্রীর যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ | বিশ্ব | DW | 23.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়া

কর্মীদের সঙ্গে মন্ত্রীর যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ

সরকারি মন্ত্রী এবং তাঁদের অধীনস্থ কর্মীদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রেলিয়া৷ দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী বার্নাবি জয়েস এবং তাঁর এক কর্মীর মধ্যকার যৌন সম্পর্কের কথা জানাজানি হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল গত সপ্তাহে সরকারি মন্ত্রী এবং তাদের কর্মীদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করেছেন৷ টার্নবুলের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক কর্মীর বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্কের কথা ফাঁস হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তিনি৷

এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘৫০ বছর বয়সি উপ-প্রধানমন্ত্রী বার্নাবি জয়েস তাঁর ৩৩ বছর বয়সি সাবেক মিডিয়া উপদেষ্টা ভিকি কাম্পিয়নের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে এক বড় ভুল করেছেন৷'' কাম্পিয়ন এখন অন্তঃসত্ত্বা৷

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি আজ সরকারি মন্ত্রীদের ব্যবহার বিধিতে একটি ধারা যোগ করেছি, যাতে একজন মন্ত্রী, তিনি বিবাহিত বা অবিবাহিত যা-ই হোক না কেন, কোনো কর্মীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়াতে না পারেন৷ কেউ এটা করলে তা নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের শামিল হবে৷''

প্রসঙ্গত, জয়েস একজন ক্যাথলিক, যিনি নির্বাচনী প্রচারণায় বরাবরই পারিবারিক বন্ধন এবং বিবাহসহ রক্ষণশীল বিষয়াদির প্রতি জোর দিয়েছেন৷ তিনি চব্বিশ বছর ধরে বিবাহিত এবং তাঁর চার সন্তান রয়েছে৷

পরকীয়ার খবর প্রকাশের পর অবশ্য তাঁর সংসারও ভাঙতে শুরু করেছে৷ কিছুদিন আগে তিনি বাড়ি ছেড়ে তাঁর এক বড়লোক বন্ধুর দেয়া অ্যাপার্টমেন্টে উঠেছেন বলে শোনা গেছে৷ বন্ধুর কাছ থেকে এমন সুবিধা নেয়ায়ও সমালোচনার মুখে রয়েছেন তিনি৷

তবে পরকীয়া এবং অন্যান্য বিতর্ক সত্ত্বেও বার্নাবি জয়েসকে এক্ষুণি পদচ্যুত করছেন না প্রধানমন্ত্রী৷ বরং জয়েসের দল ন্যাশনাল পার্টি, যেটি বর্তমান সরকারের জোট সঙ্গী, এক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেয় সেই অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি৷ দেশটির সংসদে বর্তমান সরকার মাত্র একটি আসনের ব্যবধানে সংখাগরিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে৷ জয়েসকে পদচ্যুত করলে সরকারের এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে৷

এআই/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন