ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট নিয়ে মাক্রোঁ, ম্যার্কেল বিরোধ | বিশ্ব | DW | 28.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউরোপ

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট নিয়ে মাক্রোঁ, ম্যার্কেল বিরোধ

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচনের পর পরবর্তী কমিশনের প্রেসিডেন্ট কে হবেন, এ নিয়ে পরস্পর বিরোধী অবস্থান ফরাসি ও জার্মান নেতাদের৷ সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ব্যক্তিকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করতে নারাজ ফরাসি প্রেসিডেন্ট ৷

ইইউ-র বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনের আগে জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেছেন, জার্মানি এখনো নিরবাচনে জয়ী দলের শীর্ষ প্রার্থীকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট মনোনীত করার পক্ষেই রয়েছে৷

মঙ্গলবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া ও ইইউ-র প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাচনের জন্য সংস্থাটির নেতাদের বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বৈঠকে বসার কথা৷

এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে ইইউ নেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন ম্যার্কেল৷ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের যত দ্রুত সম্ভব একটি সমাধানে পৌঁছাতে হবে, কারণ, জুনের শুরুতেই ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বৈঠকে বসবে৷ সবার প্রত্যাশা, ইউরোপীয় কাউন্সিল থেকে এর মধ্যে আমরা প্রস্তাব উত্থাপন করবো৷''

জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, তাঁর সিডিইউ-সিএসইউ জোট ঐক্য ও এসপিডির সঙ্গে জোটের নেতারা এতদিন চলে আসা ‘স্পিৎসেনকান্ডিডাট' অর্থাৎ জয়ী দলের প্রস্তাব করা প্রার্থীকে কমিশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনয়ন দেয়াকেই সমর্থন করেন৷

Infografik 27.05.2019, 7:07 EU Wahl 2019 - Parlament ENG

আগেরবারের চেয়ে অনেক কম ভোট পেলেও রক্ষণশীল ইউরোপীয়ান পিপলস পার্টি (ইপিপি) এবং দলটির প্রার্থী মানফ্রেড ভেবার এখনো শীর্ষেই অবস্থান করছেন৷

প্রার্থী মনোনয়ন দ্রুত করার বিষয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁও একমত৷ কিন্তু তাঁর দপ্তরের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ‘স্বয়ংক্রিয়' এই নির্বাচন ব্যবস্থার পক্ষে নন৷

ইপিপি-তে ম্যার্কেলের সিডিইউ ছাড়াও ইউরোপের বেশ কিছু রক্ষণশীল দল রয়েছে৷ ১৯৯৯ সালের পর থেকে এই জোটই ইউরোপীয় পার্লামেন্টে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে আসছে৷ এবারও জয়ী দল হলেও ইপিপিকে হারাতে হয়েছে ৩৬টি আসন৷ ফলে নতুন পার্লামেন্টে দলটি পাচ্ছে ১৮০টি আসন৷ অন্যদিকে মধ্য-বামপন্থি সোশ্যালিস্ট ও ডেমোক্র্যাট জোট- এনঅ্যান্ডডি ৩৯ আসন হারিয়ে পাচ্ছে ১৪৬টি আসন৷

ফলে অন্য সব বারের মতো ৭৫১ আসনের পার্লামেন্টে এই দুই পক্ষ মিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নিয়োগগুলোর বিষয়ে একমত হতে তৃতীয় কোনো পক্ষের সমর্থন প্রয়োজন হবে৷

ভোটের ফলে মাক্রোঁর এনমার্চ পার্টি বেশ শক্তিশালী অবস্থানে গিয়েছে৷ প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ২৩টি ভোট পাচ্ছে মাক্রোঁর দল৷ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের জোটগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যালায়েন্স অব লিবারেলস অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটস ফর ইউরোপ৷ ইপিপি ও এসঅ্যান্ডডির পর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ম্যাক্রোঁর জোট৷

এডিকে/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন