করোনা সংকটের মাঝে ইরান-অ্যামেরিকা সংঘাত? | বিশ্ব | DW | 23.04.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

করোনা সংকটের মাঝে ইরান-অ্যামেরিকা সংঘাত?

বুধবার ইরানের এক সামরিক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীকে প্রয়োজনে পালটা আঘাতের নির্দেশ দিয়েছেন৷ চলতি মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা আবার বাড়ছে৷

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজ নিজ দেশে করোনা সংকট সামলাতে ব্যস্ত৷ এরই মধ্যে দুই দেশের মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে৷ মার্কিন সেনাবাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে ইরানের ১১টি জাহাজ পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরি ও উপকূল সুরক্ষা বাহিনীর জাহাজের খুব কাছে এসে পড়েছিল৷ সে সময়ে মার্কিন বাহিনী আরব সাগরে আন্তর্জাতিক জলসীমানার মধ্যে এক মহড়া চালাচ্ছিল৷

এর মধ্যে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ডস বাহিনী বুধবার জানিয়েছে যে, সে দেশ এই প্রথম এক সামরিক স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠিয়েছে৷ কোনো গোপন মরুভূমি এলাকা থেকে ‘নুর ১' নামের এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে৷ সেটির সাফল্য সম্পর্কে সংশয় সত্ত্বেও ওয়াশিংটন ইরানের মহাকাশ কর্মসূচিকে সার্বিকভাবে সন্দেহের চোখে দেখে৷ অ্যামেরিকার ধারণা, এর মাধ্যমে তেহরান গোপনে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির উন্নতির চেষ্টা করছে৷ চলতি মাসে এমন সব পদক্ষেপকে প্ররোচনা হিসেবে গণ্য করে পালটা প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷

উল্লেখ্য, ২০১৬ ও ২০১৭ সালেও সমুদ্রের বুকে দুই দেশের মধ্যে এমন সংঘাতের আশঙ্কা দেখা গিয়েছিল৷ ইরানের জাহাজ খুব কাছে এসে পড়ায় মার্কিন রণতরি সতর্ক করতে শূন্যে গোলাগুলি চালিয়েছিল৷ তবে সাম্প্রতিক কালে পারস্য উপসাগরে এমন ঘটনা আর ঘটেনি৷ বছরের শুরুতে ইরাকের ভূখণ্ডে দুই দেশের মধ্যে একাধিক সংঘাত ঘটেছে৷

এমন প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বুধবার এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ইরানের কোনো সামরিক জাহাজ মার্কিন নৌবাহিনীর হয়রানি করলে সেটির উপর হামলা চালানো হবে৷ তিনি এই মর্মে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন৷

পরে অবশ্য তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মার্কিন বাহিনীর আচরণে নতুন কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না৷

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷ মার্কিন উপ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডেভিড নরকুইস্ট বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট তেহরানকে সতর্ক করে দিতে এমন মন্তব্য করেছেন৷ তাঁর মতে, আত্মরক্ষার তাগিদে এমনিতেই মার্কিন নৌবাহিনীর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবার অধিকার রয়েছে৷

ইরানের সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, মার্কিন সেনাবাহিনীকে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচানোর কাজে মনোযোগ দেওয়া উচিত৷  

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন