করোনা সম্মেলনে তাইওয়ানকে ঘিরে চীন-অ্যামেরিকার সংঘাত | বিশ্ব | DW | 18.05.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

করোনা সম্মেলনে তাইওয়ানকে ঘিরে চীন-অ্যামেরিকার সংঘাত

করোনা সংকটের মোকাবিলা করতে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও ঐক্যের উদ্যোগ নিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ তবে সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিনের বাৎসরিক সম্মেলনের উপর অন্য কিছু অপ্রিয় বিষয় কালো ছায়া ফেলছে৷

চলতি বছর করোনা সংকটের কারণে ডাব্লিউএইচও-র ১৯৪টি সদস্য রাষ্ট্রের বাৎসিরক সম্মেলন অনলাইনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ করোনা ভাইরাস মোকাবিলার বিষয়টি আপাতত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে৷ কিন্তু করোনা সংকটকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বেড়ে চলা সংঘাত মূল অ্যাজেন্ডা কিছুটা ম্লান করে দিচ্ছে৷ চীনের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’-র দায়ে ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অর্থ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল৷ এবার চীনকে কোণঠাসা করতে তাইওয়ানকে পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে সম্মেলনে অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন৷ চীনের আপত্তিতে গত তিন বছর ধরে তাইওয়ান সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল৷ জাপান, জার্মানিসহ বেশ কিছু দেশও তাইওয়ানের অংশগ্রহণের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে৷ তবে এ যাত্রায় তাইওয়ানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা আর নেই বললেই চলে৷

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে তাইওয়ানের সাফল্য গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে৷ তাই সে দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেবার চেষ্টা করছে অনেক দেশ৷ অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব ও প্রসার রুখতে ব্যর্থতার কারণে প্রবল সমালোচনার মুখে রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন৷ বিশেষ করে অ্যামেরিকার লাগাতার আক্রমণের মুখে সে দেশের ভাবমূর্তির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কার্যকলাপের উপরও এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে৷

১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ডাব্লিউএইচও সম্ভবত এত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে নি৷ সংস্থার প্রধান টেড্রস আদানম গেব্রেয়েসুস এই সম্মেলনকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন৷ কিন্তু ওয়াশিংটন ও বেইজিং-এর সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে শেষ পর্যন্ত ঐকমত্যের সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে সম্মেলনে একটি প্রস্তাব আনা হচ্ছে, যার আওতায় করোনা সংকটের ফলে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও সার্বিক মূল্যায়নের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ সেইসঙ্গে আরও বেশি মানুষের জন্য পরীক্ষার সুযোগ, চিকিৎসার সরঞ্জাম, সম্ভাব্য চিকিৎসা ও টিকার প্রচেষ্টার ডাক দেওয়া হয়েছে৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বিশেষ করে অ্যামেরিকার সমালোচনা সত্ত্বেও ইইউ এই প্রস্তাবের ক্ষেত্রে ঐকমত্যের আশা করছে৷ সে ক্ষেত্রে করোনা সংকটের মোকাবিলার ক্ষেত্রে কোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চ এই প্রথম সর্বসম্মতিক্রমে কোনো প্রস্তাব অনুমদিত হবে৷

শুধু চীন নয়, করোনা সংকটকে কেন্দ্র করে ইইউ-র সঙ্গেও অ্যামেরিকার সংঘাত দেখা যাচ্ছে৷ টিকা আবিষ্কৃত হলে সবার আগে সেটি হাতে পেতে চায় ওয়াশিংটন৷ অন্যদিকে ইইউ গোটা বিশ্বে যত দ্রুত সম্ভব সেই টিকা পৌঁছে দেবার পথ খুঁজছে৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, এএফপি)

২৭ এপ্রিলের ছবিঘরটি দেখুন...

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন