1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

হিলারি-ট্রাম্প বিতর্ক কেন ইতিহাস সৃষ্টি করবে?

নিউ ইয়র্কের হফস্ট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিলারি ক্লিন্টন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে যখন বিতর্ক শুরু হবে বাংলাদেশ সময় তখন ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার, সকাল সাতটা৷ নানা কারণে এবারের বিতর্ক ইতিহাস হয়ে থাকবে৷

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে প্রথমবারের মতো কোনো নারী প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন৷ স্টেজে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছেন দুই অজনপ্রিয় প্রার্থী৷ আর এবারই প্রথম অনেকের সঙ্গে নয়, শুধুমাত্র একজন মানুষের মুখোমুখি হতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ রিপাবলিকান রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিড গ্যালেন বলেছেন, এই বিতর্ক দেখার জন্য বহু মানুষ অপেক্ষা করছেন৷ ডেমোক্র্যাট বিশ্লেষক রবার্ট শ্রুমের কথায়, দুই প্রার্থীই বেশ অস্থিতিশীল অবস্থানে আছেন৷ চন্দ্র অভিযানের পর, এত বেশি সংখ্যক মানুষ হয়ত একটি বিতর্কটি দেখতে টিভির সামনে বসেননি৷

গ্যালেনের জানান, ট্রাম্প যেভাবে রিপাবলিকান ‘ডিবেট' বা বিতর্কে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কথা বলে ওয়াইল্ড কার্ড পেয়েছিলেন, এবারও তেমন কিছু করেন কিনা – সেটাই এখন দেখার বিষয়৷ তাঁর জনসমর্থন বৃদ্ধিই নির্ধারণ করবে কী কী বক্তব্য বা ইস্যু তাঁর বিতর্কে উঠে আসে৷ রিপাবলিকান ডিবেটের সময় ট্রাম্প ১০ জন প্রার্থীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন৷ তাই এক-একজনের জন্য সময় ছিল সীমিত৷ কিন্তু প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট হবে ৯০ মিনিট ধরে৷ তাই সময় অনেক৷

পলিটিকাল স্কলার জেনিফার মেরসিকার কথায়, ট্রাম্পকে এই ডিবেটে জিততে হলে অবশ্যই নিজের নীতিটা স্পষ্ট করতে হবে৷ এছাড়া তাঁর যেসব বক্তব্যের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হচ্ছে, সেগুলো খণ্ডন করারও এটাই উপযুক্ত সময়৷

হিলারি অবশ্য নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে, অন্তত এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷ ২০০০ সালে সিনেট নির্বাচনের সময় থেকে কিছু নিদির্ষ্ট নীতি ঠিক করে নিয়েছেন হিলারি এবং সে পথেই এগিয়ে গেছেন তিনি৷ মেরসিকা বলছেন, হিলারির ক্ষেত্রে সমস্যা হলো তিনি তাঁর নীতিগুলো এতবার জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন যে, বিতর্কে নতুন কিছু আনা তাঁর জন্য একটু কষ্টকর হবে৷ জনমত জরিপে দুই প্রার্থী এখন প্রায় সম অবস্থানে আছেন৷ তবে মজার ব্যাপার, চারজন বিশেষজ্ঞকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কে জিতবে? কেউই এর উত্তর দেননি৷

নেতানিয়াহুর সাথে দুই প্রার্থীর সাক্ষাৎ

প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটের ঠিক একদিন আগে দুই প্রার্থীই দেখা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে৷ ট্রাম্প ও হিলারি দু'জনই মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্ককে সমর্থন করেন৷ ট্রাম্প চান যাতে ইসরায়েল পশ্চিমতীরে নতুন বসতি স্থাপন অব্যাহত রাখে৷

তাঁর মতে, ইসরায়েল জঙ্গিদের রুখতে একটি দেয়াল নির্মাণ করুক, যেমনটা তিনি চান মেক্সিকো সীমান্তে৷ অন্যদিকে, হিলারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের ৩ হাজার ৮০০ কোটি সামরিক সহায়তা চুক্তিকে সমর্থন জানিয়েছেন৷ 

মঙ্গলবারের ৯০ মিনিট বিতর্কের মূল বিষয় তিনটি হলো – দিকনির্দেশনা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি৷ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১০ কোটি দর্শক এই বিতর্ক দেখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি টেলিভিশনের জাতীয় জনমত জরিপ অনুসারে, হিলারি ও ট্রাম্পের প্রতি সম্ভাব্য ভোটারদের সমর্থন কার্যত সমান সমান৷ জরিপ অনুযায়ী, এই মুহূর্তে হিলারি ও ট্রাম্পের জনসমর্থন যথাক্রমে ৪৫ ও ৪৪ শতাংশ৷ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন লেস্টার হল্ট৷ সিএনএনসহ প্রায় সব প্রধান মার্কিন টিভি নেটওয়ার্কে ও ইন্টারনেটে এই বিতর্ক সরাসরি সম্প্রচার করা হবে৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটে কে জিতবে? হিলারি না ট্রাম্প? লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়