1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

জার্মানি সিরিয়া থেকে উদ্বাস্তু নিচ্ছে

জার্মানি সিরিয়া থেকে পলাতক পাঁচ হাজার উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দেবে৷ তাদের কিছু বিশেষ শর্ত অনুযায়ী বাছাই করা হবে ও জার্মানিতে বসবাসের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত ‘ক্র্যাশ কোর্স' দেওয়া হবে৷ তবে তারা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাবে না৷

গত মার্চ মাসেই জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হান্স-পেটার ফ্রিডরিশ ঘোষণা করেন যে, পাঁচ হাজার সিরীয় উদ্বাস্তুকে যথাশীঘ্র ছোট ছোট দলে করে বিমানযোগে জার্মানিতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷ সেই উদ্বাস্তুদের প্রথম দলটি গত বুধবার জার্মানিতে এসে পৌঁছয়৷

কে জার্মানি যেতে পারবে, তা ঠিক করা হবে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু ত্রাণ সংগঠন ইউএনএইচসিআর এবং অপরাপর ত্রাণ সংগঠনের সঙ্গে মিলে – বলে জানিয়েছেন জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র৷ যে সব উদ্বাস্তুরা লেবাননে আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের মধ্য থেকেই এই পাঁচ হাজারকে বেছে নেওয়া হবে৷

Fotoreportage Türkei angespannte Lage in Reyhanli

দু বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়

বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রধানত তিনটি গোষ্ঠীর মানুষদের বিবেচনা করা হবে: মানবিক বিচারে যাদের সাহায্য প্রয়োজন – যেমন গুরুতরভাবে আহত ব্যক্তি, কিংবা বাবা-মা হারা শিশু কিংবা একা মায়েরা ও তাদের সন্তানরা৷ এছাড়া যে সব উদ্বাস্তুদের জার্মানির সঙ্গে কোনো সংযোগ আছে, যেমন যাদের পরিবারের কেউ জার্মানিতে বাস করেন, কিংবা যাদের কিছুটা জার্মান জানা আছে৷ তৃতীয়ত, যে সব সিরীয়র কোনো বিশেষ যোগ্যতা কিংবা কোয়ালিফিকেশন আছে এবং যারা স্বদেশে সংঘাত শেষ হলে দেশের পুনর্গঠনে সাহায্য করতে পারবেন৷

বাছাই করা সিরীয় উদ্বাস্তুদের প্রথমে দু'বছরের জন্য জার্মানিতে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে – অর্থাৎ তারা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী নন, যেমন গোটা কর্মসূচিটা কোনো উদ্বাস্তু পুনর্বাসন প্রকল্প নয়, বলে ডিডাব্লিউ-কে জানিয়েছেন ইউএনএইচসিআর জার্মানির মুখপাত্র স্টেফান টেলোয়কেন৷

প্রথম কাজ: জার্মান শেখা

পাঁচ হাজার সিরীয়কে প্রথমে দু'সপ্তাহের জন্য ফ্রিডলান্ড এবং ব্রামশে-র তথাকথিত সীমান্ত ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখা হবে এবং জার্মানিতে তারা যে সময় কাটাবেন, তার জন্য প্রস্তুত করা হবে৷ প্রথম সপ্তাহে উদ্বাস্তুদের কাজ হবে, কিছুটা জার্মান শেখা৷ এক সপ্তাহ পরে তারা যেন নিজেদের নাম ও পরিচয় জানাতে এবং জার্মানে রাস্তার নাম ও পথ জিজ্ঞাসা করতে পারেন – সেটাই হবে এই ভাষা শিক্ষণ কর্মসূচির উদ্দেশ্য৷

Germany's Interior Minister Hans-Peter Friedrich addresses reporters after meeting with U.S. Attorney General Eric Holder about concerns over National Security Agency surveillance programs, in Washington, July 12, 2013. REUTERS/Jonathan Ernst (UNITED STATES - Tags: POLITICS LAW)

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন,, পাঁচ হাজার সিরীয় উদ্বাস্তুকে যথাশীঘ্র জার্মানিতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হচ্ছে

ভাষাশিক্ষার সময় হবে সকালে৷ দুপুরে উদ্বাস্তুদের জার্মানি ও জার্মানির স্কুল ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, বিভিন্ন সরকারি কার্যালয় ইত্যাদি সম্পর্কে জানানো হবে৷ সীমান্ত ট্রানজিট শিবিরগুলিতে দু'সপ্তাহ কাটানোর পর উদ্বাস্তুদের বিভিন্ন রাজ্যে পাঠানো হবে৷ জার্মানি ১৬টি রাজ্য অথবা প্রদেশের সব ক'টি কিছু কিছু করে উদ্বাস্তু নেবে৷

জার্মানির বৃহত্তম রাজ্য হিসেবে নর্থরাইন ওয়েস্টফালিয়া নেবে এক হাজারের বেশি উদ্বাস্তু৷ সে তুলনায় সবচেয়ে ছোট রাজ্য ব্রেমেন নেবে ৫০ জন উদ্বাস্তু৷ তবে জার্মানির ‘‘প্রো আস্যুল'' সংগঠন – যারা উদ্বাস্তু-শরাণার্থীদের জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় দেবার পক্ষে – তারা মাত্র পাঁচ হাজার সিরীয় উদ্বাস্তুকে নেওয়াটাকে অপর্যাপ্ত বলে মনে করে৷ এছাড়া শুধুমাত্র লেবানন থেকে উদ্বাস্তু নেওয়া ন্যায্য বলে মনে করে না তারা, কেননা সিরীয় উদ্বাস্তুরা ঐ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়