1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

ছদ্মনামে আত্মজীবনী লিখেছিলেন হিটলার!

‘মাইন কাম্ফ' বইটি হিটালারের প্রথম আত্মজীবনী হিসেবে বহুল পরিচিত৷ তবে একজন ইতিহাসবিদ বলছেন, হিটলারের প্রথম আত্মজীবনী নিজেই লিখেছিলেন, তবে অন্য নামে৷ সেখানে নিজেকে নাকি জার্মানির ত্রাণকর্তা হিসেবে তুলে ধরেছিলেন তিনি৷

১৯২৩ সালে ‘অ্যাডলফ হিটলার: তার জীবন এবং কথা' বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়৷ বইটিতে ভিক্টর ফন কোয়েরবের নামটি স্বাক্ষরিত ছিল৷ যদিও হিটলার নিজেই ছিলেন এই বইয়ের লেখক৷ এমনটাই বলছেন ইতিহাসবিদ টোমাস ভেবের৷ স্কটল্যান্ডের আবেরডিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক দাবি করছেন, তিনি এমন কিছু তথ্য-উপাত্ত পেয়েছেন যার ফলে এ বিষয়ে তিনি মোটামুটি নিশ্চিত৷ ৬ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে তিনি বিষয়টি জানান৷

মাইন কাম্ফ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৫ থেকে ১৯২৬-এর মাঝামাঝি সময়ে৷ বইটিকে হিটলারের প্রথম আত্মজীবনী বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে৷

টোমাস ভেবার বললেন, ‘‘হিটলার কীভাবে নাৎসি হলেন এ সম্পর্কে একটি বই লিখতে গিয়ে গবেষণা করছিলাম, তখনই বিষয়টি উদঘাটন করি৷'' ফন কোয়েবারের ব্যক্তিগত কাগজপত্র রাখা আছে য়োহানেসব্যুর্গে, সেখানে টোমাস বেশ কিছু স্বাক্ষর করা নথিপত্র পান, যা থেকে তিনি বুঝতে পারেন, আসলে ভিক্টর ফন কোয়েবার ঐ বইটি লিখেননি৷

অধ্যাপক টোমাস দাবি করেছেন, ‘‘কোয়েবারের হাতে লেখা কিছু কাগজপত্র পেয়েছি, যা থেকে খুব সহজেই প্রমাণ করা যাবে যে ঐ জীবনীটি হিটলার নিজে লিখেছিলেন৷''

টোমাসের মতে, আত্মপ্রচারের জন্য হিটলার কত যে কূট কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন, এ ঘটনা থেকেও তার কিছুটা নমুনা পাওয়া যায়৷ জার্মানির রক্ষণশীল সমাজে নিজের চিন্তাভাবনার বিস্ফোরণ ঘটাতে এই বইয়ের আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি, যেখানে নিজেকে তুলে ধরেছিলেন জার্মানির ত্রাণকর্তা হিসেবে৷ আত্মজীবনীটিতে হিটলারর কথা ও বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছিল৷ যখন এটি প্রকাশ হয়, তখন হিটলার বুঝতে পারেন, নিজে যে এটা লিখেছেন সেটা না জানানোই ভালো এবং এ কারণে বইয়ে ভিক্টর ফন কোয়েরবেরকে স্বাক্ষর করতে বলেছিলেন তিনি৷

তবে অধ্যাপক টোমাস যেসব তথ্য-উপাত্ত পেয়েছেন তা এখনই সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করতে চাননি, কেননা, নভেম্বরে ডাচ ভাষায় তিনি হিটলারকে নিয়ে যে বইটি প্রকাশ করতে চলেছেন তাতেই থাকবে সব তথ্য৷ বইটির নাম ‘হিটলার্স মেটামরফস'৷ আগামী বছর যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হবে বইটি৷

এপিবি/এসিবি 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়