1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিশ্বে চারজনে একজনের মৃত্যু পরিবেশগত কারণে

সারা বিশ্বে প্রতি চারজনের মধ্যে অন্তত একজনের মৃত্যু হয় পরিবেশগত কারণে৷ বায়ু, পানি ও মাটির দূষণ এবং সেই সঙ্গে অনিরাপদ কর্মক্ষেত্র ও রাস্তাই মূলত এমন মৃত্যুর জন্য দায়ী৷ জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) দেখেছে, ২০১২ সালে সারা বিশ্বে মোট যতজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে অন্তত এক চতুর্থাংশেরই মৃত্যুর কারণ ছিল বায়ু, পানি ও মাটির দূষণ আর অনিরাপদ কর্মক্ষেত্র ও রাস্তাসহ আরো কিছু পরিবেশগত সমস্যা৷ তাদের প্রতিবেদন বলছে, ২০১২ সালে আনুমানিক ১ কোটি ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে খারাপ পরিবেশে বসবাস ও কাজ করার কারণে৷ এটা সে বছরের মোট মৃত্যুর শতকরা ২৩ ভাগ৷ পরিবেশগত কারণে এত মানুষের মৃত্যুতে ডাব্লিউএইচও শঙ্কিত৷ সংস্থার প্রধান মার্গারেট চ্যান বলেছেন, ‘‘সব দেশ এখনই মানুষের বসবাস ও কাজের পরিবেশকে স্বাস্থ্যকর করার উদ্যোগ না নেয় তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে এবং কম বয়সে মারা যাবে৷''

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১২ সালে পরিবেশগত কারণে মৃত্যুবরণ করা মানুষদের মধ্যে ৮২ লাখ মারা যায় বায়ু দূষণজনিত রোগের কারণে৷ প্রায় ৮ লাখ ৪৬ হাজার মানুষের ডায়রিয়ায় মৃত্যুর বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে ডাব্লিউএইচও-র প্রতিবেদনে, কেননা, বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন মৃত ব্যক্তিদের ডায়রিয়া হয়েছিল দূষিত পানি পান করার কারণে৷

এছাড়া ১৭ লাখের মৃত্যুর কারণ ছিল সড়ক দুর্ঘটনার মতো ‘অনিচ্ছাকৃত চোট বা আঘাত'৷ পাশাপাশি রাসায়নিক দ্রব্য ও কীটনাশক যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা এবং আগ্নেয়াস্ত্রের সহজলভ্যতার কারণে সারা বিশ্বে যারা আত্মহত্যা করতে পেরেছেন, তাদের মৃত্যর বিষয়টিও এসেছে প্রতিবেদনে৷ চার বছর আগে সারা বিশ্বে এমন কারণে আত্মঘাতী হতে পেরেছিলেন ২ লক্ষ ৮৬ হাজার মানুষ৷

সে বছর পরিবেশগত কারণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ায়৷ সেখানে এমন মৃত্যু হয়েছে ৩৮ লাখ মানুষের৷ একই রকম কারণে ৩৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে৷ ইউরোপ আর আফ্রিকায় পরিবেশগত কারণে মারা গিয়েছিল যথাক্রমে ১৪ ও ২২ লাখ মানুষ৷ এমন মৃত্যু সবচেয়ে কম হয়েছে অ্যামেরিকায়৷ পরিবেশগত কারণে সে বছর অ্যামেরিকায় মারা গিয়েছিল ৮ লক্ষ ৪৭ হাজার মানুষ৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়