1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের জন্য সৌরশক্তি চালিত অ্যাম্বুলেন্স

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলাচল উপযোগী বিশেষ এক অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ করছেন গবেষকরা৷ তিন চাকার এবং সরু রাস্তায় চলাচলের উপযোগী এসব সৌরশক্তি চালিত ভ্যান অ্যাম্বুলেন্স এ বছরই রাস্তায় নামতে পারে৷

তিন চাকার ভ্যানের উপরে তৈরি হলেও অ্যাম্বুলেন্সগুলোর মধ্যে জীবন বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ থাকবে৷ তবে সেটি পুরোটাই চলবে সৌরশক্তিতে৷ এমনকি রাতের বেলা চলার জন্যও প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেবে একটি ব্যাটারি, যা দিনের বেলা চার্জ হবে সৌরশক্তিতে৷ ফলে বিদ্যুৎ নেই এমন অঞ্চলেও ব্যবহার করা যাবে এসব অ্যাম্বুলেন্স৷ মোটের উপর এবড়েথেবড়ো মেঠো পথ কিংবা পিচঢালা রাস্তা - সব জায়গাতেই চলাচলের উপযোগী এসব অ্যাম্বুলেন্স৷

সব জায়গাতেই চলাচলের উপযোগী এসব অ্যাম্বুলেন্স

সব জায়গাতেই চলাচলের উপযোগী এসব অ্যাম্বুলেন্স

বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় গাড়ি নির্মাতা কোম্পানির সমন্বিত উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে বিশেষ এই অ্যাম্বুলেন্স৷ ইতোমধ্যে একটি নমুনা পরীক্ষাও করা হয়েছে৷ আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ রাস্তায় নামানো যাবে সেগুলো৷ এই প্রকল্পের প্রধান, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক একেএম আব্দুল মালেক আজাদ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্লিনিকগুলোর জন্য কম খরচের এসব অ্যাম্বুলেন্স ভালো উপায় হতে পার বলে আমি মনে করি৷ তাছাড়া সৌরশক্তি ব্যবহারেরর মাধ্যমে আমরা বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রাত্যহিক খরচ কমাতে এবং পরিবেশ বাঁচাতে পারি৷''

একেকটি সৌরশক্তি চালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরিতে খরচ পড়বে ১,৯০০ থেকে ২,৫০০ মার্কিন ডলার৷ যেখানে প্রচলিত অ্যাম্বুলেন্সের দাম কমপক্ষে ৩০,০০০ মার্কিন ডলার৷ আজাদ জানিয়েছেন, এ রকম অ্যাম্বুলেন্স বিশ্বের আরো কোনো দেশে তৈরি হয়েছে বলে তাঁর জানা নেই৷ তবে অস্ট্রেলিয়ায় সৌরশক্তি চালিত গাড়ির রেস হয়, সেখান থেকেই তারা আইডিয়াটা পেয়েছেন৷

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাধারণ রিকশাভ্যানে করে রোগী পরিবহন করা হয়৷ অস্বাস্থ্যকর সেই পন্থায় অনেক সময় রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান৷ নতুন এই অ্যাম্বুলেন্স ভ্যান সেক্ষেত্রে জীবন রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে৷ একেকটি অ্যাম্বুলেন্সে তিন জনকে বহন করা যাবে৷ আর সেগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫-২০ কিলোমিটার গতিতে চালানো যাবে৷

এআই/এসিবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়