1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ডেনমার্ক

ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দিলেন ডেনমার্কের মন্ত্রী

হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আঁকা কার্টুন ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রী ইঙ্গার স্টইবার্গ৷ এক জাদুঘর কার্টুনটি প্রদর্শন করেনি৷ তার প্রতিবাদ জানাতেই কার্টুনটি ফেসবুকে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি৷

কয়েকদিন আগে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে তাঁর ও ডেনিশ সরকারের কঠোর অবস্থান ছবির মাধ্যমে প্রকাশ করেও বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন ইঙ্গার স্টইবার্গ৷ সেবার অভিবাসীদের বিরুদ্ধে তাঁর মন্ত্রণালয়ের পঞ্চাশতম বিধিনিষেধ আরোপ উদযাপন করেছিলেন ‘৫০’ লেখা কেক কেটে৷ কেক কাটার সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেয়ারও করেছিলেন ডেনমার্কের বিতর্কিত এই রাজনীতিবিদ৷

গেল মার্চে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল ডেনমার্কের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে জানানো তাঁর একটি আহ্বান৷ ডেনমার্কে অবৈধভাবে যাঁরা পিজার দোকানে কাজ করছেন, তাঁদের ধরিয়ে দেয়ায় জনসাধারণকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি৷ নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আপনার এলাকার কোনো পিৎসারিয়ায় গিয়ে যদি দেখেন যারা কাজ করছে, তারা ডেনিশ না বলে অন্য ভাষায় বেশি কথা বলছে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে খবর দেবেন৷’’ এমন আহ্বানের কারণ জানাতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘‘পুলিশ ডেনমার্কের প্রতিটি ঘরে গিয়ে তল্লাসি চালাবে, এমনটি আশা করা ঠিক নয়৷’’

অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত ইঙ্গার স্টইবার্গ গত বুধবার ফেসবুকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর এমন এক ক্যারিকেচার পোস্ট করেন, যা দেখে মনে হয় নবির পাগড়িতে বোমা রয়েছে, আর সেই বোমার ফিউজটা জ্বলতে শুরু করেছে৷ 

কার্টুনটি অবশ্য নতুন নয়৷ ২০০৫ সালে ডেনমার্কের এক দৈনিকে এই কার্টুন প্রকাশিত হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছিল৷ প্রতিবাদ, বিক্ষোভ এবং দাঙ্গায় সারা বিশ্বে অন্তত ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছিল৷

এমন কার্টুন কেন ফেসবুকে পোস্ট করলেন? ইঙ্গার স্টইবার্গ জানান, সম্প্রতি ডেনমার্কের একটি জাদুঘরের প্রদর্শনীতে ছবিটি রাখা হয়নি৷ জাদুঘর কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বলে জানিয়েছেন ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রী৷ তাঁর মতে, ‘‘এটি জাদুঘর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত৷ এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার অবশ্যই আছে তাদের৷ তবে আমি মনে করি, এটা খুবই লজ্জাজনক কাজ হয়েছে৷ আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে, মুহাম্মদ (সা)-এর এই কার্টুনটি নিয়ে আমাদের গর্ব করা উচিত৷’’

এসিবি/জেডএইচ (ইএফই, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন