1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

আইএস-এর নতুন টার্গেট মিশর

১০ এপ্রিল ২০১৭

ইরাক ও সিরিয়ায় কোণঠাসা হয়ে পড়ে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট এবার আঘাত হানলো মিশরে৷ দুই গির্জার উপর হামলা চালিয়ে তারা নিজেদের শক্তির প্রমাণ দেবার চেষ্টা করলো৷ দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে৷

https://p.dw.com/p/2axvb
মিশরে হামলা
ছবি: Reuters/M. Abd el Ghany

আলেক্সান্ড্রিয়া ও টান্টা শহরে কপটিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের দুই গির্জার উপর আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস৷ পবিত্র ‘পাম সান্ডে' উপলক্ষ্যে সেই দুই গির্জায় বিশেষ প্রার্থনাসভা চলছিল৷ বোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৪৬ জন নিহত ও অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছে৷ আলেক্সান্ড্রিয়ার সেন্ট মার্ক্স ক্যাথিড্রালে হামলার সময়ে কপটিক সম্প্রদায়ের পোপ প্রার্থনাসভা পরিচালনা করছিলেন৷ তাঁর অবশ্য কোনো ক্ষতি হয়নি৷ ভবিষ্যতেও এমন হামলার হুমকি দিয়েছে আইএস৷

উল্লেখ্য, মিশরে সংখ্যালঘুদের উপর আইএস এর আগেও হামলা চালিয়েছে৷ গত বছরের ২৮শে ডিসেম্বর কায়রো শহরের একটি গির্জায় আত্মঘাতী হামলায় ২৮ জন নিহত হয়েছিল৷ সিনাই উপদ্বিপে আইএস ক্রমশ তাদের শক্তি বাড়িয়ে চলেছে৷ লাগাতার হামলার জের ধরে খ্রিষ্টানরা সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছে৷

মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাতাহ আল-সিসি সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলার স্বার্থে ৩ মাসের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বলেছেন, এই সংগ্রাম দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক হতে চলেছে৷

পোপ ফ্রান্সিস এই হামলার নিন্দা করেছেন৷ আগামী ২৮ ও ২৯শে এপ্রিল তিনি মিশর সফরে আসছেন৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার নিন্দা করে বলেছেন, তাঁর বিশ্বাস মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারবেন৷

জোরালো সামরিক অভিযানের মুখে একের পর এক এলাকা হারিয়ে ইরাক ও সিরিয়ায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে আইএস৷ এই অবস্থায় তারা অন্যান্য অঞ্চলে সক্রিয় হয়ে নিজেদের বার্তা তুলে ধরে আরও অনুগামী আকর্ষণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য