এশিয়া, ইউরোপ, মধ্য প্রাচ্যের পর করোনা ছড়ালো দক্ষিণ অ্যামেরিকায় | বিশ্ব | DW | 27.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

এশিয়া, ইউরোপ, মধ্য প্রাচ্যের পর করোনা ছড়ালো দক্ষিণ অ্যামেরিকায়

বিশ্ব জুড়ে করোনার সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে। ইরান এবং ইটালির পরিস্থিতি সংকটজনক। দক্ষিণ কোরিয়াতেও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।

পৃথিবীর দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। ইটালি, এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্য প্রাচ্যের পর এ বারে করোনা সংক্রমণের খবর মিলল দক্ষিণ অ্যামেরিকা থেকে। ব্রাজিলে একজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। এ দিকে ইটালিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। ইরানে আরও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব বলছে, গোটা পৃথিবীতে এই মুহূর্তে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত।

চীনে করোনার প্রভাব ক্রমশ আয়ত্ত্বে আসছে। উহান বাদ দিলে বাকি সব জায়গাতেই ভাইরাসের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে। আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যাও কমেছে। কিন্তু তাতেও উদ্বেগ কমছে না। কারণ, চীন থেকে এখন করোনার প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের অন্তত ৪৪টি দেশ এবং অঞ্চলে। আফ্রিকা বাদ দিলে বাকি প্রায় সমস্ত মহাদেশেই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।

উত্তর ইটালির পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। ৪০০ মানুষ আক্রান্ত। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। উত্তর ইটালির লোম্বারডিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট আত্তিলিও ফনটানা নিজেকে আইসোলেশনে রেখেছেন। একটি ফেসবুক ভিডিওয় তিনি জানিয়েছেন, তাঁর এক সহকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সেই আশঙ্কায় তিনি নিজেকে আইসোলেশনে রেখেছেন। এ দিকে ইটালি থেকে ভাইরাস দ্রুত ছড়াচ্ছে ইউরোপের অন্যান্য দেশে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, গত কয়েক মাসে যাঁরা ইটালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন, তাঁদের মাধ্যমেই ইউরোপে করোনা ভাইরাসের জীবাণু ছড়াচ্ছে। নরওয়ে থেকেও করোনা সংক্রমণের খবর মিলেছে।

ইরানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সরকারি হিসেবে এখনও পর্যন্ত ১৩৯ জন করোনায় আক্রান্ত। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। যদিও বেসরকারি সূত্রের দাবি, দু'টি সংখ্যাই আরও বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বক্তব্য, চীনের বাইরে ইরানেই এখনও পর্যন্ত করোনায় সব চেয়ে বেশি মৃত্যুর হার। যদিও ইরান সরকার কোনও প্রদেশকে বাকি দেশ থেকে আলাদা করে রাখতে চাইছে না।

এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মহল। যে অঞ্চলে করোনার প্রকোপ বেশি, সেই অঞ্চলকে আইসোলেশনে না রাখলে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায় বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের।

কাতার এবং ইরাক ইরান থেকে নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনছে। ইরাক এখনও পর্যন্ত ৯টি দেশে যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যদিও এত কিছুর পরেও ইরাক থেকে করোনা সংক্রমণের খবর মিলেছে। ফ্রান্সেও করোনা ভাইরাসের প্রভাব ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৮।

ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, পাকিস্তান, ম্যাসিডোনিয়াতেও করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তানে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত দুই। জার্মানিতেও নতুন করে একজনের শরীরে করোনার জীবাণু মিলেছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার বিকেলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, করোনা প্রতিরোধে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে।

এসজি/জিএইচ (এপি, এফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন