আসছে শিক্ষাঙ্গন ও সরকারি অফিস মাদকমুক্ত রাখার উদ্যোগ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 01.09.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

আসছে শিক্ষাঙ্গন ও সরকারি অফিস মাদকমুক্ত রাখার উদ্যোগ

আগামীতে সরকারি চাকরিজীবীদেরও ডোপ টেস্ট করাতে হবে৷ কবে থেকে তা শুরু হবে এখনো জানা যায়নি৷ পুলিশে এ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলছে৷ তাতেই এ পর্যন্ত চাকরি হারিয়েছেন ৩০ জন৷

আগামীতে সরকারি চাকরিজীবীদেরও ডোপ টেস্ট করাতে হবে৷ কবে থেকে তা শুরু হবে এখনো জানা যায়নি৷ পুলিশে এ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলছে৷ তাতেই এ পর্যন্ত চাকরি হারিয়েছেন ৩০ জন৷

প্রতীকী ছবি

আগামীতে সরকারি চাকরিজীবীদেরও ডোপ টেস্ট করাতে হবে৷ কবে থেকে তা শুরু হবে এখনো জানা যায়নি৷ পুলিশে এ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলছে৷ তাতেই এ পর্যন্ত চাকরি হারিয়েছেন ৩০ জন৷

বাংলাদেশ পুলিশে ডোপ টেস্ট শুরু হয়েছে গত বছর থেকেই৷ এখন সরকারি সব ধরনের চাকরিতে কর্মরতদের ডোপ টেস্টের সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও ডোপ টেস্টের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট৷

অডিও শুনুন 00:54

আমরা গড়ে টেস্ট করা বন্ধ করে দিয়েছি: ফারুক হোসেন

পুলিশে গত বছরের জুন থেকে ডোপ টেস্ট শুরু হয়৷ এ পর্যন্ত ডোপ টেস্ট করে ১০০ জন পুলিশ সদস্যকে মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ তাদের মধ্যে ৩০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে৷ বাকিদের সাসপেন্ড, পদাবনমনসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেয়া হয়েছে৷ তবে যাদের এই টেস্টের আওতায় আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন৷ এরা সবাই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-র কর্মকর্তা৷ সিনিয়র কর্মকর্তাদের গণনজরদারি ও অভিযোগের মাধ্যমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হয়৷ কিন্তু এরই মধ্যে নজরদারির মাধ্যমে সাধারণ ডোপ টেস্ট বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান ডিএমপির ডেপুটি কমিশনার (মিডিয়া) ফারুক হোসেন৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা পজিটিভ ইস্যু থেকে এটা শুরু করেছিলাম৷ কিন্তু এটা নিজেদের মধ্যে নেগেটিভলি প্রতিফলিত হয়৷ এই কারণে আমরা গড়ে টেস্ট করা বন্ধ করে দিয়েছি৷ এখন আর এটা চলে না, সীমিত আকারে আছে৷ যদি কোনো ডিভিশন থেকে কারো অ্যাটিচুড সমস্যা বা সন্দেহজনক মুভমেন্টের অভিযোগ পাই, তাহলে তার ডোপ টেস্ট করা হয়৷’’

গত  ১৭ আগস্ট আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, ‘‘মাদককে নিরুৎসাহিত করতে সরকারি চাকরিতে ঢোকার সময় এবং বছরে একবার সরকারি চাকরিজীবীদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে৷''
তবে এই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি এখনো হয়নি৷ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘‘এটা তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন৷ ওখানেই যা বলার বলে দিয়েছেন৷ উনি বলার পর তো আমি কিছু বলতে পারি না৷ পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে এখন আমার জানা নেই৷ অফিসে গেলে হয়ত বলতে পারবো৷ আমার মনে নেই৷’’

অডিও শুনুন 01:47

দেখতে হবে এটা করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা আছে কী না: ডা. টিটু মিয়া

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ডোপ টেস্টের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. টিটু মিয়াকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘ডোপ টেস্টের সিদ্ধান্ত পজিটিভ৷ এখন দেখতে হবে এটা করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা আছে কিনা৷ আমরা এই সপ্তাহেই একটি বৈঠক করবো, যারা ডোপ টেস্ট করছে তাদের সাথেও আমরা যোগাযোগ করছি৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মেডিকেল সেন্টার আছে, সেখানে লোকবল বাড়ানো যায়৷ যন্ত্রপাতি কিনতে হবে৷ তাই এটা কবে শুরু করা যাবে তা বলা যাচ্ছে না৷’’

তিনি জানান, ‘‘আপাতত সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত হলো সব ছাত্রের ডোপ টেস্ট করা এবং প্রতি বছর করা৷’’

এদিকে পিএসপির চেয়ারম্যান শাহজাহান আলি মোল্লা বলেন, ‘‘বিসিএস এবং অন্যান্য নন-ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগের ব্যাপারে ডোপ টেস্টের ব্যাপারে আমরা কোনো নির্দেশনা এখনো পাইনি৷ পেলে ডোপ টেস্ট করবো৷ এখন শুধুমাত্র স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিধান আছে৷’’
পুলিশের চলতি ডোপ টেস্টে যারা যারা পজিটিভ হয়েছেন তাদের মধ্যে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের মতো মাদকে আসক্তরা আছেন৷ আর করোনার মধ্যেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে ৪৫ জন মাদকাসক্ত ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ তারা ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের পাশাপাশি আইস ও এলএসডির মতো মাদকে আসক্ত

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়