ইংলিশ চ্যানেল পার হতে গিয়ে মৃত চার শরণার্থী | বিশ্ব | DW | 28.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ইংলিশ চ্যানেল পার হতে গিয়ে মৃত চার শরণার্থী

ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে যেতে গিয়ে ইংলিশ চ্যানেলে মৃত চার শরণার্থী। মৃত্যু হয়েছে দুইটি শিশুর।

ছোট নৌকোয় চড়ে ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে যেতে গিয়ে ইংলিশ চ্যানেলে ডুবে মৃত্যু হলো চারজনের। তার মধ্যে দুইটি শিশু। এখনো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ বলে মনে করছে ফ্রান্সের উদ্ধারকারী দল।

ইংলিশ চ্যানেল পার করে ইদানীং বহু শরণার্থী যুক্তরাজ্যে গিয়ে থাকার চেষ্টা করছেন। এর আগেও বেশ কিছু শরণার্থী ছোট নৌকো ভাড়া করে ইংলিশ চ্যানেল পার করার চেষ্টা করেছেন। ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে ইউরোপ থেকে বহু শরণার্থী যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। এর আগেও নৌকোডুবিতে মৃত্যু হয়েছে অনেকের।

ফরাসি প্রশাসন জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরাসি বন্দর ডানকার্কে খবর পৌঁছয় যে, সামান্য দূরে একটি নৌকোডুবি হয়েছে। আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল দিয়ে একটি বোট পার হওয়ার সময় নৌকাডুবির ঘটনাটি তাদের চোখে পড়ে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় জল থেকেই। বাকিদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আরও দুইটি শিশুর মৃত্যু হয়। মারা যান এক নারী। প্রায় ১৫ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি। এর মধ্যে বেশ কিছু শিশুও আছে।

উদ্ধারকারীদের ধারণা এখনো সকলকে উদ্ধার করা যায়নি। নিখোঁজদের মধ্যে একটি শিশু আছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, কেন ওই শরণার্থীরা ইংলিশ চ্যানেল পার করার চেষ্টা করছিল, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো তথ্য জানায়নি ফরাসি প্রশাসন। ঘটনাস্থলে চারটি ফ্রান্সের জাহাজ এবং একটি বেলজিয়ামের হেলিকপ্টার উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। ঘটনার তদন্তে ফ্রান্সকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে টুইট করেছেন তিনি।

তবে ইংলিশ চ্যানেলে এমন ঘটনা এই প্রথম ঘটল না। অতীতে সাঁতার কেটে তিরিশ কিলোমিটার ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন শরণার্থীরা। গত সেপ্টেম্বরে ফরাসি সরকার জানিয়েছিল ১৩০০ শরণার্থীকে ইংলিশ চ্যানেল পার করার সময় আটক করা হয়েছে। ২০১৯ সালে ইংলিশ চ্যানেল পেরতে গিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২০ সালে এখনো পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যু হলো।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)