1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সিরীয় উদ্বাস্তুদের জন্য ইইউ-র বিশেষ সহায়তা

শরণার্থীদের বিষয়ে নতুন কিছু উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে ইইউ৷ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সিরীয় উদ্বাস্তুদের ১২০ কোটি ইউরো অর্থ সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি ইইউ-র বহিঃসীমান্তে তদারকি ব্যবস্থাও জোরদার করবে ইউরোপের এই আঞ্চলিক জোট৷

ব্রাসেলসে বৃহস্পতিবার ভোরে শেষ হয় শরণার্থী সংকট নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর জরুরি সম্মেলন৷ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর সম্মেলনটি সফলভাবেই শেষ হয়৷ ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক জানান, সভায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সিরীয় উদ্বাস্তুদের সহায়তার জন্য ১২০ কোটি ইউরো প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে৷ এ অর্থ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডাব্লিউএফপি) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর মাধ্যমে মাধ্যমে বণ্টন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷

বুধবার শুরু হওয়া ইইউ-র জরুরি সভায় শরণার্থীর আগমন তদারকির বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ সভায় সভাপতিত্ব করা টুস্ক বলেন, ‘‘(ইইউ-র) সদস্যদের সবাই এ বিষয়ে নিশ্চিত যে আমরা যদি আমাদের বহিঃসীমান্তের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার না করি, তাহলে চলমান সংকটের সঙ্গে কার্যকরভাবে খাপ খাওয়ানো কখনোই সম্ভব হবে না৷''

তিনি আরো বলেন, ‘‘মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে সিরিয়া ও ইরাকের সংকট খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবার নয়৷ এ কারণেই এখন আর কয়েক হাজার নয়, কয়েক মিলিয়ন শরণার্থী ইউরোপে আসার চেষ্টা করছে এবং আমরা তাদের নিয়ে কথা বলছি৷''

তবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে অবাধে শরণার্থীর আগমন নিয়ন্ত্রণ করতে এবার সীমান্তে ‘হটস্পট', অর্থাৎ বিশেষ পর্যবেক্ষণ ও তদারকি কেন্দ্র স্থাপন করবে ইইউ৷ ব্রাসেলসের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্তও হয়েছে৷

অনেক বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছালেও শরণার্থী গ্রহণের বিষয়ে ইইউ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মতানৈক্য এখনো আছে৷ হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবারও বলেছেন, ‘‘ম্যার্কেল যেভাবে শরণার্থী সংকট মোকাবেলা করছেন, সেটা নৈতিক সাম্রাজ্যবাদের শামিল৷''

পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো শুরু থেকেই শরণার্থী নিতে চায়নি৷ হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া শরণার্থী নেয়ার বিপক্ষে ভোটও দিয়েছে৷

এদিকে জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেরা ম্যার্কেল বলেছেন, সিরিয়ার সংকট নিরসনের চেষ্টা প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে নিয়েই করতে হবে৷ তাঁর মতে, আসাদকে দূরে রেখে সিরিয়া এবং সিরিয়ার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোয় শান্তি ফেরানো সম্ভব নয়৷

ব্রাসেলসে ইইউ-র জরুরি সম্মেলন শেষে ম্যার্কেল বলেন, ‘‘আমাদের অনেকের সঙ্গেই আলোচনা করতে হবে৷ আসাদের সঙ্গে তো বটেই, আরো অনেকের সঙ্গেই আলোচনা করতে হবে৷ শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার সঙ্গে নয়, ইরান ও সুন্নি অধ্যুষিত দেশ সৌদি আরবের মতো গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অংশীদের সঙ্গেও আলোচনা করতে হবে৷''

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি,এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়