অ্যামেরিকায় নতুন করোনার স্ট্রেইন | বিশ্ব | DW | 30.12.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

অ্যামেরিকায় নতুন করোনার স্ট্রেইন

যুক্তরাজ্যের নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস এবার অ্যামেরিকায়। এক যুবকের শরীরে ওই করোনা মিলেছে। চিন্তিত মার্কিন প্রশাসন।

অ্যামেরিকায় পৌঁছে গেল যুক্তরাজ্যের করোনা। কলোরাডোয় এক ২০ বছরের যুবকের শরীরে নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস মিলেছে। যদিও ওই যুবক গত কিছু দিনের মধ্যে যুক্তরাজ্য বা ইউরোপের কোনো দেশে যাননি। ওই যুবককে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে বলে কলোরাডোর গভর্নর জানিয়েছেন।

সপ্তাহ কয়েক আগে যুক্তরাজ্যে নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস প্রথম মিলেছিল। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, সাধারণ করোনার থেকে এই ভাইরাসটি ৭০ শতাংশ দ্রুত ছড়ায়। তবে সাধারণ করোনা ভাইরাসের চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক নয় এই ভাইরাস। নতুন এই ভাইরাসের নাম দেওয়া হয়েছে বি.১.১.৭। এই ভাইরাসের প্রকোপে যুক্তরাজ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ইউরোপ এবং এশিয়ার বহু দেশ বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।

তা সত্ত্বেও ইউরোপের বেশ কিছু দেশ এবং ভারতে নতুন ভাইরাসের নমুনা মিলেছে। এই প্রথম অ্যামেরিকায় তার চিহ্ন মিলল। এমনিতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কাহিল অ্যামেরিকা। এখনো প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মৃত্যু হয়েছে কয়েক লাখ মানুষের। তারই মধ্যে নতুন ধরনের ভাইরাস অ্যামেরিকায় পৌঁছে যাওয়ায় চিন্তিত মার্কিন প্রশাসন। কলোরাডোর গভর্নর ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, তাঁদের সন্দেহ আরো একজনের শরীরে ওই একই ভাইরাস আছে। তবে নিশ্চিত না হয়ে তাঁর নাম ঘোষণা করা হবে না। বস্তুত, দুইজনের কেউই যুক্তরাজ্যে যাননি। তাহলে কী করে নতুন ধরনের ভাইরাসটি তাঁদের শরীরে ঢুকলো তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এ দিকে ফ্রান্সের কোনো কোনো অঞ্চলে কার্ফিউয়ের সময় বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে। বিশেষ করে পূর্ব ফ্রান্সের কয়েকটি অঞ্চলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। ওই সব জায়গায় সন্ধে ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে সম্পূর্ণ লকডাউনের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছে ফ্রান্সের প্রশাসন। জার্মানিতে অবশ্য আংশিক লকডাউন চলছে।

নতুন বছরের পার্টি বন্ধ করতে থাইল্যান্ডেও নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও থাই প্রশাসনও একে লকডাউন না বলে কারফিউ বলছে। ক্লাব, বার, রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

লাতিন অ্যামেরিকাতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। লাতিন অ্যামেরিকার সবকটি দেশ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ব্রাজিলের পরিস্থিতি সব চেয়ে ভয়াবহ।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, ডিপিএ)

বিজ্ঞাপন